ভালো ঘুমের জন্য শোবার ঘরে আনুন ৫টি সহজ পরিবর্তন, বলছে বিশেষজ্ঞরা

লাইফস্টাইল ডেস্ক: , ২৭ জুলাই, ২০২৬ : পর্যাপ্ত ও গভীর ঘুম সুস্থ জীবনের অন্যতম প্রধান শর্ত। কিন্তু অনেকেই রাতে সহজে ঘুমোতে পারেন না বা বারবার ঘুম ভেঙে যায়। বিশেষজ্ঞদের মতে, শুধু জীবনযাত্রা নয়, শোবার ঘরের পরিবেশেও কিছু ছোট পরিবর্তন আনলে ঘুমের মান উল্লেখযোগ্যভাবে উন্নত হতে পারে।

১. ঘরের তাপমাত্রা রাখুন আরামদায়ক

ঘুমানোর সময় ঘর অতিরিক্ত গরম বা ঠান্ডা হওয়া উচিত নয়। প্রাকৃতিকভাবে বাতাস চলাচল করতে পারে এমন পরিবেশ শরীরকে ঘুমের জন্য প্রস্তুত হতে সাহায্য করে। আরামদায়ক তাপমাত্রা গভীর ও নিরবচ্ছিন্ন ঘুমে সহায়ক।

২. রাতে কম আলো, সকালে প্রাকৃতিক আলো

রাতে শোবার ঘরে উজ্জ্বল আলো এড়িয়ে চলার পরামর্শ দেন বিশেষজ্ঞরা। অন্ধকার পরিবেশ শরীরে ঘুমের হরমোন নিঃসরণে সহায়তা করে। অন্যদিকে, সকালে জানালা খুলে প্রাকৃতিক সূর্যালোক ঘরে প্রবেশ করতে দিলে শরীরের জৈবঘড়ি স্বাভাবিক থাকে এবং সারাদিন সতেজ অনুভূত হয়।

৩. উপযুক্ত কম্বল ব্যবহার করুন

গবেষণায় দেখা গেছে, সামান্য ভারী কম্বল অনেকের ক্ষেত্রে ভালো ঘুম আনতে সাহায্য করতে পারে। শরীরজুড়ে সমানভাবে হালকা চাপ পড়লে মন ও শরীর দ্রুত শিথিল হয়, যা ঘুমের গুণগত মান বাড়াতে সহায়ক হতে পারে।

৪. নিয়মিত ও মৃদু শব্দ উপকারী হতে পারে

হঠাৎ জোরে শব্দ ঘুমের ব্যাঘাত ঘটালেও একটানা মৃদু শব্দ অনেকের জন্য আরামদায়ক হতে পারে। যেমন ফ্যানের একঘেয়ে শব্দ বা হালকা সুরের সংগীত মনকে শান্ত করে ঘুমিয়ে পড়তে সহায়তা করতে পারে।

৫. শান্ত ও আরামদায়ক পরিবেশ তৈরি করুন

শোবার ঘরকে যতটা সম্ভব নিরিবিলি, পরিচ্ছন্ন ও আরামদায়ক রাখুন। অতিরিক্ত আলো, অপ্রয়োজনীয় শব্দ বা অগোছালো পরিবেশ ঘুমের মানকে প্রভাবিত করতে পারে। তাই ঘুমের উপযোগী একটি শান্ত পরিবেশ তৈরি করা গুরুত্বপূর্ণ।

বিশেষজ্ঞদের মতে, প্রতিদিনের ঘুমের অভ্যাসের পাশাপাশি শোবার ঘরের পরিবেশে এই সহজ পরিবর্তনগুলো আনলে অনিদ্রার সমস্যা অনেকটাই কমতে পারে এবং শরীর-মন উভয়ই আরও সতেজ ও কর্মক্ষম থাকতে পারে।

Leave a Comment

জিডিএমও-দের নিয়োগপত্র প্রদান অনুষ্ঠান, চিকিৎসকদের নিয়মিত জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং নতুন চিকিৎসা পদ্ধতির সঙ্গে নিজেদের আপডেট রাখতে হবে : মুখ্যমন্ত্রী