বিহার নির্বাচনের সময় নগদ অর্থের অপব্যবহার, মাদক, মদ এবং অন্যান্য প্ররোচনার চলাচল রোধে আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রধানদের সঙ্গে ভারতের নির্বাচন কমিশনের বৈঠক

অনলাইন ডেস্ক,১৭ অক্টোবর, ২০২৫: আজ নতুন দিল্লির নির্বাচন সদনে ভারতের নির্বাচন কমিশন (ECI) বহু-বিভাগীয় নির্বাচন গোয়েন্দা কমিটি (MDCEI)-এর একটি বৈঠক আয়োজন করে। প্রধান নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার, নির্বাচন কমিশনার ড. সুখবীর সিং সাঁধু এবং ড. বিবেক জোশিকে সাথে নিয়ে আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলিকে নির্বাচনের সময় প্রো-অ্যাকটিভ এবং প্রতিরোধমূলক পদক্ষেপ নেওয়ার ক্ষেত্রে তাদের ভূমিকা সম্পর্কে সচেতন করেন।

এই বৈঠকটি নগদ অর্থের অপব্যবহার এবং অন্যান্য প্ররোচনার ক্ষতিকর প্রভাব রোধ করার জন্য একটি বিস্তৃত কর্মপরিকল্পনা প্রস্তুত করার উদ্দেশ্যে অনুষ্ঠিত হয়। সিবিডিটি, সিবি আই সি, ই ডিডি আর আইসিই আই বি এফ আই উ আই.এন ডি আর বি আই আই বি এ. এন সি বি.আর পি এ, সি আই এস এফ, বিএসএফ, এসএস বি. বি সি এ এস. এ এ আই এবং ডাক দপ্তরসহ অন্যান্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থার প্রধানরা বৈঠকে অংশ নেন। সি এস,ডি জি পি, রাজ্য পুলিশ নোডাল অফিসার (SPNO) এবং বিহারের মুখ্য নির্বাচন অধিকারিক অনলাইনে বৈঠকে যোগদান করেন।

বিভিন্ন সংস্থা কমিশনকে তাদের প্রস্তুতি, নেওয়া পদক্ষেপ এবং প্রস্তাবিত পদক্ষেপসমূহ সম্পর্কে ব্রিফিং দিয়েছে যাতে প্ররোচনা-মুক্ত নির্বাচন নিশ্চিত করা যায়। এই ব্রিফিংগুলো নির্বাচনে অর্থ এবং অন্যান্য প্ররোচনার ব্যবহার সীমিত করার সম্পর্কিত বিভিন্ন বিস্তারিত তথ্য দেওয়া হয়।
কমিশন নির্দেশ দেয় যে, কার্যকর পদক্ষেপ নেওয়ার জন্য অর্থনৈতিক অপরাধ সম্পর্কিত গোয়েন্দা তথ্য আইন প্রয়োগকারী সংস্থাগুলির মধ্যে ভাগাভাগি ও সহযোগিতা করতে হবে।

কমিশন জাতীয়, রাজ্য ও জেলা স্তরে প্রতিটি সংস্থার অভ্যন্তরীণ সমন্বয় নিশ্চিত করার ওপর জোর দেয়। কমিশন আরও নির্দেশ দিয়েছে যে সংশ্লিষ্ট সংস্থাগুলোকে নির্বাচনী এলাকার মানচিত্র তৈরি করতে হবে যাতে চোরাচালিত পণ্য, নাশকদ্রব্য, মদ্যপান এবং নগদ অর্থসহ জাল টাকা, আন্তঃরাজ্য সীমান্ত ও আন্তর্জাতিক সীমান্তের পরিবহন পর্যবেক্ষণ করা যায়। কমিশন বিহারে মুক্ত ও সুষ্ঠু নির্বাচনের জন্য ‘জিরো-টলারেন্স’ নীতি নিশ্চিত করার নির্দেশ দেয়। রাজ্য নির্বাচন দপ্তর থেকে এ সংবাদ জানানো হয়েছে।

Leave a Comment