প্রগতি ত্রিপুরা, ১৬ আগস্ট, ২০২৬: ব্রহ্মকুণ্ড পর্যটনকেন্দ্রে পর্যটন দপ্তরের উদ্যোগে পর্যটন শিল্পের উন্নয়নে যে কনস্ট্রাকশনের কাজ চলছে সেখান থেকে আট গাড়ি ইট অন্যত্র বিক্রি করার অভিযোগ উঠার পর সেই বিষয় নিয়ে পর্যটন দপ্তরে নির্মাণ কাজে নিযুক্ত শ্যাম ইঞ্জিনিয়ারিং কোম্পানির ম্যানেজার কল্যাণ কুমার বন্দোপাধ্যায় ১৫ই আগস্ট ব্রম্ভকুণ্ড শিববাড়ি মেলার মাঠে এসে বার্তা দেন যে ইট গুলি অন্যত্র বিক্রি হয়েছে সেগুলি বিক্রি করার জন্য তিনিই পারমিশন দিয়েছিলেন।
তিনি আরো বলেন অঞ্জন পাল উনার কনস্ট্রাকশনের কাজের জায়গায় নিত্যদিনের ত্রুটি বিচ্যুতি দেখভালের কাজে যুক্ত রয়েছেন। অঞ্জন পালের অনুরোধে তিনি আট হাজার ইট অঞ্জন পালকে দিয়েছেন। সেখানে অঞ্জন পাল এর কোন দোষ নেই। এখন নতুন করে আরেকটি বিষয় উঠে এলো নাগরপাড়ার এক বাড়িতে কয়েক টন রড দেখতে তিপ্রা মথা দলের নেতৃত্বরা।
তৎক্ষণাৎ তারা শ্যাম ইঞ্জিনিয়ারিং এর ম্যানেজার কল্যাণ বন্দ্যোপাধ্যায় সহ সুন্দর টিলা ফাঁড়ি থানার পুলিশ কর্মী নিয়ে নাগর পাড়ার সেই বাড়িতে গিয়ে রড গুলি দেখতে পান। বাড়ির মালিক জানান অঞ্জন পাল সেখানে রড গুলি রেখে গেছেন। ম্যানেজার স্বীকার করেন রোডগুলি উনার কাজের জায়গার তখন তিনি বলেন ইট বিক্রির পারমিশন দিলেও রড বিক্রির পারমিশন দেননি।
তিনি তখন বলেন অঞ্জন পালের বিরুদ্ধে আইনগত ব্যবস্থা নেবেন। এবং পরে সুন্দর টিলা থানায় তার বিরুদ্ধে জিডি এন্ট্রি করেন এবং বলেন কাজের জায়গায় তাকে আর রাখা হবে না। অঞ্জন পাল কিছুদিন আগে বিজেপি দলে যোগদান করেছিলেন। এখন প্রশ্ন শ্যাম ইঞ্জিনিয়ারিং এর দায়িত্বপ্রাপ্ত স্টোর কিপার ,সাইড ইঞ্জিনিয়ার এবং নাইট গার্ডরা থাকার পর অঞ্জন পাল একা কিভাবে এতগুলি রোড নিয়ে উধাও হয়ে যায়। একা অঞ্জন পাল এতগুলি রড গাড়ি ছাড়া নিতে পারবে না।
তাহলে কি সর্ষের মধ্যেই ভূত লুকিয়ে রয়েছে বিচার করবেন আপনারা। নাকি অঞ্জন পাল কে সামনে রেখে একটি চক্র নিজেদের ফায়দা লুটছে যেটা অঞ্জন পালকে সামনে রেখে তাকে ব্যবহার করেই করা হচ্ছে। সাধারণ নাগরিকরা দাবি রাখছেন রাজ্য সরকারের উন্নয়নমূলক কাজের অংশ হিসাবে ব্রহ্মকুণ্ড পর্যটন দপ্তরের উন্নতি হোক। কিন্তু এটা আদৌ কি সম্ভব হবে?বাইট= কোম্পানির ম্যানেজার কল্যাণ কুমার বন্দোপাধ্যায়/মথাদলের নেতৃত্ব।








