প্রগতি ত্রিপুরা, ১লা ডিসেম্বর, ২০২৫: বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি অজিত দেববর্মা,র নেতৃত্বে সোমবার সকাল ছয়টা থেকে শুরু হয় গাঁজা বাগান ধ্বংস অভিযান।
ঘটনা বিশ্রামগঞ্জ থানার অন্তর্গত সুতার মুড়া এডিসি ভিলেজের তকতুমা ঢুং, ঘাঁটিগড়, ধনাচর এবং পুরান বাড়ি এলাকায়। এই সমস্ত এলাকাগুলোতে প্রচুর পরিমাণ গাঁজা লাগিয়েছে চাষিরা।
সোমবার সকালে বিশ্রামগঞ্জ থানার পুলিশ টি এস আর প্রথম ব্যাটেলিয়ান , একাদশ ব্যটেলিয়ান এবং মহিলা পুলিশ নিয়ে গাঁজা বাগান ধ্বংস অভিযান শুরু হয়। সকাল ছয়টা থেকে একাধারে বেলা বারোটা পর্যন্ত চলে গাঁজা বাগান ধ্বংস অভিযান।
সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি অজিত দেববর্মা বলেন আজকের এই অভিযানে প্রায় চার লক্ষ পরিণত গাঁজা গাছ ধ্বংস করা হয়েছে। যার বাজার মূল্য আনুমানিক ১৫ থেকে ২০ কোটি টাকা হবে।
বন দপ্তরের ১৫ টি প্লটে ধ্বংস করা হয়েছে চার লক্ষ পরিণত গাঁজা গাছ। আগামী দিনেও গাঁজার বিরুদ্ধে তাদের অভিযান জারি থাকবে বলে জানিয়েছেন তিনি।
গতকাল অর্থাৎ রবিবার গভীর রাতে ও বিশ্রামগঞ্জ থানা এলাকার অমরেন্দ্র নগর ভিলেজে অভিযান চালিয়ে বারো হাজার গাঁজা গাছ ধ্বংস করা হয়। গাঁজার বিরুদ্ধে এভাবেই চলতে থাকবে অভিযান। কারণ গাঁজা চাষ অবৈধ।
আইনত দণ্ডনীয়। তাই গাঁজা চাষীদের উদ্দেশ্যে বিশ্রামগঞ্জ থানার ওসি অজিত দেববর্মা বার্তা দিয়েছেন গাঁজা চাষীদের_ এই চাষ থেকে বিরত থাকবার জন্য। গাঁজা চাষ না করে সবজি এবং ফল চাষ করার জন্য গাঁজা চাষীদের উদ্দেশ্যে আহবান রেখেছেন তিনি।। কোন গাঁজা চাষী আটক হলে তার বিরুদ্ধে এন ডি পি এস মামলা হবে বলে ও জানিয়েছেন ওসি।
বিশ্রামগঞ্জ থানা পুলিশের একের পর এক গাঁজা বাগান ধ্বংস অভিযানে গাঁজা চাষীদের রাতের ঘুম উড়ে গিয়েছে। কেউ বন্ধন থেকে কেউ ব্যাংক থেকে ঋণ নিয়ে করেছিল এই গাঁজা চাষ।
বিশ্রামগঞ্জ পুলিশের কয়েক দিনের অভিযানে ভেঙ্গে গিয়েছে গাঁজা চাষী এবং গাঁজা বেপারীদের কোমর। গাঁজা বাগান রক্ষার জন্য গত বছর ঘটিত হয়েছিল গাঁজা সুরক্ষা কমিটি।
সেই কমিটি এই বছর কোনভাবেই পুলিশকে ম্যানেজ করতে পারছে না। আর অল্প কিছুদিন সময় হাতে পেলেই ঘরে তুলে নিতে পারত গাঁজা চাষিরা ফসল। কিন্তু এরই মধ্যে ধারাবাহিকভাবে শুরু হয়েছে পুলিশের অভিযান।








