অনলাইন ডেস্ক, ৪ জানুয়ারী ২০২৬: রবিবার বড়মুড়ায় ভারতীয় জনতা পার্টির উদ্যোগে মেগা যোগদান সভার আয়োজন করা হয়। এই সভা থেকে ১৮১ পরিবারের ৪৯৫ জন ভোটারকে ভারতীয় জনতা পার্টিতে স্বাগত জানান মুখ্যমন্ত্রী।এদিন যোগদান সভায় উপস্থিত ছিলেন ভারতীয় জনতা পার্টির প্রদেশ সভাপতি তথা সাংসদ রাজীব ভট্টাচার্য, প্রদেশ সাধারণ সম্পাদক বিপিন দেববর্মা, জনজাতি কল্যাণ মন্ত্রী বিকাশ দেববর্মা, বিধানসভার মুখ্য সচেতক কল্যানী সাহা রায়, বিধায়ক পিনাকী দাস চৌধুরী, এডিসি সদস্য সঞ্জীব রিয়াং, টাকারজলা মন্ডলের সভাপতি, সদর গ্রামীণ জেলার সভাপতি গৌরাঙ্গ ভৌমিক, মান্দাই মন্ডলের সভাপতি অভিজিত দেববর্মা সহ বিভিন্ন স্তরের জনজাতি নেতৃত্ব। সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর ডাঃ মানিক সাহা বলেন প্রতারণার মাধ্যমে রাজনীতি করা যায় না।
মানুষ বুঝতে পেরেছে যে রাজ্যের প্রকৃত উন্নয়ন শুধুমাত্র ভারতীয় জনতা পার্টি করতে পারে। জনজাতিদের উন্নয়নে যা যা করার দরকার সেটা করবে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার। মুখ্যমন্ত্রী আরো বলেন, চালাকি দিয়ে মহৎ কাজ করা যায় না। ভারতীয় জনতা পার্টি শুধু ত্রিপুরা বা ভারতবর্ষে নয়, সারা বিশ্বের মধ্যে একটা শক্তিশালী পার্টি। এখনো সময় আছে আপনারা এভাবে করে কোমলমতি জনজাতি ভাইবোনদের উন্নয়নে বাঁধা সৃষ্টি করবেন না।
ভারতীয় জনতা পার্টি জনজাতি অংশের মানুষের উন্নয়নে যা যা দাবি রয়েছে সেগুলি বাস্তবায়ন করছে। আমাদের মাধ্যমে জনজাতিদের সমস্যাগুলি সমাধান করা হবে। জনজাতিদের উন্নয়নে যা যা করার দরকার সেটা করবে বিজেপি নেতৃত্বাধীন সরকার। আমরা দেখতে পাচ্ছি এখন জনজাতি অংশের মহিলারা ভারতীয় জনতা পার্টির প্রতি আকৃষ্ট হচ্ছেন। প্রধানমন্ত্রীর উপর আস্থা, বিশ্বাস এসেছে তাদের।
রাজ্যে এখন একের পর এক ন্যাশনাল হাইওয়ে (জাতীয় মহাসড়ক) হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী আসার পর আমাদের হিরা মডেল দিয়েছেন। এরফলে জাতীয় সড়ক, ইন্টারনেট, রেলওয়ে, এয়ারওয়ের প্রভূত উন্নতি হয়েছে রাজ্যে। উন্নয়নের জন্য আমাদের যা যা প্রয়োজন সেটা প্রধানমন্ত্রী দিচ্ছেন। মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ভারতীয় জনতা পার্টি সার্বিক উন্নয়নের লক্ষ্যে কাজ করছে। উত্তর পূর্বাঞ্চলে জিএসডিপি এবং মাথাপিছু আয়ের দিক থেকে ত্রিপুরা দ্বিতীয় সর্বোচ্চ স্থানে রয়েছে। আমরা প্রতিটি সেক্টরে অনেক পুরস্কার অর্জন করেছি।
আমরা নতুন ত্রিপুরা গড়ে তোলার লক্ষ্যে কাজ করছি। মুখ্যমন্ত্রী আশা প্রকাশ করেন যে আগামী দিনে বিজেপি এডিসি-তে সরকার গঠন করবে এবং একইভাবে ২০২৮ সালে বিজেপি সরকার গঠন করবে – এতে কোন সন্দেহ নেই। মুখ্যমন্ত্রী পূর্বতন শাসনামলে রাজ্য জুড়ে ব্যাপক সহিংসতা চালানোর জন্য সিপিএম-এর নিন্দা করেন। তিনি বলেন, সিপিএমের সময়ে এটিটিএফ এবং এনএলএফটি জন্মগ্রহণ করেছিল। জাতি ও জনজাতির অনেক লোককে হত্যা করা হয়েছিল। উত্তর পূর্বের অবস্থা ছিল করুণ। তবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির কারণে এখন শান্তি বিরাজ করছে।








