অনলাইন ডেস্ক,২৪ জুন, ২০২৬: অভিযোগের কেন্দ্র বিন্দুতে রয়েছেন টি.আর.এল.এম (TRLM)-এর সঙ্গে যুক্ত মাস্টার বুক কিপার ঝুমা চৌধুরী। তাঁর বিরুদ্ধে দীর্ঘদিন ধরে উচ্চহারে সুদের প্রলোভন দেখিয়ে সাধারণ মানুষ ও স্বনির্ভর গোষ্ঠীর সদস্যদের কাছ থেকে বিপুল পরিমাণ অর্থ সংগ্রহের অভিযোগ উঠেছে। পাশাপাশি সরকারি নথিতে বিডিও-র স্বাক্ষর ও সিল জাল করার মতো গুরুতর অভিযোগও সামনে এসেছে।স্থানীয় সূত্রে জানা গিয়েছে, ১০ থেকে ১৫ শতাংশ পর্যন্ত মাসিক লাভের প্রতিশ্রুতি দিয়ে বিভিন্ন ব্যক্তি ও স্বনির্ভর গোষ্ঠী থেকে ধাপে ধাপে অর্থ সংগ্রহ করা হতো।
বিষয়টি প্রকাশ্যে আসতেই প্রতারিতদের একাংশ তেলিয়ামুড়া ব্লকের বিডিও বিপ্লব আচার্যের কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেন।বিডিও বিপ্লব আচার্য জানিয়েছেন, লিখিত অভিযোগ পাওয়ার পরই বিষয়টি জেলা প্রশাসনের নজরে আনা হয়েছে। জেলা শাসকের নির্দেশ অনুযায়ী পরবর্তী আইনি ও প্রশাসনিক পদক্ষেপ গ্রহণ করা হবে বলে তিনি জানান।অভিযোগের আরও গুরুতর দিক হল, দীর্ঘ সময় ধরে সরকারি সিল ও বিডিও-র স্বাক্ষর জাল করে বিভিন্ন নথি ব্যবহার করা হলেও তা প্রশাসনের নজরে আসেনি বলে অভিযোগ উঠেছে।
ফলে গোটা ঘটনাকে ঘিরে প্রশাসনিক মহলেও প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে। স্থানীয় মহলের একাংশের দাবি, এই আর্থিক কেলেঙ্কারির পেছনে আরও কেউ জড়িত কি না, তা গভীরভাবে তদন্ত করা প্রয়োজন। এদিকে, অভিযুক্ত ঝুমা চৌধুরী অভিযোগের কিছু বিষয় স্বীকার করেছেন বলে স্থানীয় সূত্রে জানা গেলেও, তদন্তকারী সংস্থার পক্ষ থেকে এ বিষয়ে এখনো পর্যন্ত আনুষ্ঠানিক কোনো বিবৃতি দেওয়া হয়নি।বর্তমানে অভিযোগের ভিত্তিতে পূর্ণাঙ্গ তদন্ত শুরু হয়েছে।
তদন্তে আর্থিক প্রতারণা, জালিয়াতি এবং সরকারি নথি জালিয়াতির অভিযোগ প্রমাণিত হলে অভিযুক্তের বিরুদ্ধে কঠোর আইনানুগ ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে বলে প্রশাসনিক সূত্রে জানা যাচ্ছে।ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে গামাইবাড়ি ও ব্রহ্মছড়া এলাকাতেও অনুরূপ অভিযোগ উঠে আসায় গোটা ঘটনাপ্রবাহ আরও বিস্তৃত রূপ নিচ্ছে বলে মনে করা হচ্ছে। তদন্তের অগ্রগতির দিকেই এখন নজর প্রশাসন থেকে শুরু করে সাধারণ মানুষের।







