কমলপুর হাসপাতালে ১৪.৪৩ লক্ষ টাকার অ্যাম্বুলেন্স প্রদান, বিধায়ক মনোজ কান্তি দেবের হাত ধরে স্বাস্থ্য পরিষেবায় নতুন সংযোজন

প্রগতি ত্রিপুরা, ০৯ অক্টোবর, ২০২৬: কমলপুরের স্বাস্থ্য পরিষেবাকে আরও শক্তিশালী করার লক্ষ্যে বিমল সিংহ মেমোরিয়াল হাসপাতালের হাতে তুলে দেওয়া হলো একটি নতুন অ্যাম্বুলেন্স। বিধায়কের এলাকার উন্নয়ন তহবিল থেকে ১৪ লক্ষ ৪৩ হাজার ৭৭৯ টাকা ব্যয়ে এই অ্যাম্বুলেন্সটি প্রদান করা হয়। নতুন এই সংযোজনে মহকুমার জরুরি চিকিৎসা পরিষেবা আরও উন্নত হবে বলে আশা প্রকাশ করেছেন সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতিনিধিরা।

আজ কমলপুর টাউন হলে আয়োজিত এক অনুষ্ঠানের মাধ্যমে অ্যাম্বুলেন্সটি হাসপাতালের হাতে তুলে দেওয়া হয়। কমলপুর মহকুমা প্রশাসনের উদ্যোগে এবং কমলপুর নগর পঞ্চায়েতের সহযোগিতায় এই অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়। অনুষ্ঠানে উপস্থিত থেকে অ্যাম্বুলেন্স প্রদান কর্মসূচির উদ্বোধন করেন কমলপুরের বিধায়ক মনোজ কান্তি দেব।

অনুষ্ঠানে উপস্থিত ছিলেন কমলপুর নগর পঞ্চায়েতের চেয়ারম্যান প্রশান্ত সিনহা, ভাইস-চেয়ারম্যান সুব্রত মজুমদার, কমলপুর মহকুমার মেডিকেল অফিসার শুভাশিস দে, ডেপুটি এক্সিকিউটিভ অফিসার তথা ডিসিএম অদিতি দাস এবং নগর পঞ্চায়েতের অন্যান্য কাউন্সিলররা।

স্বাস্থ্য পরিষেবার ক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্সের গুরুত্ব অপরিসীম। বিশেষ করে দুর্ঘটনা, গুরুতর অসুস্থতা কিংবা অন্যান্য জরুরি পরিস্থিতিতে রোগীকে দ্রুত হাসপাতালে নিয়ে যাওয়া এবং প্রয়োজন অনুসারে উন্নত চিকিৎসার জন্য অন্য হাসপাতালে স্থানান্তরের ক্ষেত্রে অ্যাম্বুলেন্স গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করে। নতুন অ্যাম্বুলেন্সটি চালু হলে কমলপুর মহকুমার সাধারণ মানুষ বিশেষভাবে উপকৃত হবেন বলে আশা করা হচ্ছে।

বিধায়কের এলাকার উন্নয়ন তহবিল থেকে এই অর্থ বরাদ্দের মাধ্যমে স্বাস্থ্য পরিকাঠামো উন্নয়নের ক্ষেত্রে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে। জরুরি পরিস্থিতিতে দ্রুত চিকিৎসা পরিষেবা পৌঁছে দেওয়ার পাশাপাশি রোগী পরিবহণের সুবিধা বাড়াতেও এই উদ্যোগ সহায়ক হবে বলে মনে করছেন সংশ্লিষ্ট মহলের প্রতিনিধিরা।

তবে এই উদ্যোগের প্রকৃত সুফল নিশ্চিত করতে অ্যাম্বুলেন্সটির নিয়মিত ব্যবহার, সময়মতো পরিষেবা প্রদান এবং জরুরি প্রয়োজনে সাধারণ মানুষের কাছে সহজলভ্যতা বজায় রাখা অত্যন্ত গুরুত্বপূর্ণ। নতুন অ্যাম্বুলেন্সের মাধ্যমে কমলপুরের স্বাস্থ্য পরিষেবা আরও গতিশীল হবে এবং সংকটাপন্ন রোগীদের দ্রুত চিকিৎসার আওতায় আনা সম্ভব হবে বলে আশাবাদী এলাকার মানুষ।

Leave a Comment