অনলাইন ডেস্ক, ২৫ ডিসেম্বর, ২০২৫: বৃহস্পতিবার প্রতিবছরের মত এ বছরও শুরু হওয়া এই প্রান্তিক উৎসব চলবে ৩০ ডিসেম্বর পর্যন্ত। সকালে প্রদীপ প্রজ্জলন করে প্রান্তিক উৎসবের সুচনা করেন সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব। অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন বিজেপি-এর বনমালীপুর মণ্ডল কমিটির সভাপতি অরিন্দম চৌধুরী, প্রান্তিক উৎসব কমিটির চেয়ারম্যান ডাঃ প্রদীপ ভৌমিক, প্রান্তিক ক্লাবের সভাপতি দিলীপ কুমার নাথ, সম্পাদক দিব্যেন্দু দত্তসহ অন্যান্যরা। অনুষ্ঠানে বক্তব্য রাখতে গিয়ে সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব পূর্বতন সরকারের তীব্র সমালোচনা করেন।
তিনি বলেন, কমিউনিস্টরা ত্রিপুরা রাজ্যে ৩৫ বছর শাসন ক্ষমতায় ছিল। যার কারনে রাজ্যের সংস্কৃতির ভিতকে দুর্বল করা হয়েছে। সমগ্র বিশ্বের মধ্যে ভারতের সংস্কৃতি সবচেয়ে বেশি প্রসিদ্ধ। সেটাই ভারতীয়দের শক্তির মূল উৎস। আর সেটার মধ্যে তথাকথিত সেকুলার কমিউনিস্টরা সবচেয়ে বেশি আঘাত করেছে। বিজেপি সরকার প্রতিষ্ঠার পর মাতা ত্রিপুরা সুন্দরী মন্দিরকে নতুন ভাবে সাজিয়ে তোলা হয়েছে। এতে ত্রিপুরা রাজ্যের মানুষের লাভ হয়েছে। আধ্যাত্মিক পর্যটন সবচেয়ে বেশি রোজগার দিতে পারে বলে জানান সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব।
উদয়পুর মাতার বাড়ি থেকে ছবিমুড়া পর্যন্ত রোফ ওয়ে নির্মাণ করা হবে। পর্যটকরা মাতার বাড়ি দেখার পর রোফ ওয়ে করে ছবিমুড়া চলে যেতে পারবে। এতে মানুষের রোজগার বৃদ্ধি পাবে। সব গুলি রোফ ওয়ের কাজ করতে ৫০০ থেকে ৬০০ কোটি টাকা লাগবে। এই টাকার জন্য কেন্দ্রীয় মন্ত্রী নীতিন গড়করির নিকট দাবি জানানো হয়েছে।
সম্পূর্ণ কাজ সম্পন্ন হওয়ার পর ত্রিপুরা মানুষ দেখবে কি ভাবে রোজগার হয়। এই ধরনের দূরদর্শী মানসিকতা কমিউনিস্টদের মধ্যে ছিল না। তারা ত্রিপুরা রাজ্যকে দীর্ঘ দিন শাসন করেছে। কিন্তু ত্রিপুরাকে চিহ্নতে পারে নি। তারা সর্বদা মিছিল মিটিং নিয়ে চিন্তা করত বলে জানান সাংসদ বিপ্লব কুমার দেব। এবারের প্রান্তিক উৎসবে বয়সভিত্তিক বিভিন্ন বিভাগে বসে আঁকো, নাচ, গান ও আবৃত্তি সহ বিভিন্ন সাংস্কৃতিক প্রতিযোগিতার আয়োজন করা হয়েছে বলে আয়োজক কমিটির পক্ষ থেকে জানানো হয়েছে।








