ভাঙা টিনে বৃষ্টির জল, জিও ট্যাগিংয়ের পরও সরকারি খাতায় ঠাঁই নেই পরিমল দাসের

প্রগতি ত্রিপুরা, ২০ আগস্ট, ২০২৬: একদিকে কাগজে-কলমে উন্নয়নের নানা খতিয়ান, অন্যদিকে বাস্তব সত্যের এক করুণ চিত্র। তিন-তিন বার জিও ট্যাগিং, পঞ্চায়েত সদস্য থেকে শুরু করে ব্লক আধিকারিকদের একাধিক বার দেওয়া আশ্বাস—সবকিছুকে বুড়ো আঙুল দেখিয়ে কালাছড়া ব্লকের ২০২৬ সালের নতুন আবাস যোজনার খসড়া তালিকা থেকে বাদ পড়ল পরিমল দাসের নাম।

উত্তর হুরুয়া গ্রাম পঞ্চায়েতের ৫ নম্বর ওয়ার্ডের বাসিন্দা ৫৫ বছর বয়সী পরিমল দাস পেশায় একজন দিনমজুর। কাঁচা চালের ছিদ্রযুক্ত টিনের ফুটো দিয়ে জল পড়ে, ঝড়-বৃষ্টির রাতে সাতজনের পরিবারকে আতঙ্ক নিয়ে কাটাতে হয় এক কোণে। দিনমজুরি করে বড় ছেলে ও বাবার আয়ে যেখানে সাতজনের সংসার চালানোই কষ্টসাধ্য, সেখানে নতুন ঘর তোলা অসম্ভব। অভাবের সংসারে মেজো ছেলে বেকার এবং ছোট ছেলে কলেজে পড়ে। প্রতিদিনের টানাটানির মধ্যেও ছোট ছেলের পড়াশোনা বন্ধ হতে দেননি তিনি। পাশাপাশি, বিংশ শতাব্দীতে দাঁড়িয়েও পরিবারের মহিলাদের ব্যবহার করতে হয় কাঁচা শৌচাগার।

বারবার সব যোগ্যতা থাকা সত্ত্বেও খসড়া তালিকায় নাম না ওঠায় ক্ষোভের সৃষ্টি হয়েছে। ন্যায়বিচারের আশায় গত ৮ আগস্ট পরিমলবাবু কালাছড়া ব্লকের বিডিও (BDO)-র কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছেন। এখন দেখার বিষয়, প্রশাসনের ফাইলেই কি আটকে থাকবে পরিমলবাবুর অভিযোগ নাকি মাথার ওপর মিলবে স্থায়ী এক চিলতে পাকা ছাদ।

Leave a Comment

জিডিএমও-দের নিয়োগপত্র প্রদান অনুষ্ঠান, চিকিৎসকদের নিয়মিত জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং নতুন চিকিৎসা পদ্ধতির সঙ্গে নিজেদের আপডেট রাখতে হবে : মুখ্যমন্ত্রী