প্রগতি ত্রিপুরা, ০৯ মে, ২০২৬: তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্ম জয়ন্তী অনুষ্ঠান হয় আগরতলা রবীন্দ্র কাননে। এদিন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের মূর্তিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করলেন মন্ত্রী সান্তনা চাকমা। মন্ত্রী সান্তনা চাকমা বলেন কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুর এমন একজন ব্যক্তিত্ব যে দেশপ্রেম, সংস্কৃতি থেকে শুরু করে সব ক্ষেত্রেই মানুষের মনে আজ বেঁচে আছেন।
কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরকে ভুললে আমাদের চলবে না। আয়োজিত অনুষ্ঠানে মন্ত্রী সান্তনা চাকমা ছাড়াও উপস্থিত ছিলেন তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা বিম্বিসার ভট্টাচার্য সহ অন্যান্যরা। পাশাপাশি এই দিন খুঁদে শিশুর বিভিন্ন সাংস্কৃতিক অনুষ্ঠান হয়। এদিকে সাপ্তাহিক সাংস্কৃতিক হার্টের উদ্যোগে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের জন্মদিন ১৬৫ তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে মনে হয় প্রভাতফেরী আয়োজন করা হয়।
এদিন উমাকান্ত স্কুল প্রাঙ্গণের সামনে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের প্রতিকৃতিতে মাল্যদান করে এক প্রভাতফেরী শুরু হয়। রাজধানীর বিভিন্ন পথ ঘুরে উজ্জয়ন্ত প্যালেসের সামনে গিয়ে এই প্রভাতফেরী শেষ হয়। এদিকে কবিগুরু রবীন্দ্রনাথ ঠাকুরের ১৬৫তম জন্মজয়ন্তী উপলক্ষে মুকুট অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হল এক বর্ণাঢ্য ও আবেগঘন অনুষ্ঠান। যেখানে সাহিত্য, সংস্কৃতি আর রবীন্দ্র চেতনার অপূর্ব মেলবন্ধনে মুখর হয়ে উঠে গোটা প্রাঙ্গণ।
সাংস্কৃতিক আবহে প্রদীপ প্রজ্জ্বলনের মধ্য দিয়ে অনুষ্ঠানের শুভ সূচনা হয়। এরপর বিশ্বকবির প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ্য অর্পণ করে গভীর শ্রদ্ধা জানান উপস্থিত অতিথিবৃন্দ। শান্তিরবাজার তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর, শান্তিরবাজার পুর পরিষদ এবং শান্তিরবাজার মহকুমা সাহিত্য পরিষদের যৌথ উদ্যোগে আয়োজিত এই অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন শান্তিরবাজার বিধানসভার বিধায়ক প্রমোদ রিয়াং সহ অন্যান্যরা।







