কু প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় দুই সন্তানের জননীকে ধর্ষণের চেষ্টা সহ মারধর!! থানায় মামলা দায়ের নির্যাতিতা মহিলা

প্রগতি ত্রিপুরা, ২১ জানুয়ারি, ২০২৬ : কু প্রস্তাবে রাজি না হওয়ায় দুই সন্তানের জননীকে ধর্ষণের চেষ্টা সহ মারধর!! থানায় মামলা দায়ের নির্যাতিতা মহিলা।

জানা গেছে আমতলী থানার অন্তর্গত বাইপাস সংলগ্ন রবীন্দ্রনাথ সংঘ এলাকার এক গৃহবধূ দুই সন্তান সহ শাশুড়িকে নিয়ে মানুষের বাড়িতে কাজ করে দিন যাপন করছিলেন।

এদিকে ওনার পার্শ্ববর্তী বাড়ির পরিমল মালাকারের অবিবাহিত ছেলে সুরজিৎ মালাকার ওই মহিলার আট বছর বয়সী পুত্র সন্তানকে মুখে নেশা তুলে দিয়ে নেশাখোর বানানোর চেষ্টা করেন।

ঘটনাটি শিশুটির মা জানতে পেরে এই বিষয়ে প্রতিবাদ জানাই। এই ঘটনার পর থেকেই অভিযুক্ত সুরজিৎ মালাকার প্রতিশোধ নিতে ময়দানে নামে, এমনকি ওই মহিলাকে একাধিকবার কুপ্রস্তাব দেয় অভিযুক্ত সুরজিৎ মালাকার।

এতে ওই মহিলা তার কুপ্রস্থকে রাজি না হলে বুধবার সকালে বাড়ির সকলের অনুপস্থিতিতে মহিলার ছোট্ট পুত্র সন্তানটিকে মারধর করে। শিশুটির মা সেদিন বিকেলে বাড়িতে আসলে শিশুটি সম্পূর্ণ ঘটনা তার মাকে জানায়।

ঠিক সেই সময় অভিযুক্ত সুরজিৎ মালাকার মহিলার বাড়িতে ঢুকে মহিলাকে কুপ্রস্তাব দেয় এবং এতে উনি রাজি না হওয়ায় জোরপূর্বক ওই মহিলাকে ধর্ষণ করার চেষ্টা করে এবং মহিলাকে বেধড়ক মারধর করে।

পরে বুধবার সন্ধ্যারাতে নির্যাতিতা গৃহবধূ ওনার শাশুড়িসহ দুই সন্তানকে নিয়ে আমতলী থানার দ্বারস্থ হয়ে অভিযুক্ত সুরজিৎ মালাকারের বিরুদ্ধে মারধর সহ দর্শনের চেষ্টার অভিযোগ এনে লিখিত আকারে মামলা দায়ের করে।

এদিন আমতলী থানার পুলিশ নির্যাতিতা মহিলাকে আশ্বস্ত করে পুলিশ অভিযুক্ত সুরজিৎ মালাকারের বিরুদ্ধে আইনগত কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করবে।

এদিন সন্ধ্যারাতে নির্যাতিতা মহিলা সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে গোটা ঘটনাটি বিস্তারিতভাবে তুলে ধরতে গিয়ে অভিযুক্ত সুরজিৎ মালাকারের কঠোর শাস্তির দাবি জানান।

এই ঘটনায় আমতলী থানার পুলিশের পাশাপাশি রাজ্য শিশু সুরক্ষা ও অধিকার কমিশন এবং রাজ্য মহিলা কমিশন কি ভূমিকা গ্রহণ করে সেটাই এখন লাখ টাকার প্রশ্ন।

Leave a Comment