অনলাইন ডেস্ক, ১৪ জুন, ২০২৬: ত্রিপুরা শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতালের গার্লস হোস্টেলের কেয়ারটেকার মনীষা দাসের অকাল মৃত্যুর ঘটনায় গভীর শোকের ছায়া নেমে এসেছে সমগ্র প্রতিষ্ঠানজুড়ে। তাঁর আকস্মিক প্রয়াণে সহকর্মী, ছাত্রছাত্রী ও পরিচিত মহলে নেমে এসেছে গভীর বিষাদের আবহ। পুলিশ তদন্ত শুরু করেছে।
কলেজের পক্ষ থেকেও পুলিশি তদন্তে যাবতীয় সহযোগিতা করা হবে বলে আশ্বাস দিয়েছেন কলেজের অধ্যক্ষ অধ্যাপক ডাঃ রঞ্জিত কুমার দাস। গত বুধবার রাতে ত্রিপুরা শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজে নিজের ঘরে আত্মহত্যা করেন মণীষা দেবী। পুলিশ ইতিমধ্যেই তদন্ত শুরু করেছে। তদন্তের স্বার্থে মেডিকেল কলেজ থেকে প্রয়োজনীয় যাবতীয় জিনিস সংগ্রহ করেছেন।
মৃত্যুর পিছনের প্রকৃত কারণ খতিয়ে দেখা হচ্ছে। ঘটনার আগে এক সহকর্মীর সঙ্গে তাঁর কথোপকথন ও মেসেজ আদান-প্রদানের কিছু স্ক্রিনশট ইতিমধ্যেই সামনে এসেছে, যেখানে তাঁর মানসিক অবসাদ ও হতাশার ইঙ্গিত পাওয়া যায় বলে সংশ্লিষ্ট সূত্রের দাবি। তবে তদন্ত শেষ না হওয়া পর্যন্ত এই বিষয়গুলিকে সম্ভাব্য প্রেক্ষাপট হিসেবেই দেখা হচ্ছে।
ত্রিপুরা শান্তিনিকেতন মেডিকেল কলেজ ও হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ তাঁর অকাল প্রয়াণে গভীর শোক প্রকাশ করেছে। মেডিকেল কলেজের প্রিন্সিপাল অধ্যাপক ডাঃ রঞ্জিত কুমার দাস বলেন, “মনীষা দাস-এর অস্বাভাবিক মৃত্যুর ঘটনায় আমরা সকলেই মর্মাহত। শোকসন্তপ্ত পরিবারের সকল সদস্য এবং শুভানুধ্যায়ীদের প্রতি আমরা আন্তরিক সমবেদনা এবং শোক জ্ঞাপন করছি।
আমরা আমাদের সকল স্টাফদের সমস্ত ধরনের সহযোগিতা করে থাকি। মনীষার মৃত্যুর তদন্তে আমরা তদন্তকারী টিমকে পূর্ণ সহযোগিতা করব।” তিনি আরও বলেন, “আমরা বিশ্বাস করি, স্বচ্ছ ও নিরপেক্ষ তদন্তের মাধ্যমে সত্য সামনে আসবে এবং ন্যায়বিচার প্রতিষ্ঠিত হবে।”







