প্রগতি ত্রিপুরা,১৭ আগস্ট, ২০২৬: রাত পোহালেই পৌরাণিক নিয়ম ও ধর্মীয় তিথি মেনে অনুষ্ঠিত হতে যাচ্ছে নাগদেবী মনসার আরাধনা। সনাতন ধর্মালম্বীদের মতে, দেবী মনসার পূজার মধ্য দিয়েই মূলত সূচনা ঘটে বাঙালি হিন্দু সম্প্রদায়ের বার্ষিক উৎসবের মরশুমের। মনসা পূজার পরপরই পর্যায়ক্রমে গণেশ চতুর্থী, বিশ্বকর্মা পূজা, দুর্গাপূজা, লক্ষ্মীপূজা এবং দীপাবলির আনন্দে মেতে উঠবে রাজ্যবাসী। মঙ্গলবার ঘরে ঘরে শ্রদ্ধার সাথে পূজিত হবেন সর্পদেবী মনসা।
পূজাকে কেন্দ্র করে রাজধানী আগরতলার প্রধান বাজারগুলিতে মৃৎশিল্পীরা ছোট, মাঝারি ও বড় হরেক আকৃতির প্রতিমা নিয়ে হাজির হয়েছেন। ধলেশ্বর, বটতলা, মহারাজগঞ্জ বাজার সহ বিভিন্ন প্রান্তে দেবী প্রতিমা কেনার জন্য ক্রেতাদের লক্ষণীয় ভিড় চোখে পড়ছে। ক্রেতারা নিজেদের পছন্দ ও সাধ্য অনুযায়ী দেবী মূর্তি কিনে বাড়ি নিয়ে যাচ্ছেন। বিক্রেতাদের সাথে কথা বলে জানা গেছে, এ বছর প্রতিমার মূল্য বিগত বছরের তুলনায় খুব একটা বৃদ্ধি পায়নি, যা সাধারণ ক্রেতাদের জন্য স্বস্তির বিষয় হয়ে দাঁড়িয়েছে।
প্রতিমার দাম তুলনামূলক নিয়ন্ত্রণে থাকলেও প্রতিমা তৈরির কাঁচামালের মূল্যবৃদ্ধি নিয়ে উদ্বেগ প্রকাশ করেছেন মৃৎশিল্পীরা। মাটি, বাঁশ, খড়, রং এবং সাজসজ্জার সামগ্রীর দাম আকাশছোঁয়া হওয়ায় লাভের অঙ্ক নিয়ে সংশয়ে রয়েছেন প্রতিমা নির্মাতারা। তা সত্ত্বেও উৎসবের মুখে ভালো ব্যবসার আশা রাখছেন তারা। সব মিলিয়ে শেষ মুহূর্তে দেবীর আগমনী সুর ও কেনাকাটার ব্যস্ততায় সরগরম হয়ে উঠেছে গোটা আগরতলার বাজার।








