প্রগতি ত্রিপুরা, ০২ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬: তেলিয়ামুড়া পুরপরিষদ এবং তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে আজ সন্ধ্যায় তেলিয়ামুড়ার চিত্রাঙ্গদা কলা কেন্দ্র প্রাঙ্গণে দুই দিনব্যাপী শ্রীপঞ্চমী মেলা ও পিঠেপুলি উৎসবের সূচনা হয়েছে। আগামীকাল পর্যন্ত এই উৎসব চলবে। আজ সন্ধ্যায় প্রদীপ প্রজ্বলনের মাধ্যমে অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করেন অনুষ্ঠানের প্রধান অতিথি ত্রিপুরা বিধানসভার সরকারি মুখ্য সচেতক কল্যাণী সাহা রায়।
অনুষ্ঠানে সম্মানিত অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন খোয়াই জিলা পরিষদের সহ-সভাধিপতি সত্যেন্দ্র চন্দ্র দাস, তেলিয়ামুড়া পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান দীপা দেব, তেলিয়ামুড়া পুরপরিষদের ভাইস চেয়ারপার্সন মধুসূদন রায়, তেলিয়ামুড়া পঞ্চায়েত সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান নির্মল সূত্রধর, তেলিয়ামুড়া পুরপরিষদের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি অচিন্ত ভট্টাচার্য।
বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন তেলিয়ামুড়া মহকুমার মহকুমা শাসক অপূর্ব কৃষ্ণ চক্রবর্তী, অতিরিক্ত মহকুমা শাসক রূপাঞ্জন দাস, ত্রিপুরা ক্রিকেট অ্যাসোসিয়েশন, তেলিয়ামুড়া মহকুমা শাখার সম্পাদক নন্দন রায় এবং তেলিয়ামুড়া মহকুমা তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের বরিষ্ঠ তথ্য আধিকারিক দুলাল দেববর্মা। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন তেলিয়ামুড়া পুরপরিষদের চেয়ারপার্সন রূপক সরকার।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন পুরপরিষদের ডেপুটি সিইও প্রদীপ কুমার সরকার। বক্তব্য রাখতে গিয়ে উদ্বোধক বিধানসভার সরকারি মুখ্য সচেতক কল্যাণী সাহা রায় বলেন, পিঠেপুলি উৎসবের মাধ্যমে আমাদের হারিয়ে যেতে বসা লোকসংস্কৃতিকে ভবিষ্যৎ প্রজন্মের কাছে তুলে ধরার প্রয়াস নেওয়া হয়েছে।
পাশাপাশি এই মেলার মাধ্যমে মহিলাদের দ্বারা পরিচালিত স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির আর্থ-সামাজিক অবস্থার উন্নয়ন এবং হারিয়ে যাওয়া লোকসংস্কৃতির পুনরুদ্ধারই এই উৎসবের মূল লক্ষ্য। তিনি আরও বলেন, বর্তমান মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহার উদ্যোগে তেলিয়ামুড়ার শ্রীপঞ্চমী মেলাকে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের সাংস্কৃতিক ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করা হয়েছে।
এর জন্য তিনি রাজ্য সরকারকে সাধুবাদ জানান। অনুষ্ঠানে অন্যান্য অতিথিগণও শ্রীপঞ্চমী মেলা ও পিঠেপুলি উৎসবের তাৎপর্য নিয়ে আলোচনা করেন। প্রথম পর্বের অনুষ্ঠান শেষে অতিথিগণ তেলিয়ামুড়া মহকুমা এলাকার স্বনির্ভর গোষ্ঠীগুলির পিঠেপুলির মোট ১৮টি স্টলের ফিতা কেটে উদ্বোধন করেন। আজকের মেলায় স্থানীয় ও রাজ্যের জনপ্রিয় শিল্পীগণ বাউল সংগীত পরিবেশন করেন।








