প্রগতি ত্রিপুরা, ৮ আগস্ট, ২০২৬: ধর্মনগর থেকে আগরতলা এবং আগরতলা থেকে ধর্মনগরে যতগুলো ট্রেন চলাচল করে সমস্ত ট্রেনগুলো ধর্মনগর স্টেশনের এক নম্বর প্লাটফর্মে দাঁড়ানো এবং যতগুলো দূরপাল্লার ট্রেন আগরতলা থেকে বহির রাজ্যে চলাচল করে সমস্ত ট্রেন ধর্মনগরের স্টেশনে দাঁড়ানোর ক্ষেত্রে সময়সীমা দুই মিনিট থেকে চার মিনিট করতে আজ ধর্মনগরে রেল দপ্তরের ধর্মনগর স্টেশন সুপারের নিকট ডেপুটেশন প্রদান করলেন বিধায়ক জহর চক্রবর্তী।রেলযাত্রীদের যাতায়াতের নানা দুর্ভোগ দূরীকরণ এবং নিরাপত্তা সুনিশ্চিত করার দাবিতে শনিবার ধর্মনগর রেল স্টেশন সুপারিনটেন্ডেন্টের হাতে দুই দফা সম্বলিত এক স্মারকলিপি তুলে দিলেন স্থানীয় জনপ্রতিনিধি ও দলীয় নেতৃত্ব।
এদিন স্মারকলিপি প্রদান শেষে সাংবাদিকদের মুখোমুখি হয়ে বিধায়ক জানান, সাধারণ যাত্রীদের সুবিধার কথা বিবেচনা করে মূল দুটি দাবি রেল কর্তৃপক্ষের কাছে পেশ করা হয়েছে: ১। ধর্মনগর থেকে ধর্মনগর-আগরতলাগামী সকালের লোকাল ট্রেনটি বর্তমানে ২ নম্বর প্ল্যাটফর্ম থেকে ছাড়ে। প্রবীণ নাগরিক, শিশু ও অসুস্থ রোগীদের পক্ষে ফুট ওভারব্রিজের উঁচু সিড়ি বেয়ে ২ নম্বর প্ল্যাটফর্মে যাওয়া অত্যন্ত কষ্টকর। তাই সকালের এই ট্রেনটির যাত্রা এবং রাতের আগমন যেন ১ নম্বর প্ল্যাটফর্মেই সুনিশ্চিত করা হয়।
২. দূরপাল্লার ট্রেনের যাত্রাবিরতির সময় বৃদ্ধি: আগরতলা থেকে ছেড়ে আসা বিভিন্ন দূরপাল্লার ট্রেনের ধর্মনগর স্টেশনে বর্তমানে যাত্রাবিরতি (স্টপেজ) মাত্র ২ মিনিট। আমবাসার পর থেকে কাঞ্চনপুর, জম্পুই, দাসদা, কাইলাশহরসহ সুবিশাল উত্তর ত্রিপুরা অঞ্চলের যাত্রীরা এই স্টেশন থেকেই যাতায়াত করেন। ফলে মাত্র ২ মিনিটের স্বল্প সময়ে ভিড়ের মধ্যে ওঠানামা করতে গিয়ে বড় ধরনের দুর্ঘটনার আশঙ্কা থাকে এবং সম্প্রতি কিছু অনাকাঙ্ক্ষিত অঘটনও ঘটেছে। তাই যাত্রীদের নিরাপত্তার স্বার্থে দূরপাল্লার ট্রেনগুলির যাত্রাবিরতির সময় বাড়িয়ে ন্যূনতম ৪ মিনিট করার জোরালো দাবি জানানো হয়েছে।
এদিনের এই ডেপুটেশনে উপস্থিত ছিলেন স্থানীয় কাউন্সিলার, বুথ সভাপতিসহ সংগঠনের বহু বিশিষ্ট নেতৃত্ব ও সদস্যবর্গ। স্টেশন সুপারিনটেন্ডেন্ট আশ্বাস দিয়েছেন যে স্মারকলিপিটি যথাযথ কর্তৃপক্ষের কাছে দ্রুত পাঠিয়ে প্রয়োজনীয় পদক্ষেপ নেওয়ার উদ্যোগ নেওয়া হবে।








