অনলাইন ডেস্ক, ২ জানুয়ারী ২০২৬: বর্তমান সময়ে ছাত্রছাত্রীদের আধুনিক শিক্ষায় শিক্ষিত হওয়ার সুযোগ করে না দিতে পারলে তারা সর্বভারতীয় ক্ষেত্রে অন্যান্য রাজ্যের ছাত্রছাত্রীদের তুলনায় পিছিয়ে পড়তে পারে। এই অসুবিধা দূর করার জন্য রাজ্যে আধুনিক শিক্ষা পরিকাঠামো গড়ে তোলার উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে।
ইতিমধ্যেই গুণগত শিক্ষার ব্যবস্থা করতে বিভিন্ন পরিকল্পনা রূপায়ণ করা হচ্ছে। আজ উদয়পুরের রমেশ ইংরেজি মাধ্যম উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়ের প্লাটিনাম জুবিলি অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন। ৪ দিন ব্যাপী প্লাটিনাম জুবিলি উৎসব উদ্বোধনের আগে অতিথিগণ বিদ্যালয়ের প্রতিষ্ঠাতা প্রয়াত রমেশ চন্দ্র দত্ত এবং প্রথম প্রধান শিক্ষক প্রয়াত ধীরেন্দ্র চন্দ্র দত্তের প্রতিকৃতিতে পুষ্পার্ঘ অর্পণ করে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন।
অনুষ্ঠানের উদ্বোধন করে মুখ্যমন্ত্রী বলেন, রাজ্যের বনেদি স্কুলগুলির মধ্যে অন্যতম হলো উদয়পুরের রমেশ ইংলিশ মিডিয়াম উচ্চতর মাধ্যমিক বিদ্যালয়। এই বিদ্যালয় থেকে পাশ করা বহু ছাত্রছাত্রী আজ দেশের বিভিন্ন ক্ষেত্রে সুনামের সঙ্গে প্রতিষ্ঠিত হয়েছেন। তাঁদের মধ্যে রয়েছেন চিকিৎসক, প্রকৌশলী, বিজ্ঞানী, লেখক, কবি, বিধায়ক এমনকি মুখ্যমন্ত্রী পদে অধিষ্ঠিত ব্যক্তিরাও।
তিনি বলেন, ১৯৫১ সালের ২ জানুয়ারি রমেশ চন্দ্র দত্তের উদ্যোগে এবং তাঁর পুত্র বিশিষ্ট শিক্ষাবিদ বীরেন্দ্র চন্দ্র দত্তের গুরুত্বপূর্ণ অবদানে এই ঐতিহ্যবাহী বিদ্যালয়টি প্রতিষ্ঠিত হয়। রমেশ চন্দ্র দত্ত ও তাঁর পুত্রের অক্লান্ত পরিশ্রম এবং দীর্ঘ আন্দোলনের ফলেই এই শিক্ষা প্রতিষ্ঠান গড়ে ওঠে বলে মুখ্যমন্ত্রী উল্লেখ করেন।
মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আগে বিদ্যালয়টি বাংলা মাধ্যমে পরিচালিত হলেও বর্তমানে তা ইংরেজি মাধ্যমে রূপান্তরিত হয়েছে। এই বিদ্যালয়টির পরিকাঠামো উন্নয়নের লক্ষ্যে নতুন পাকাবাড়ি নির্মাণের জন্য ৮ কোটি ৫১ লক্ষ টাকা বরাদ্দ করা হয়েছে। পাশাপাশি ছাত্রছাত্রীদের খেলাধুলার সুযোগ বাড়াতে একটি সিন্থেটিক টার্ফ ফুটবল মাঠ নির্মাণের জন্য ৫ কোটি ৮৯ লক্ষ টাকা মঞ্জুর করা হয়েছে।
তিনি জানান, ত্রিপুরায় একাধিক বোর্ড চালু থাকলেও প্রত্যেক বোর্ডের পাঠ্যক্রম ভিন্ন। তবে সি.বি.এস.ই. বোর্ডে একটি অভিন্ন ক্যারিকুলাম অনুসরণ করা হয় এবং বিজ্ঞান, প্রযুক্তি, প্রকৌশল ও গণিত শিক্ষার ওপর বিশেষ গুরুত্ব দেওয়া হয়।








