অনলাইন ডেস্ক, ১৮ নভেম্বর, ২০২৫: পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সভাগৃহে আজ জিলা পরিষদের কৃষি বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। কমিটির সভাপতি মলয় লোধের সভাপতিত্বে অনুষ্ঠিত এই সভায় উপস্থিত ছিলেন জিলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল, কমিটির অন্যান্য সদস্য সদস্যাগণ এবং বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকগণ।
সভায় কৃষি দপ্তরের জেলা আধিকারিক জানান, চলতি বছরে খারিফ মরশুমে পশ্চিম জেলার ১৫,৬৩৩ হেক্টর জমিতে আমন ধান এবং ৫৫ হেক্টর জমিতে আউস ধান চাষ করা হয়েছে। এছাড়া ১১২২ হেক্টর জমিতে ভুট্টা, ৫৯৮ হেক্টর জমিতে জুম ফসল, ১৪৭ হেক্টরে কাউন, ৩৪৮ হেক্টরে অড়হর, ৪ হেক্টরে মুগ ডাল, ২৩১ হেক্টরে মাষকলাই, ২২০ হেক্টরে বরবটি, ৪৪৯ হেক্টরে তিল, ১৪৬ হেক্টরে বাদাম, ২৫ হেক্টরে পাট, ২ হেক্টরে মেস্তা এবং ৫৭ হেক্টর জমিতে আখচাষ করা হয়েছে।
রবি মরশুমেও জেলার ৮,৫০০ হেক্টর জমিতে বোরো ধান, ২০ হেক্টর জমিতে গম, ৭৩৫ হেক্টরে ভুট্টা, ২২৪ হেক্টর জমিতে মুগডাল, ৪৭৫ হেক্টরে মাষকলাই, ১৭০ হেক্টর জমিতে মসুর ডাল, ৫১০ হেক্টরে মটর, ৫ হেক্টরে জাফরান এবং ৩২০ হেক্টর জমিতে রাজমার ডাল চাষ করার লক্ষ্যমাত্রা নেওয়া হয়েছে। এছাড়া রবি মরশুমে মুখ্যমন্ত্রী শস্য শ্যামলা যোজনায় জেলার ১,৬০০ হেক্টর জমিতে উচ্চফলনশীল ধান চাষ করার লক্ষ্যমাত্রাও নেওয়া হয়েছে। কৃষি আধিকারিক সভায় আরও জানান, বর্তমানে জেলাপশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের কৃষি বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভা অনুষ্ঠিতকৃষি বিভাগের অন্তর্গত ১৫৪টি লিফট ইরিগেশন (এলআই) ১০৫টি গভীর নলকূপ চালু রয়েছে।
কিষাণ ক্রেডিট কার্ডে ৬১৭ জন কৃষকের কৃষি ঋণ মঞ্জুর করা হয়েছে। এখন পর্যন্ত জেলার ১৮১৩৯ জন কৃষক পিএম, কিষাণ স্কিমের সুবিধা পাচ্ছেন। প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তরের জেলা আধিকারিক সভায় জানান, চলতি বছরে জেলার ৩৭২টি পরিবারকে পোল্ট্রি ফার্ম, ৩১০টি পরিবারকে হাঁস পালন প্রকল্পে, ১৪৬টি পরিবারকে শূকর পালন প্রকল্পে এবং ১৭৭টি পরিবারকে ছাগল পালন প্রকল্পে সহায়তা প্রদান করা হয়েছে। খাদ্য দপ্তরের প্রতিনিধি সভায় জানান, বর্তমানে পশ্চিম জেলার ২ লক্ষ ৫১ হাজার ৭১৫টি পরিবারের রেশন কার্ড রয়েছে। এই পরিবারগুলি ন্যায্যমূল্যে খাদ্যসামগ্রী পাচ্ছেন। সভায় জলসম্পদ দপ্তরের প্রতিনিধিও নিজ দপ্তরের উন্নয়নমূলক কর্মসূচি নিয়ে সভায় পর্যালোচনা করেন।







