বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর জন্য ত্রিপুরার মুখ্যমন্ত্রীর সৌজন্য উপহার, পাঠানো হলো কিউ জাতের আনারস

প্রগতি ত্রিপুরা, ২৯ জুলাই, ২০২৬: প্রতিবছরের মতো এবারও ভারত-বাংলাদেশের সৌহার্দ্যপূর্ণ সম্পর্কের ধারাবাহিকতা বজায় রেখে বাংলাদেশের প্রধানমন্ত্রীর উদ্দেশ্যে ত্রিপুরার বিখ্যাত কিউ জাতের আনারস উপহার পাঠিয়েছে রাজ্য সরকার। মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডাঃ) মানিক সাহার পক্ষ থেকে বুধবার আগরতলার আখাউড়া ইন্টিগ্রেটেড চেক পোস্ট (আইসিপি) দিয়ে ১০০টি প্যাকেটে মোট ৬০০টি আনারস বাংলাদেশে পাঠানো হয়।

সীমান্তের প্রয়োজনীয় শুল্ক ও প্রশাসনিক প্রক্রিয়া সম্পন্ন হওয়ার পর ভারত-বাংলাদেশ সীমান্তের জিরো পয়েন্টে এক সংক্ষিপ্ত অনুষ্ঠানে ত্রিপুরা সরকারের কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দফতরের সচিব অপূর্ব রায় ভারতীয় সহকারী হাই কমিশনের চট্টগ্রাম শাখার অ্যাসিস্ট্যান্ট কনসাল অফিসার পঙ্কজজ্যোতি দাসের হাতে আনারসের প্যাকেট তুলে দেন। পরে সেগুলো বাংলাদেশি গাড়িতে স্থানান্তর করে নির্ধারিত গন্তব্যে পাঠানো হয়।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দফতরের অধিকর্তা ডঃ ফণিভূষণ জমাতিয়া, কনসালটেন্ট ডঃ রাজীব ঘোষ, শান্তনু দেববর্মা, ল্যান্ডপোর্ট অথরিটি অফ ইন্ডিয়ার আধিকারিক দেবাশীষ মজুমদারসহ দফতরের অন্যান্য কর্মকর্তারা। বাংলাদেশের পক্ষ থেকেও সংশ্লিষ্ট প্রতিনিধিরা অনুষ্ঠানে অংশ নেন।

কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দফতরের সচিব অপূর্ব রায় জানান, সম্প্রতি বাংলাদেশ থেকে সৌজন্য উপহার হিসেবে ত্রিপুরায় আম পাঠানো হয়েছিল। সেই শুভেচ্ছার প্রতিদান হিসেবেই মুখ্যমন্ত্রীর উদ্যোগে রাজ্যের জনপ্রিয় ও উন্নতমানের কিউ জাতের আনারস বাংলাদেশে পাঠানো হয়েছে। তাঁর মতে, এ ধরনের সৌজন্য বিনিময় দুই দেশের পারস্পরিক বন্ধুত্ব, আস্থা ও সহযোগিতার সম্পর্ককে আরও শক্তিশালী করতে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে।

অপরদিকে, দফতরের অধিকর্তা ডঃ ফণিভূষণ জমাতিয়া জানান, রাজ্যের বিভিন্ন উৎপাদন এলাকা থেকে বাছাই করা উৎকৃষ্ট মানের ৬০০টি কিউ জাতের আনারস সংগ্রহ করে ১০০টি প্যাকেটে সংরক্ষণ করে পাঠানো হয়েছে। তিনি বলেন, ত্রিপুরার কিউ জাতের আনারস স্বাদ, সুগন্ধ ও গুণগত মানের জন্য দেশ-বিদেশে বিশেষ পরিচিত। এই উদ্যোগ আন্তর্জাতিক বাজারে ত্রিপুরার কৃষিজ পণ্যের পরিচিতি আরও বাড়াতে সহায়ক হবে বলেও তিনি আশাবাদী। প্রতি বছরের এই সৌজন্য উপহার বিনিময় শুধু ভারত ও বাংলাদেশের বন্ধুত্বপূর্ণ সম্পর্কের প্রতীকই নয়, ত্রিপুরার কৃষিপণ্যের আন্তর্জাতিক প্রচার ও ব্র্যান্ডিংয়ের ক্ষেত্রেও গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ হিসেবে বিবেচিত হচ্ছে।

Leave a Comment

জিডিএমও-দের নিয়োগপত্র প্রদান অনুষ্ঠান, চিকিৎসকদের নিয়মিত জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং নতুন চিকিৎসা পদ্ধতির সঙ্গে নিজেদের আপডেট রাখতে হবে : মুখ্যমন্ত্রী