অনলাইন ডেস্ক, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫: এমনিতেই সিপাহীজলা জেলায় বাল্যবিবাহের সংখ্যা দিন দিন অতিরিক্ত হারে বেড়ে চলেছে। বাল্যবিবাহ রোধ করতে গোটা সিপাহীজলা জেলার বিভিন্ন জায়গায় সরকারি এবং বেসরকারিভাবে মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে বিভিন্ন ভাবে কিন্তু তারপরেও মানুষ বাল্যবিবাহ থেকে বিরতত থাকতে নাম নিচ্ছে না, সচেতন এর অভাবে অনেকেই কম বয়সী নাবালিকা মেয়েদের বিয়ে দিয়ে নাবালিকা মেয়েদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে একাংশ অসচেতন অভিভাবকরা।
ঠিক একই ভাবে শনিবার সকালে বিশালগড় মহকুমা শাসকের কাছে গোপন খবর আসে এমন একটি বাল্যবিবাহের ঘটনা। খবর পেয়ে শনিবার দুপুরে সিপাহীজলা জেলার চাইল্ড প্রটেকশন ইউনিট এর আধিকারিকরা এবং চাইল্ড লাইনের কর্মীরা বিশালগড় মহিলা থানার পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে বিশালগড় রঘুনাথপুর স্থিত মনির হোসেনের বাড়িতে হানা দেয়। পুলিশ এবং চাইল্ড লাইনের কর্মীদের আসার টের পেয়ে কোনরকম ভাবে ঘর থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় মনির হোসেন এবং নাবালিকা মেয়েটি।
যদিও চাইল্ড লাইন এবং জেলা চাইল্ড প্রটেকশন ইউনিটের আধিকারিকদের কাছে মনির হোসেনের পরিবারের লোকজন প্রথম থেকেই মিথ্যার আশ্রয় নেয় এবং অসংলগ্ন কথাবার্তা বলে। এক সময় মনির হোসেনের বাবা সোহেল মিয়া চাইল্ড লাইনের কর্মীদের কাছে স্বীকার করেছে শুক্রবার গভীর রাতে ওনার ছেলে মনির হোসেনকে বিয়ে করিয়েছে এক নাবালিকা মেয়েকে।
পরের জেলা চাইল্ড প্রোটেকশন ইউনিট এবং চাইল্ড লাইনের কর্মীরা মনির হোসেন এর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে যায় এবং বলা হয়েছে আগামী সোমবার যেন মনির হোসেন সহ নাবালিকা মেয়েটি এবং উভয় পক্ষের অভিভাবকরা বিশালগড় স্থিত চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির অফিসে উপস্থিত থাকে।
দীর্ঘদিন ধরে শুভবুদ্ধির সম্পন্ন ব্যক্তিরা দাবি তুলে আসছিল যে সিপাহীজলা জেলায় বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে শুধুমাত্র কাউন্সিলিংয়ের মাধ্যমে হবে না তাতে অসচেতন অভিভাবকদের মধ্যে বাল্যবিবাহ নিয়ে কোন ভয় ভীতি থাকে না। তবে সিপাহীজলা জেলায় বাল্যবিবাহের সংখ্যা কমিয়ে আনতে হলে যারা অবৈধভাবে বাল্যবিবাহের মত অপরাধে যুক্ত হয় তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে বাল্যবিবাহ আইন ২০০৬ অনুযায়ী স্বতঃস্ফূর্ত মামলা দায়ের করে আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করলে তবে বাল্যবিবাহ নিয়ে মানুষের মধ্যে একটা ভয়ের সৃষ্টি হবে আর তার থেকেই এই জেলায় বাল্যবিবাহের সংখ্যা হয়তো কিছুটা রোধ হবে।অনলাইন ডেস্ক, ১৩ ডিসেম্বর, ২০২৫: এমনিতেই সিপাহীজলা জেলায় বাল্যবিবাহের সংখ্যা দিন দিন অতিরিক্ত হারে বেড়ে চলেছে।
