প্রগতি ত্রিপুরা, ২৪ মার্চ, ২০২৬: পিতার অভিযোগের বিরুদ্ধে থানার দারস্ত হলেন পরিবারের লোকজন ঘটনার বিবরনে জানাযায় শান্তির বাজার মহকুমার বাইখোড়া এস এস বি ক্যাম্প মরনসুর পাড়া এলাকার বাসিন্দা দুলাল চন্দ্র মিত্র বিলোনিয়া থানায় উনার সহধর্মীনি, মেয়ে ও ছেলের বিরুদ্ধে মামলা দায়ের করেন। উনার অভিযোগ পরিবারের লোকজনেরা উনাকেমারধোর করে। এই মামলার পরিপেক্ষিতে মঙ্গলবার উনার পরিবারের লোকজন বাইখোড়া থানার দারস্তহন। পরিবারের পক্ষথেকে দুলাল চন্দ্র মিত্রের মেয়ে ডাক্তার রাখি মিত্র জানান উনার পিতা পরিবারের লোকজনের বিরুদ্ধে যে অভিযোগ এনেছেন তা সম্পূন্ন ভিত্তিহীন।
রাখি মিত্র জানান উনার বাবা প্রতিনিয়ত মদ্যপানকরে। তিনি পেশায় একজন শিক্ষক ছিলেন। বর্তমানসময়ে অবসর প্রাপ্ত। প্রতিনিয়ত মদ্যপানকরাতে উনার শরিরে নানান রোগের সৃষ্টি হয়েছে। মদ্যপানে লিভারজনিত কারনে শরিরে নানান জায়গায় রক্ত জমাজ বেধেছে বলে জানান মেয়ে।
এই রক্তজমাট বাধারজন্য তিনি বহিঃরাজ্যেও চিকিৎসার জন্য গিয়েছিলেন। কিন্তু দেখাযায় এই রক্ত জমাট বাধানো দেখিয়ে তিনি থানায় মামলা করেন যে উনার পরিবারের লোকজনেরা উনার উপর আঘাত করেছে যা সম্পূন্ন ভিত্তিহীন।
পরিবারের লোকজন এতটুকু চাইছে যে দুলাল চন্দ্র মিত্র যেন নেশা পানথেকে বিরতথাকে এবং সুস্থ ভাবে জীবন জাপন করেন। দুলাল চন্দ্র মিত্রের জীবন জাপনে পরিবারে লোকজনেরা কোনোপ্রকার বাধা দানকরেননা।
যারফলে তিনি নিজ খুশিমতো চলাফেরা করে এবং সেইদিন নিজে অটো রিজার্ভ করেগিয়ে বিলোনিয়া থানায় মামলা দায়েরকরে। পরিবারের লোকজনের অভিমত দুলাল চন্দ্র মিত্রকে সঠিকভাবে চলাচল করতে নাদিলে তিনি সেইদিন বিলোনিয়া যেতে পারতেননা।
এইনিয়ে দীর্ঘ অনেকসময় বাইখোড়া থানায় আলোচনা শেষে সংবাদমাধ্যমের সন্মুখিন হয়ে বিস্তারিত তুলেধরেন উনার মেয়ে ডাক্তার রাখি মিত্র। তিনি জানান যেই জায়গায় উনার পিতা মামলা করেছেন সেই জায়গায় মামলা চলোক। আরক্ষা প্রশাসন যেন ঘটনার সুষ্ঠ তদন্তকরে তারই দাবী জানালো পরিবারের লোকজন।
একজন পিতা মদ্যপানের জন্য নিজ সন্তান ও সহধর্মীনিকে থানার দারস্তহতে বাধ্যকরাতে পিতার ভূমিকানিয়ে প্রশ্ন করতে শুরু করেছে বাইখোড়ার লোকজনেরা। পিতার সুস্থতা কামনাকরাতে আজকে থানায় আসতে হলো সন্তানদের। এখন দেখার বিষয় ঘটনার সুষ্ঠতদন্তে প্রসাশন কিপ্রকার পদক্ষেপ গ্রহনকরে।








