বারবার ভাঙছে ড্রেন, নিম্নমানের কাজের অভিযোগ

প্রগতি ত্রিপুরা, ২২ সেপ্টেম্বর, ২০২৫।বারবার ভাঙছে ড্রেন, বিধায়কের খবর নেই অতি নিম্নমানের কাজের অভিযোগ!!ঘটনা কমলাসাগর মধুপুর এলাকায়। শুধু নিম্নমানের নয়, অতি নিম্নমানের কাজ। যার পরিপ্রেক্ষিতে পর পর দুই দুইবার রাস্তার পাশে ড্রেনের ওয়াল ভেঙ্গে পড়ল। ক্ষুব্ধ জনগণ প্রথমবার ভাঙ্গার পর মেনে নিতে পারলেও দ্বিতীয়বার ভাঙ্গার পর আর মেনে নিতে পারেনি।

একপ্রকার ক্ষুব্ধ হয়ে সোমবার সকাল বেলা পথচলিত জনগণ এবং ক্ষুব্ধ বাজার ব্যবসায়ীরা ড্রেনের কাজ পুরোপুরি বন্ধ করে দিল। তাদের অভিযোগ যদি ভালোভাবে উন্নত পর্যায়ে কাজ করতে পারে তাহলে কাজ করার জন্য।নতুবা সে ড্রেনের কাজ আর করতে পারবে না।

ঘটনা কমলাসাগর বিধানসভার মধুপুর হাসপাতাল চৌমুহনী থেকে মধুপুর স্কুল চৌমুহনী বিধায়িকার রাস্তার বাড়ির পাশে। ঘটনার বিবরনে জানা যায় রাস্তারমাথা থেকে কমলাসাগর কসবা মন্দির পর্যন্ত সাড়ে বারো কিলোমিটার রাস্তা প্রায় ৩৩ কোটি টাকার অধিক বরাদ্দ হয়ে আসে।

যতটুকু খবর পূর্বে যতটুকু রাস্তা ছিল তা থেকে দুই পাশেই বাড়ানো হবে এবং রাস্তার পাশে উন্নত মানের ড্রেনের ব্যবস্থা করা হবে যাতে করে রাস্তার মধ্যে জল আটকাতে না পারে। তার পাশাপাশি প্রত্যেকটি বাজার আরো বাড়ানো হবে এবং কমলাসাগর বটগাছ থেকে মন্দির পর্যন্ত দুই লেনের কাজ করা হবে।

তার পাশাপাশি সম্পূর্ণ রাস্তার মধ্যে লাইটের ব্যবস্থা করা হবে। যাই হোক কোন কিছুই হয়নি। নামে মাত্র রাস্তার কাজ হয়েছে। এলাকার জনগনের অভিযোগ মুখ খুলতে সাহস না পেলেও সকল অংশের জনগণ চরম ক্ষুব্ধ রাস্তার কাজ নিয়ে। বর্তমানে প্রায় শেষের পথে রাস্তার কাজ।

এখন চলছে রাস্তার পাশে ড্রেনের কাজ। মধুপুর হাসপাতাল চৌমুহনী থেকে বিধায়িকার বাড়ির পাশে মধুপুর স্কুল চৌমুহনী পর্যন্ত যে রাস্তার ড্রেনের কাজ করা হচ্ছে তা অতি নিম্নমানের। গত এক সপ্তাহ পূর্বে ড্রেনের ওয়াল দেওয়া হয়েছিল কিন্তু সামান্য বৃষ্টি হওয়াতে সেই ড্রেনের ওয়াল পুরোপুরি ভেঙ্গে পড়ে।

পরবর্তী সময়ে এলাকার জনগণ জানতে চাইলে দায়িত্বে থাকা সাইড ম্যানেজার জানিয়ে দিয়েছে উন্নত মানের করা হবে। কিন্তু গত চার দিন পূর্বে সেই কাজটি পুনরায় করা হয়। আর গতকালকের সামান্য ছিটা ফোটা বৃষ্টিতেই সম্পূর্ণ ড্রেনের ওয়াল ভেঙ্গে পড়ে।

পরবর্তী সময়ে এলাকার জনগণ এবং বাজার ব্যবসায়ীরা ক্ষুব্ধ হয়ে সেই জায়গায় এসে রাস্তার কাজ পুরোপুরি বন্ধ করে দেয়। এদিকে অভিযোগ ঠিকেদার দেবাশীষ দাস যে কাজটি করাচ্ছে সম্পূর্ণ রাস্তাটির পুরোপুরি নিম্নমানের হচ্ছে। এদিকে বিধায়িকার বাড়ির সামনে পরপর রাস্তার ড্রেনের ওয়াল দুইবার ভেঙ্গে পড়াতে জনগণের মধ্যে বিভিন্ন প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে।

কারণ বিধায়িকার বাড়ির সামনেই যদি রাস্তার কাজ এরূপ করা হয়ে থাকে তাহলে সম্পূর্ণ রাস্তার কাজ কেমন করা হবে। তা কিন্তু এখন হাজার টাকার প্রশ্ন। তবে এলাকার জনগণ কিংবা ব্যবসায়ীরা সাফ জানিয়ে দিয়েছে উন্নত মানের কাজ না করতে পারলে কাজ বন্ধ রাখার জন্য নতুবা বৃহত্তর আন্দোলনে নামবে।

Leave a Comment