অখণ্ড ভারত দিবস উপলক্ষে আইজিএম হাসপাতালে শিশুদের মধ্যে ফল-মিষ্টি বিতরণ

অনলাইন ডেস্ক, ১৩ আগস্ট, ২০২৬: অখণ্ড ভারত দিবস উপলক্ষে বৃহস্পতিবার আগরতলার আইজিএম হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে ভর্তি শিশুদের মধ্যে ফল, মিষ্টি ও বিভিন্ন সামগ্রী বিতরণ করা হয়। অখণ্ড ভারতের চেতনা ও দেশপ্রেমের বার্তা নতুন প্রজন্মের মধ্যে ছড়িয়ে দেওয়ার লক্ষ্যেই এই কর্মসূচির আয়োজন করা হয়। কর্মসূচিতে বক্তব্য রাখতে গিয়ে আয়োজকদের পক্ষ থেকে বলা হয়, স্বাধীনতার পরও দেশের মানুষের মনে দেশভাগের যন্ত্রণা ও অখণ্ডতার আকাঙ্ক্ষা গভীরভাবে রয়ে গেছে।

সেই চেতনাকে জাগ্রত রাখতেই প্রতিবছর ১৪ আগস্ট অখণ্ড ভারত দিবস পালন করা হয়। এবারের কর্মসূচির অংশ হিসেবে ১৩ আগস্ট বিভিন্ন সামাজিক ও সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়েছে। আইজিএম হাসপাতালের শিশু ওয়ার্ডে আয়োজিত এই কর্মসূচিতে উপস্থিত ছিলেন হাসপাতালের মেডিকেল সুপারিনটেনডেন্ট ডা. নির্মল সরকার, মেডিকেল কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার ডা. বুলবুলা চাহা, রেডক্রস হাসপাতালের প্রিন্সিপাল ডা. ঋষিরাজ ছেত্রী, হোমিও কাউন্সিলের রেজিস্ট্রার ডা. প্রতীক চৌধুরী রায়, আইজিএম হাসপাতালের আরএমও ডা. রাজেশ নাথ, পেডিয়াট্রিক্স বিভাগের এইচওডি ডা. রাজেন্দ্র দেবনাথ, ডা. মাপিরাণী দে-সহ হাসপাতালের অন্যান্য চিকিৎসক, নার্স ও স্বাস্থ্যকর্মীরা।

আয়োজকদের বক্তব্য, দেশের ভবিষ্যৎ নাগরিক হিসেবে আজকের শিশুরাই আগামী দিনে দেশকে এগিয়ে নিয়ে যাবে। তাই শৈশব থেকেই তাদের মধ্যে দেশ, ইতিহাস ও জাতীয় ঐক্যের প্রতি সচেতনতা ও দায়বদ্ধতার বোধ তৈরি করা প্রয়োজন। অখণ্ড ভারতের ভাবনা ও দেশের ইতিহাস সম্পর্কে নতুন প্রজন্মকে সচেতন করার পাশাপাশি তাদের মধ্যে দেশপ্রেম ও ঐক্যের চেতনা জাগিয়ে তোলাই এই কর্মসূচির অন্যতম উদ্দেশ্য।
হাসপাতালে চিকিৎসাধীন শিশুদের পরিবারের সদস্যদেরও এই বার্তা নতুন প্রজন্মের কাছে পৌঁছে দেওয়ার আহ্বান জানানো হয়।

সামাজিক কর্মকাণ্ডের মাধ্যমে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের মধ্যে এই চেতনা আরও বিস্তৃত করার প্রত্যয় ব্যক্ত করেন উদ্যোক্তারা। আগামীকাল ভারত মাতা পুজন অনুষ্ঠিত হয়। এ পর্বে উপস্থিত আইজিএম হাসপাতালের এমএস ডা নির্মল সরকার, শিশু বিভাগের প্রধান ডা রজত দেববর্মা, সংগঠনের তরফে ডা ভোলানাথ সাহা, ডা প্রতীকস্বরুপ রায়, ডা সুখেন্দু নাথ, বাপি রানি দাস, ডা রাজেশ নাথ, সুশান্ত কুমার নাথ ( কনভেনার), প্রদীপ কুমার ঘোষ সহ অন্যান্যরা উপস্থিত ছিলেন।

Leave a Comment

জিডিএমও-দের নিয়োগপত্র প্রদান অনুষ্ঠান, চিকিৎসকদের নিয়মিত জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং নতুন চিকিৎসা পদ্ধতির সঙ্গে নিজেদের আপডেট রাখতে হবে : মুখ্যমন্ত্রী