রাস্তার বেহাল দশা, ভুক্তভোগী এলাকাবাসীরা ক্ষোভ উগড়ে দিলেন জন প্রতিনিধিদের উপর।

প্রগতি ত্রিপুরা, ৯ অগাস্ট, ২০২৬: দীর্ঘদিন ধরে সংস্কারের অভাবে চরম দুর্ভোগে দিন কাটাচ্ছেন সূর্যমনিনগর বিধানসভা কেন্দ্রের অধীনস্থ চৌমুহনী বাজার গ্রাম পঞ্চায়েতের হাতিলেটা রেল ব্রিজ সংলগ্ন এলাকার বাসিন্দারা। পঞ্চায়েত প্রধান থেকে শুরু করে স্থানীয় জনপ্রতিনিধি বারবার দরবার করেও কোনো সুরাহা না মেলায় অবশেষে রবিবার দুপুরে বিক্ষোভে ফেটে পড়লেন ভুক্তভোগী সাধারণ মানুষ। সংবাদমাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে তারা ক্ষোভ উগরে দেন পঞ্চায়েত কর্তৃপক্ষের বিরুদ্ধে।

স্থানীয় সূত্রের খবর, হাতিলেটা রেল ব্রিজের নিচের বিস্তীর্ণ এলাকা জুড়ে রাস্তাটির দশা মারাত্মকভাবে শোচনীয়। পুরো রাস্তা জুড়ে তৈরি হয়েছে ছোট-বড় অগুনতি খানাখন্দ। সামান্য বৃষ্টি হলেই জল জমে রাস্তাটি রূপ নেয় একটি মিনি পুকুরে। পথচারী থেকে শুরু করে যানবাহনের চালক— নিত্যদিন দুর্ঘটনাকে সঙ্গী করেই পারাপার করতে হচ্ছে সকলকে। বিশেষ করে স্কুল পড়ুয়া ও বয়স্কদের চলাচলে প্রতিনিয়ত চরম বিপজ্জনক পরিস্থিতির সৃষ্টি হচ্ছে।

স্থানীয় বাসিন্দাদের অভিযোগ, ভোট এলে জনপ্রতিনিধিরা প্রতিশ্রুতি ও উন্নয়নের বিশাল ঝুলি নিয়ে বাড়ি বাড়ি যান। কিন্তু জয়ী হয়ে পদে বসতেই তারা আর এলাকার দিকে ফিরেও তাকান না। এক ক্ষুব্ধ বাসিন্দার ভাষায়, “নির্বাচনের বৈতরণী পার হতেই সাধারণ মানুষের কথা নিমিষে ভুলে যান প্রতিনিধিরা। উন্নয়নের সব প্রতিশ্রুতি তখন হাওয়া হয়ে যায়। আমরা সমস্যার কথা পঞ্চায়েতকে একাধিকবার জানিয়েছি, কিন্তু কোনো সদোত্তর মেলেনি।”

দিনের পর দিন এমন দুর্বিষহ যাতায়াত ব্যবস্থার কারণে অতিষ্ঠ হয়ে পড়া এলাকাবাসীরা রবিবার একজোট হয়ে প্রশাসনের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন। তাদের স্পষ্ট দাবি, অবিলম্বে এই নিকাশি ব্যবস্থার উন্নতি ঘটিয়ে রাস্তাটিকে চলাচলের উপযোগী করে গড়ে তুলতে হবে। অন্যথায় আগামী দিনে আরও বৃহত্তর আন্দোলনের হুঁশিয়ারি দিয়েছেন ক্ষুব্ধ গ্রামবাসীরা।

Leave a Comment

জিডিএমও-দের নিয়োগপত্র প্রদান অনুষ্ঠান, চিকিৎসকদের নিয়মিত জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং নতুন চিকিৎসা পদ্ধতির সঙ্গে নিজেদের আপডেট রাখতে হবে : মুখ্যমন্ত্রী