রাজধানীর চিত্তরঞ্জন এলাকায় সংঘটিত চুরির ঘটনায় বড়সড় সাফল্য পেল পূর্ব আগরতলা থানার পুলিশ!

অনলাইন ডেস্ক, ২২ আগস্ট, ২০২৬: চলতি মাসের ১১ আগস্ট চিত্তরঞ্জন এলাকার বাসিন্দা শ্রীজীব সাহার বাড়িতে চুরির ঘটনা ঘটে। ঘটনার পরপরই পূর্ব আগরতলা থানায় একটি লিখিত অভিযোগ দায়ের করা হয়।

অভিযোগের ভিত্তিতে তদন্তে নেমে পুলিশ দ্রুত অভিযান চালিয়ে অভিযুক্ত চোরকে গ্রেপ্তার করতে সক্ষম হয়। পুলিশ সূত্রে জানা গেছে, অভিযুক্তকে আটক করার পাশাপাশি চুরি যাওয়া বিভিন্ন সামগ্রীও উদ্ধার করা হয়েছে।

এছাড়াও তদন্তের সূত্র ধরে আমবাসা এলাকা থেকে চুরি হওয়া সামগ্রীর এক ক্রেতাকেও আটক করেছে পুলিশ। উদ্ধার হওয়া সামগ্রীগুলির মধ্যে বেশ কয়েকটি মূল্যবান জিনিসপত্র রয়েছে বলে জানা গেছে।

এই ঘটনাকে কেন্দ্র করে পুলিশের তৎপরতায় সন্তোষ প্রকাশ করেছেন স্থানীয় বাসিন্দারা। পুরো ঘটনার তদন্ত অব্যাহত রয়েছে এবং আরও কেউ জড়িত আছে কিনা তা খতিয়ে দেখা হচ্ছে।এই বিষয়ে বিস্তারিত জানিয়েছেন ওসি কৃষ্ণধন সরকার।

পুলিশ সিসিটিভি ফুটেজ, জিপিএস ট্র্যাকিং ও আধুনিক প্রযুক্তি ব্যবহারের মাধ্যমে পুলিশ অভিযানের সাফল্য অর্জন করেছে।

ঘটনার বিবরণ দিতে গিয়ে পুলিশ কর্মকর্তা জানান, গত ১১ ও ১২ তারিখের মধ্যবর্তী গভীর রাতে চিত্তরঞ্জন এলাকার বাসিন্দা শ্রীজীব সাহার বাড়িতে একটি দুর্ধর্ষ চুরির ঘটনা ঘটে।

দুষ্কৃতীরা গৃহস্থের বাড়ি থেকে প্রায় ৮ থেকে ১০ ভরি সোনার গহনা, একটি ল্যাপটপ এবং নগদ অর্থ চুরি করে নিয়ে চম্পট দেয়। গত ১২ তারিখ অভিযোগকারীর অভিযোগের ভিত্তিতে পুলিশ ১২১/২০২৬ নম্বরে, ভারতীয় ন্যায় সংহিতা (BNS)-র নির্দিষ্ট ধারায় একটি মামলা নথিভুক্ত করে। মামলার তদন্তভার দেওয়া হয় পরিদর্শক রাকেশ বর্মাকে।

তদন্তে নেমে পুলিশ স্মার্ট সিটি ক্যামেরা, বিভিন্ন ব্যাঙ্কের সিসিটিভি এবং আশপাশের ব্যক্তিগত ক্যামেরা ফুটেজ বিশ্লেষণ শুরু করে। একই সাথে মোবাইল জিপিএস লোকেশন ট্র্যাক করে অভিযুক্তের যাতায়াতের পথ চিহ্নিত করা হয়। অপরাধীর অবস্থান সুনির্দিষ্ট হওয়ার পর গণ্ডাছড়া থানার পুলিশের সহযোগিতা নিয়ে নারায়ণপুর এলাকায় এক গভীর রাতে অভিযান চালায় তদন্তকারী দল।

অভিযানে মূল অভিযুক্তের বাড়ি থেকে প্রচুর পরিমাণ চোরাই জিনিসপত্র উদ্ধার করা হয়েছে। উদ্ধারকৃত সামগ্রীর মধ্যে রয়েছে: ইলেকট্রনিক্স সরঞ্জাম: ল্যাপটপ, ডেস্কটপ কম্পিউটার, মনিটর, সিপিইউ, ইউপিএস এবং ৩টি মোবাইল ফোন।

অলঙ্কার: চুরি যাওয়া সোনার কিছু গহনা। উদ্ধার হওয়া মালামালের আনুমানিক বাজারমূল্য ৩ লক্ষ টাকারও বেশি। এছাড়া অভিযুক্ত ব্যক্তি চুরি করা কিছু সামগ্রী যার কাছে বিক্রি করেছিল, তাকেও চিহ্নিত করে কিছু জিনিস পুনরুদ্ধার করা সম্ভব হয়েছে।

পুলিশ কর্মকর্তা আরও জানান, ধৃত ব্যক্তির বিরুদ্ধে পূর্বেও একাধিক চুরির মামলার রেকর্ড রয়েছে। আরও কী কী ঘটনায় তারা জড়িত রয়েছে এবং চুরি যাওয়া বাকি সোনার অলঙ্কার উদ্ধারের জন্য ধৃতকে পুলিশ রিমান্ডে এনে জিজ্ঞাসাবাদ চালানো হবে।

Leave a Comment

জিডিএমও-দের নিয়োগপত্র প্রদান অনুষ্ঠান, চিকিৎসকদের নিয়মিত জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং নতুন চিকিৎসা পদ্ধতির সঙ্গে নিজেদের আপডেট রাখতে হবে : মুখ্যমন্ত্রী