অনলাইন ডেস্ক, ১৮ই জুন ২০২৫। ধরতি আবা জনভাগীদারি অভিযান কর্মসূচির অঙ্গ হিসেবে গতকাল তুলাশিখর ব্লকের পশ্চিম চাম্পামুড়া এডিসি ভিলেজের অন্তর্গত সীতেশ স্মৃতি কমিউনিটি হলে সচেতনতামূলক প্রশাসনিক ও স্বাস্থ্য শিবির অনুষ্ঠিত হয় খোয়াই মহকুমা প্রশাসনের উদ্যোগে।
শিবিরে পূর্ব চাম্পামুড়া, পূর্ব বাচাইবাড়ি এবং শিকারিবাড়ি এডিসি ভিলেজের জনজাতি অংশের মানুষ প্রশাসনিক সুযোগ সুবিধা গ্রহণ করেন।
শিবিরে উপস্থিত ছিলেন তুলাশিখর ব্লক অ্যাডভাইজরি কমিটির চেয়ারম্যান প্রদীপ কুমার দেববর্মা, ভাইস চেয়ারম্যান সুতাম্বর দেববর্মা, খোয়াই জেলার জেলাশাসক রজত পন্থ, খোয়াই মহকুমার মহকুমা শাসক চারু ভার্মা, তুলাশিখর ব্লকের বিডিও স্বদেশ দেববর্মা, অতিরিক্ত বিডিও বিশ্ব দেববর্মা, মহকুমা ওয়েলফেয়ার অফিসার নীপেন্দ্র দেববর্মা সহ বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকগণ।
শিবিরে এলাকাবাসীর উপস্থিতিতে বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকগণ একটি মতবিনিময় সভা করেন। এই সভায় এলাকার রাস্তাঘাট, পানীয়জল, স্বাস্থ্য, শিক্ষা এবং বিদ্যুতের সমস্যা নিয়ে আলোচনা হয়।
এলাকাবাসীর সাথে মতবিনিময় সভায় বক্তব্য রাখতে গিয়ে জেলাশাসক রজত পন্থ বলেন, ধরতি আবা জনভাগীদারি অভিযান কেন্দ্রীয় সরকারের অন্যতম গুরুত্বপূর্ণ প্রশাসনিক উদ্যোগ।
এই অভিযানের মাধ্যমে প্রশাসন প্রত্যন্ত গ্রামাঞ্চলের মানুষের কাছে পৌঁছে যাচ্ছে। তাদের সমস্যাগুলি শুনছে এবং তাৎক্ষণিকভাবে সমাধানের চেষ্টা করছে।
তুলাশিখর ব্লকের মতো দুর্গম এলাকায় এসে আজকের এই সচেতনতামূলক প্রশাসনিক শিবির আয়োজনের উদ্দেশ্যও সেটাই। সরকার এবং জনগণের মধ্যে একটি প্রত্যক্ষ সংযোগ স্থাপন করা।
এই শিবিরে খোয়াই মহকুমা প্রশাসনের পক্ষ থেকে ৯টি ইনকাম, ১৬টি পি.আর.টি.সি, ৫টি বার্থ সার্টিফিকেট, রেশন কার্ডে নাম অন্তর্ভুক্তির জন্য ৩টি আবেদন, আধার আপডেটের জন্য ২৭টি আবেদন এবং বিবাহ নিবন্ধীকরণের জন্য ৩টি আবেদনপত্র জমা নেওয়া হয়।
এছাড়াও ব্লক কার্যালয়ের পক্ষ থেকে ২০৮টি আর.ও.আর, এবং জাতীয় পরিবার কল্যাণ প্রকল্পের জন্য ২টি আবেদনপত্র গৃহীত হয়।
মৎস্য দপ্তরের পক্ষ থেকে ১৪ জন মৎস্যচাষিকে বিভিন্ন প্রকল্পের সুবিধা প্রদান করা হয় এবং কৃষি দপ্তরের পক্ষ থেকে বিভিন্ন প্রকল্পের জন্য সুবিধাভোগীদের কাছ থেকে ৩৩টি আবেদনপত্র সংগ্রহ করা হয়।
প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তরের পক্ষ থেকে ২২টি পরিবারের মোট ১৮৩টি পশুপাখির স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে প্রয়োজনীয় ওষুধ বিতরণ করা হয় এবং স্বাস্থ্য দপ্তরের পক্ষ থেকে ৫৭ জনের স্বাস্থ্য পরীক্ষা করে ওষুধ বিতরণ করা হয়।







