প্রগতি ত্রিপুরা, ২৩ আগস্ট, ২০২৬: সরকারি উদ্যোগে ধান কেনাকে কেন্দ্র করে দফায় দফায় উত্তেজনা ছড়াল সোনামুড়া এগ্রি মার্কেটে। ধানের গুণমান পরীক্ষার নামে নির্দিষ্ট পরিমাণ ধান বাদ দেওয়ার প্রক্রিয়াকে কেন্দ্র করে ক্ষোভে ফেটে পড়েন স্থানীয় কৃষকরা।
ঘটনার বিবরণে জানা গিয়েছে, গত ২৩ আগস্ট থেকে সোনামুড়া এগ্রি মার্কেটে দুই দিনব্যাপী সরকারি প্রক্রিয়ায় ধান কেনা শুরু হয়। মহকুমার বিভিন্ন প্রান্ত থেকে কৃষকরা কষ্টার্জিত ফসল বিক্রি করতে বাজারে উপস্থিত হন। কিন্তু ধান কেনার সময় মান যাচাইয়ের অজুহাতে হঠাৎ করেই ৫ শতাংশ করে ধান বাদ দেওয়া শুরু হয়। কৃষকদের অভিযোগ, বাজারে ফসল নিয়ে আসার পর এভাবে আচমকা বাদ দেওয়ার নিয়ম চাপিয়ে দিলে তাঁরা মারাত্মক আর্থিক লোকসানের মুখে পড়বেন। নিয়মটি আগে থেকে স্পষ্ট করে না জানানোয় আধিকারিকদের ঘেরাও করে বিক্ষোভ প্রদর্শন করেন ক্ষুব্ধ কৃষকরা।
অন্য দিকে, ফুড ইনচার্জ রাজ মলসন জানান, ধানের গুণমান যাচাইয়ের প্রশাসনিক নিয়ম মেনে নির্দিষ্ট শতাংশ বাদ দেওয়া হচ্ছে। তিনি আরও উল্লেখ করেন, বড় ধানের ফলন তেমন ভালো না হওয়ায় দেশের বহু জায়গায় সরকারিভাবে এই ধান কেনা হয় না। তবে কৃষকদের স্বার্থে এফসিআই (FCI)-এর বিশেষ অনুমতি নিয়ে সোনামুড়ায় ধান কেনার ব্যবস্থা করা হয়েছে।
পরিস্থিতি আশঙ্কাজনক হয়ে উঠলে ফুড ইনচার্জ রাজ মলসন ও এগ্রিকালচার ইন্সপেক্টর সুব্রত দেববর্মা প্রতিবাদী কৃষকদের সঙ্গে বৈঠকে বসেন। দীর্ঘ আলোচনার পর উভয় পক্ষের মধ্যে সমঝোতা হয় এবং পুনরায় ধান কেনার কাজ শুরু হয়। তবে ভবিষ্যতেও যাতে বাজারে ধান আনার আগেই সমস্ত নিয়ম ও মানদণ্ড স্পষ্ট করে জানিয়ে দেওয়া হয়, সেই দাবি তুলেছেন স্থানীয় কৃষকরা।








