প্রগতি ত্রিপুরা, ১৭ এপ্রিল, ২০২৬: রাজ্যের রাজনৈতিক ভাগ্য নির্ধারণের চূড়ান্ত মূহুর্ত। আজ সকাল ৮টা থেকে শান্তির বাজার মহকুমা শাসকের কার্যালয়ে শুরু হয়েছে ভোট গণনা প্রক্রিয়া।
পাহাড়ের ক্ষমতা কার দখলে যাচ্ছে, তা জানতে এখন উদগ্রীব গোটা রাজ্য। কড়া নিরাপত্তা আর টানটান উত্তেজনার মধ্য দিয়ে চলছে এই ফলাফল ঘোষণার মহাযজ্ঞ। নিয়ম মেনে স্ট্রং রুম খোলার মধ্য দিয়ে শান্তির বাজার মহকুমা শাসকের কার্যালয়ে শুরু হয়েছে ব্যালট পেপার গণনার কাজ।
গণনাকেন্দ্রের ভেতরে নির্বাচন কমিশনের আধিকারিকদের উপস্থিতিতে একে একে খোলা হচ্ছে ব্যালট বাক্স। প্রতি রাউন্ডের শেষে প্রার্থীদের ভাগ্য এখন সময়ের অপেক্ষা।গণনা প্রক্রিয়াকে ঘিরে নিরাপত্তার কোনো ফাঁক রাখেনি প্রশাসন। গোটা মহকুমা দপ্তর এখন নিশ্ছিদ্র নিরাপত্তা বলয়ে ঢাকা।
মোতায়েন রয়েছে টিএসআর (TSR) ও আধাসামরিক বাহিনীর বিশাল জওয়ানরা। গণনাকেন্দ্রের কয়েকশো মিটারের মধ্যে সাধারণের প্রবেশ নিষিদ্ধ করা হয়েছে এবং প্রতিটি মোড়ে মোড়ে চলছে পুলিশের কড়া নজরদারি।এদিকে, কার্যালয়ের বাইরে দিকে দিকে ভিড় জমিয়েছেন বিভিন্ন রাজনৈতিক দলের কর্মী ও সমর্থকরা।
নিজেদের জয় নিশ্চিত করতে সকাল থেকেই মনোনীত প্রার্থীরা সশরীরে উপস্থিত হয়েছেন গণনা কেন্দ্রে। কারো চোখে মুখে জয়ের হাসি, আবার কোথাও দেখা যাচ্ছে চাপা উদ্বেগ। মুহুর্মুহু জয়ধ্বনি আর সমর্থকদের স্লোগানে শান্তির বাজার মহকুমা চত্বর এখন কার্যত সরগরম।শান্তির বাজার মহকুমা শাসকের কার্যালয় এখন রাজনৈতিক ইতিহাসের সাক্ষী হতে চলেছে।
উন্নয়নের প্রতিশ্রুতি নাকি আঞ্চলিক দাবি— শেষ পর্যন্ত ‘গণ দেবতা’র আশীর্বাদ কার মাথায় ঝরল, তা আর কয়েক ঘণ্টার মধ্যেই পরিষ্কার হয়ে যাবে। জনগণের এই চূড়ান্ত রায় আগামী পাঁচ বছরের জন্য পাহাড়ের রাজনীতির গতিপথ নির্ধারণ করবে।