বাল্যবিবাহ রোধ করতে গোটা সিপাহীজলা জেলার বিভিন্ন জায়গায় সরকারি এবং বেসরকারিভাবে মানুষকে সচেতন করা হচ্ছে বিভিন্ন ভাবে কিন্তু তারপরেও মানুষ বাল্যবিবাহ থেকে বিরতত থাকতে নাম নিচ্ছে না, সচেতন এর অভাবে অনেকেই কম বয়সী নাবালিকা মেয়েদের বিয়ে দিয়ে নাবালিকা মেয়েদের ভবিষ্যৎ অন্ধকারের দিকে ঠেলে দিচ্ছে একাংশ অসচেতন অভিভাবকরা।
ঠিক একই ভাবে শনিবার সকালে বিশালগড় মহকুমা শাসকের কাছে গোপন খবর আসে এমন একটি বাল্যবিবাহের ঘটনা। খবর পেয়ে শনিবার দুপুরে সিপাহীজলা জেলার চাইল্ড প্রটেকশন ইউনিট এর আধিকারিকরা এবং চাইল্ড লাইনের কর্মীরা বিশালগড় মহিলা থানার পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে বিশালগড় রঘুনাথপুর স্থিত মনির হোসেনের বাড়িতে হানা দেয়।
পুলিশ এবং চাইল্ড লাইনের কর্মীদের আসার টের পেয়ে কোনরকম ভাবে ঘর থেকে পালিয়ে যেতে সক্ষম হয় মনির হোসেন এবং নাবালিকা মেয়েটি। যদিও চাইল্ড লাইন এবং জেলা চাইল্ড প্রটেকশন ইউনিটের আধিকারিকদের কাছে মনির হোসেনের পরিবারের লোকজন প্রথম থেকেই মিথ্যার আশ্রয় নেয় এবং অসংলগ্ন কথাবার্তা বলে। এক সময় মনির হোসেনের বাবা সোহেল মিয়া চাইল্ড লাইনের কর্মীদের কাছে স্বীকার করেছে শুক্রবার গভীর রাতে ওনার ছেলে মনির হোসেনকে বিয়ে করিয়েছে এক নাবালিকা মেয়েকে।
পরের জেলা চাইল্ড প্রোটেকশন ইউনিট এবং চাইল্ড লাইনের কর্মীরা মনির হোসেন এর প্রয়োজনীয় কাগজপত্র নিয়ে যায় এবং বলা হয়েছে আগামী সোমবার যেন মনির হোসেন সহ নাবালিকা মেয়েটি এবং উভয় পক্ষের অভিভাবকরা বিশালগড় স্থিত চাইল্ড ওয়েলফেয়ার কমিটির অফিসে উপস্থিত থাকে। দীর্ঘদিন ধরে শুভবুদ্ধির সম্পন্ন ব্যক্তিরা দাবি তুলে আসছিল যে সিপাহীজলা জেলায় বাল্যবিবাহ বন্ধ করতে শুধুমাত্র কাউন্সিলিংয়ের মাধ্যমে হবে না তাতে অসচেতন অভিভাবকদের মধ্যে বাল্যবিবাহ নিয়ে কোন ভয় ভীতি থাকে না।
তবে সিপাহীজলা জেলায় বাল্যবিবাহের সংখ্যা কমিয়ে আনতে হলে যারা অবৈধভাবে বাল্যবিবাহের মত অপরাধে যুক্ত হয় তাদের প্রত্যেকের বিরুদ্ধে বাল্যবিবাহ আইন ২০০৬ অনুযায়ী স্বতঃস্ফূর্ত মামলা দায়ের করে আইনের আওতায় এনে উপযুক্ত শাস্তির ব্যবস্থা করলে তবে বাল্যবিবাহ নিয়ে মানুষের মধ্যে একটা ভয়ের সৃষ্টি হবে আর তার থেকেই এই জেলায় বাল্যবিবাহের সংখ্যা হয়তো কিছুটা রোধ হবে।








