অনলাইন ডেস্ক,১০ অক্টোবর, ২০২৫:ভারতীয় নির্বাচন কমিশন (ই.সি.আই.) বিহার বিধানসভা নির্বাচন ও উপনির্বাচনের জন্য সকল রিটার্নিং অফিসার (আর.ও.) এবং সহকারী রিটার্নিং অফিসার (এ.আর.ও.)-দের জন্য ৯ ও ১০ অক্টোবর একটি প্রশিক্ষণ কর্মসূচি পরিচালনা করেছে।
এর মধ্যে অন্তর্ভুক্ত ছিল নির্বাচনী প্রক্রিয়া সংক্রান্ত অনলাইন মূল্যায়ন এবং সংশয় নিরসন সেশন। করেন। এই কর্মসূচিতে ২৪৩ জন আরও এবং ১৪১৮ জন এআরও ভার্চুয়ালি অংশগ্রহণ নির্বাচন কমিশন ‘জনপ্রতিনিধিত্ব আইন, ১৯৫১”-এর ধারা ২১ ও ধারা ২৪ অনুযায়ী প্রতিটি সংসদীয় অঞ্চলের জন্য রিটার্নিং অফিসার (আর.ও.) নিযুক্ত বা মনোনীত করে, যাতে নির্বাচন আইন ও সংশ্লিষ্ট নিয়ম অনুযায়ী সম্পন্ন হয়।
এই সময়কালে আর.ও. (আর.ও.এস.) এবং সহকারী আর.ও. (এ.আর.ও.এস.) কমিশনের নিয়ন্ত্রণ, তত্ত্বাবধান এবং শৃঙ্খলার অধীনে থাকেন।
অনলাইন মূল্যায়ন ও সংশয় নিরসন সেশন পরবর্তী পর্যায়ে নির্বাচনের সকল ধাপকে অন্তর্ভুক্ত করবে, যার মধ্যে থাকবে মনোনয়ন প্রক্রিয়া, যোগ্যতা ও অযোগ্যতা, মডেল কোড অফ কন্ডাক্ট (এম.সি.সি.), প্রার্থী প্রত্যাহার, প্রতীক বরাদ্দ, ভোটের দিন ব্যবস্থাপনা এবং গণনা।
জাতীয় স্তরের মাস্টার ট্রেনাররা আরও এবং এআরওদের সংশয়, যদি থাকে, তা নিরসন করবেন, যাতে নির্বাচন নির্বিঘ্নে সম্পন্ন করার জন্য তারা যথাযথভাবে প্রস্তুত থাকে। ইসিআই (ই.সি.আই.) সিইও, সকল ডিইও এবং আরওদের জন্য ইসিআইনেট-এর প্রিসাইডিং অফিসার মডিউল সংক্রান্ত একটি অনলাইন ব্রিফিং সেশনও পরিচালনা করেছে, যা ধাপে ধাপে বাস্তবায়িত হচ্ছে।
এই মডিউলের মাধ্যমে প্রিসাইডিং অফিসাররা দুই ঘণ্টা অন্তর এবং ভোট গ্রহণ শেষ হওয়ার সময় ভোটার উপস্থিতির তথ্য ইসিআইনেট অ্যাপে আপলোড করবেন। তথ্য স্বয়ংক্রিয়ভাবে আরও স্তরে সংকলিত হবে, যাতে প্রায় রিয়েল-টাইম ভোটিং প্রবণতা উপলব্ধ থাকে।
ভোটের আগে সমস্ত ভোটকেন্দ্রে প্রিসাইডিং অফিসার অ্যাপ্লিকেশনের একটি ট্রায়াল রানও আয়োজন করা হবে। এই সেশনগুলো সংশ্লিষ্ট চিফ ইলেকটোরাল অফিসারদের দ্বারা তাদের রাজ্য/কেন্দ্রশাসিত অঞ্চলে পরিচালিত প্রশিক্ষণ সেশনের অতিরিক্ত। রাজ্য নির্বাচন দপ্তর থেকে প্রেস নোটে এই সংবাদ জানানো হয়েছে।








