প্রগতি ত্রিপুরা,১৮ আগস্ট, ২০২৬: আবারও কৈলাসহরের চন্ডীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের শাসক দলের যুব মোর্চার একনিষ্ঠ কর্মী হিমাংশু মালাকার সহ মোট তিনজন যুবক কৈলাসহর থানার পুলিশের হেফাজতে। পুলিশ সূত্রে জানা যায় যে, সতেরো আগস্ট সোমবার গভীর রাতে ভারত বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত এলাকা থেকে তিনজনকে আটক করে কর্তব্যরত বিএসএফ জওয়ান। তিনজনকে আটক করার পর ওদেরকে বিএসএফ ক্যাম্পে নিয়ে দীর্ঘক্ষন জিজ্ঞাসাবাদ করে মঙ্গলবার দুপুর দেড়টা নাগাদ কৈলাসহর থানার পুলিশের হাতে তোলে দেয়।
বর্তমানে আটক তিন যুবক কৈলাসহর থানার হেফাজতে রয়েছে এবং আটক তিনজন যুবককে পুলিশ জিজ্ঞাসাবাদ করছে। আটক তিন যুবকের মধ্যে হিমাংশু মালাকারকে সবাই হিমু বলেই চেনে। গোটা চন্ডীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের শাসক দলের ত্রাস বলেই সবার কাছে পরিচিত হিমু তথা হিমাংশু মালাকার। শাসক দলের যুব মোর্চার একনিষ্ঠ কর্মীর পাশাপাশি মন্ত্রী টিংকু রায়ের অতি ঘনিষ্ঠ হিমু। উল্লেখ্য, চলতি মাসে চন্ডীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের শাসক দলের মিডিয়া সেলের ইনচার্জ কৌশিক দাসকে এক মেয়ের সাথে অনৈতিক অবস্থায় পাওয়া গিয়েছিলো ধর্মনগরের এক হোটেল থেকে।
একের পর এক চন্ডীপুর বিধানসভা কেন্দ্রের শাসক দলের দেবতুল্য কার্যকর্তারা দলের সুনাম নষ্ট করার পরও তাদের বিরুদ্ধে দলের নেতৃত্বরা কোনো ধরনের পদক্ষেপ গ্রহন করার সাহস পাচ্ছে না। এব্যাপারে কৈলাসহর থানার পুলিশ জানায় যে, সতেরো আগস্ট সোমবার গভীর রাতে ভারত বাংলাদেশের আন্তর্জাতিক সীমান্ত দিয়ে অবৈধভাবে বাংলাদেশে গাঁজা পাচার করার সময় গাঁজা সহ হিমু সহ তিনজনকে আটক করেছিলো বিএসএফ। হিমু সহ তিনজনকে আগামীকাল ঊনিশ আগস্ট বুধবার কৈলাসহর আদালতে প্রেরণ করা হবে বলে জানান কৈলাসহর থানার পুলিশ। তবে, ধৃত হিমাংশু মালাকার হরফে হিমু চন্ডিপুর বিধানসভা কেন্দ্রের ভটেরবাজার এলাকার বাসিন্দা হলেও অপর দুইজন সুরুজ আলী এবং সুরমা আলী আপন দুই ভাই। সিদেক আলীর দুই ছেলে সুরুজ আলী এবং সুরমা আলীর বাড়ি কৈলাসহর বিধানসভা কেন্দ্রের নুরপুর গ্রাম পঞ্চায়েত এলাকায়।








