অনলাইন ডেস্ক, ০৫ জুলাই, ২০২৫: প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তর শুধুমাত্র প্রাণী পালনের উপরই গুরুত্ব দিচ্ছে না, প্রাণী পালনের মাধ্যমে গ্রামীণ মানুষের আর্থিক উন্নয়নের লক্ষ্যে প্রাণী স্বাস্থ্য ও এক্ষেত্রে পরিকাঠামো উন্নয়নের জোর দিচ্ছে। প্রাণী রোগ মোকাবিলায় পশু চিকিৎসালয় নির্মাণ ও প্রাণীর স্বাস্থ্য পরিষেবা প্রদানের জন্যও উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
গতকাল ছামনুতে প্রাণী চিকিৎসা কেন্দ্রের নব নির্মিত ভবনের উদ্বোধনের পর প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তরের মন্ত্রী সুধাংশু দাস একথা বলেন। তিনি বলেন, প্রতিটি ব্লকে প্রয়োজনীয় প্রাণী চিকিৎসার সুযোগ করে দিতে ২০২৫-২৬ অর্থ বছরে ৫৫টি ভেটারিনারি মোবাইল ভ্যান চালু করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে। এই মোবাইল ভ্যানগুলি চালু হয়ে গেলে চব্বিশ ঘন্টা জরুরি ভিত্তিতে প্রাণী পালকদের প্রাণী চিকিৎসার পরিষেবা দেওয়া যাবে।
প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তরের মন্ত্রী আরো বলেন, রাজ্যে চাহিদার তুলনায় দুধের উৎপাদন কম। তাই মুখ্যমন্ত্রী উন্নত গোধন প্রকল্পের আওতায় কৃত্রিম প্রজননের মাধ্যমে বেশি পরিমাণে স্ত্রী বাছুর উৎপাদান করে দুধ উৎপাদন বৃদ্ধির উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। এই পদ্ধতিতে এখন পর্যন্ত ৯০ শতাংশ সাফল্য পাওয়া গেছে।
ছামনু এলাকার প্রাণী পালকদের প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তরের বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা গ্রহণ করতে প্রাণী সম্পদ বিকাশ আহ্বন জানিয়েছেন। অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথি হিসেবে বক্তব্য রাখতে গিয়ে বিধায়ক শম্ভুলাল চাকমা ছামনু এলাকার মানুষদের স্থায়ী ও পরিবেশ বান্ধব জীবিকার্জনের সুযোগ করে দিতে প্রাণী চিকিৎসা কেন্দ্র নির্মাণ সহ বিভিন্ন উদ্যোগ নেওয়ায় প্রাণীসম্পদ বিকাশ মন্ত্রীকে অভিনন্দন জানান।
অন্যান্য বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন ধলাই জিলা পরিষদের সভাধিপতি সুস্মিতা দাস, সহ-সভাধিপতি অনাদি সরকার, প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তরের সচিব দীপা ডি নায়ার, লংতারিভ্যালি মহকুমার মহকুমা শাসক সুব্রত দাস। অনুষ্ঠানে স্বাগত ভাষণ দেন প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তরের অতিরিক্ত অধিকর্তা ডা. বি কে দাস এবং অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশিষ্ট সমাজসেবী বিপ্লব চাকমা। উল্লেখ্য, নবনির্মিত ভবন নির্মাণে ব্যয় হয়েছে ৬৭, ১৮,৫৭৪ টাকা।








