অনলাইন ডেস্ক, ৩০ এপ্রিল, ২০২৫: কেন্দ্র ও রাজ্যের বর্তমান সরকার উন্নয়নমূলক কাজের পাশাপাশি দেশের নানা জাতি গোষ্ঠীর কৃষ্টি সংস্কৃতিকে রক্ষা করার জন্য দৃঢ় প্রতিজ্ঞ। এই লক্ষ্যে নানা উদ্যোগ নেওয়া হয়েছে। গতকাল বিশালগড়ের ঐতিহ্যবাহী বৈশাখী মেলার সমাপ্তি অনুষ্ঠানে প্রধান অতিথির ভাষণে কৃষি ও কৃষক কল্যাণ দপ্তরের মন্ত্রী রতনলাল নাথ একথা বলেন।
তিনি বলেন, ভারতীয় সংস্কৃতির নানা ভাবধারা সম্পূর্ণ বিজ্ঞানসম্মতভাবে গড়ে উঠেছে। যে দেশের সংস্কৃতি যত শক্তিশালী সে দেশ তত উন্নত। তিনি বলেন, যেকোন মেলাই হল ঐতিহ্য ও কৃষ্টি সংস্কৃতির মিলন স্থল। মেলার মধ্যদিয়ে একে অপরের সংস্কৃতির সংস্পর্শে নিজেকে সমৃদ্ধ করা যায়।
তিনি বলেন, প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদি বলে থাকেন আধুনিক হওয়া ভাল, কিন্তু তা নিজের কৃষ্টি এবং সংস্কৃতিকে বাদ দিয়ে নয়। রাজ্যের বর্তমান সরকারও এই ভাবধারা অনুসরণ করে কাজ করে চলেছে।
অনুষ্ঠানের বিশেষ অতিথি বিধায়ক সুশান্ত দেব বলেন, বিশালগড়ের জনজীবনের সঙ্গে বৈশাখী মেলার নাম অঙ্গাঙ্গীভাবে জড়িয়ে রয়েছে। নিজস্ব কৃষ্টি ও সংস্কৃতি বজায় রেখে রাজ্যের উন্নয়নে সহায়তার হাত বাড়িয়ে দেওয়ার জন্য তিনি সবার প্রতি আহ্বান জানান। অনুষ্ঠানে সভাপতিত্ব করেন বিশালগড় এগ্রিপ্রডিউস মার্কেটের চেয়ারম্যান হরিদাস ভৌমিক।
অনুষ্ঠানে বিশিষ্ট ব্যক্তিদের মধ্যে উপস্থিত ছিলেন বিশালগড় পুর পরিষদের চেয়ারপার্সন অঞ্জন পুরকায়স্থ, বিশালগড় পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান অতসী দাস, কৃষি দপ্তরের অধিকর্তা ফনীভূষণ জমাতিয়া, বিশালগড় সাংস্কৃতিক সংস্থার সম্পাদক স্বপন কুমার রায়, তথ্য ও সংস্কৃতি আধিকারিক কাকলি ভৌমিক প্রমুখ।
বিশালগড় বৈশাখী মেলা কমিটির উদ্যোগে এবং তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তর ও অন্যান্য দপ্তরের সহযোগিতায় বিশালগড় এগ্রিপ্রোডিউস মার্কেটে ২৪ এপ্রিল থেকে ৬দিনব্যাপী বৈশাখী মেলা শুরু হয়েছিল।








