প্রগতি ত্রিপুরা, ২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬: কাঞ্চনমালা ১ নং ওয়ার্ডের বগারচতল এলাকায় উন্নয়নের ঝলাক,বাশেঁর মাচা একমাত্র ভরসা মানুষের। বর্তমান সরকার রাজ্যের সার্বিক উন্নয়নের স্বার্থে কাজ করছে কিন্তু ১৭ গোলাঘাটি বিধানসভা এলাকা সার্বিক ভাবে উন্নয়নের ছুয়া লাগেনি। সার্বিক উন্নয়ন বলতে সমস্ত দিক থেকে উন্নয়ন হওয়া প্রয়োজন। সরকারের একাংশ প্রতিনিধিরা মাইক্রোফোন হাতে নিয়ে অনেকসময় বলতে শোনা যায় ত্রিপুরাকে নাকি মডেল রাজ্য হিসাবে গড়ে তোলা হবে। রাজ্যের গ্রামীণ অঞ্চলে রাস্তাঘাট থেকে শুরু করে পাকা কালভার্ট নির্মাণ না হলে মডেল রাজ্য গড়া কিভাবে সম্ভব হবে! তবে রাজ্যের অন্যান্য জায়গার তুলনায় গোলাঘাটি বিধানসভা এলাকা উন্নয়নের কাছে ধারেও নেই বলে অভিমত অনেকের।
গোলাঘাটি বিধানসভা এলাকার বিভিন্ন জায়গায় এখনো রাস্তার বেহাল দশা, কোথাও কোথাও পাকা কালভার্ট এর পরিবর্তে রয়েছে বাশেঁর শাকু কিংবা বাশেঁর মাচা। এই পরিস্থিতির মধ্য দিয়েই সাধারণ মানুষ জীবনযাপন করতে হচ্ছে। বাববার মানুষ এই সমস্যাগুলি সমাধান করার দাবি জানালেও তাদের এই দাবি গিয়ে পৌছাচ্ছেনা সচিবালয় পর্যন্ত যার ফলে দীর্ঘদিন ধরে মানুষ এইসব সমস্যার সম্মুখীন হতে হচ্ছে। এই বিধানসভার কাঞ্চনমালা এলাকার এমন একাধিক রাস্তাঘাট দীর্ঘদিন ধরে বেহাল হয়ে আছে, কোথাও পাকা কালভার্ট এর পরিবর্তে বাশেঁর মাচা দিয়ে মানুষ নিত্যদিন যাতায়াত করছে।
কাঞ্চনমালা ১ নং ওয়ার্ডের বগারচতল এলাকায় ঠিক এমনই একটি বাশেঁর মাচা রয়েছে। যার উপর দিয়ে যাতায়াতের সময় একাধিকবার দুর্ঘটনার শিকার হতে হয়েছে। এইসব সমস্যাগুলোর কথা একাধিকবার জানালেও কাজে কিছুই হচ্ছেনা। একমাত্র নির্বাচন আসলেই সবাই উন্নয়নের এমন প্রতিশ্রুতি দিয়ে থাকেন যা শুনে সাধারণ মানুষ মুগ্ধ হয়ে ভোটের মাধ্যমে নির্বাচিত করে আর ভোট বৈতরণী পার হতেই সবাই সব প্রতিশ্রুতির কথা ভুলে যান যার ফলে আজ এলাকার এই অবস্থা কিন্তু এখন আর তাদের দু:খ শুনতে কাউকেই আসতে দেখা যায়না। সোমবার কাঞ্চনমালা ১ নং ওয়ার্ডের বগারচতল এলাকার মানুষ সরকারের কাছে দাবি জানিয়েছেন তাদের পাড়ায় বাশেঁর মাচা পরিবর্তন করে যেন পাকা কালভার্ট নির্মাণ করার ব্যাবস্থা করে।







