সমবায় ক্ষেত্রকে চাঙা করতে সংসদে এনসিডিসি আইন সংশোধনী বিল পাস

অনলাইন ডেস্ক, ১২ আগস্ট,২০২৬: দেশের সমবায় খাতকে আরও শক্তিশালী ও আধুনিক রূপ দিতে একটি গুরুত্বপূর্ণ পদক্ষেপে সিলমোহর দিল সংসদ। বুধবার রাজ্যসভায় পাস হয়ে গেল ‘জাতীয় সমবায় উন্নয়ন নিগম (সংশোধনী) বিল, ২০২৬’। মঙ্গলবার লোকসভায় পাস হওয়ার পরদিন উচ্চসভাতেও বিলটি পাশ হওয়ায় এখন থেকে জাতীয় সমবায় উন্নয়ন নিগম (NCDC) সরাসরি বিভিন্ন সমবায় সংস্থাকে ঋণ ও অনুদান প্রদান করতে পারবে।

সমবায় মন্ত্রকের অধীনে থাকা এই সংবিধিবদ্ধ সংস্থাটি ১৯৬২ সালের আইনের অধীনে ১৯৬৩ সালে প্রতিষ্ঠিত হয়েছিল। ইতিপূর্বে ১৯৭৩, ১৯৭৪ এবং ২০০২ সালে এই আইনে নানা পরিবর্তন আনা হলেও সময়ের চাহিদার সঙ্গে সামঞ্জস্য রেখে এবার ব্যাপক পরিবর্তনের পথ তৈরি করা হলো।

সংসদে আলোচনার জবাবে সমবায় প্রতিমন্ত্রী মুরলীধর মোহল জানান, এই সংশোধনীর ফলে সরকারের ওপর অতিরিক্ত কোনো বাজেটীয় আর্থিক চাপ পড়বে না। বরং এটি এনসিডিসি-র পরিধি ও আর্থিক সক্ষমতা বাড়াবে। সূত্র: ডিডি নিউজ। তিনি আরও বলেন, “এই পদক্ষেপ কেবল এনসিডিসি-কে শক্তিশালী করবে না, বরং সমগ্র সমবায় ব্যবস্থাকে আরও আধুনিক, স্বাধীন ও গতিশীল করবে, যা দেশের সামগ্রিক অগ্রগতিতে ভূমিকা রাখবে।”

নতুন এই আইনের ফলে আমলাতান্ত্রিক জটিলতা ও দীর্ঘসূত্রতা অনেকাংশে কমে আসবে। আগে যেকোনো আর্থিক সহায়তা রাজ্য সরকার বা নির্দিষ্ট মধ্যস্থতাকারী সংস্থার মাধ্যমে পাঠাতে হতো, যার ফলে কাজে বিলম্ব হতো। এখন উপযুক্ত জামানতের ভিত্তিতে সমবায় সমিতি বা সমবায় উন্নয়নে নিয়োজিত যেকোনো সংস্থাকে সরাসরি অর্থ সাহায্য দিতে পারবে নিগম। এমনকি কেন্দ্রের অনুমোদন সাপেক্ষে এসব সংস্থার শেয়ার মূলধনেও অংশ নিতে পারবে এনসিডিসি।

এ ছাড়াও, বিলে ‘খাদ্যদ্রব্য’ (foodstuffs)-এর সংজ্ঞায় পরিবর্তন এনে কেন্দ্র দ্বারা সূচিত অন্যান্য খাদ্য সামগ্রীকেও অন্তর্ভুক্ত করার প্রস্তাব করা হয়েছে। একই সঙ্গে শিল্পজাত পণ্যের ক্ষেত্রে আগে যেসব ভৌগোলিক সীমাবদ্ধতা ছিল, তা তুলে নেওয়া হচ্ছে। ফলে যেকোনো স্থানে পরিচালিত সমবায়মূলক কাজের জন্য সহায়তা পাওয়া সম্ভব হবে।

Leave a Comment

জিডিএমও-দের নিয়োগপত্র প্রদান অনুষ্ঠান, চিকিৎসকদের নিয়মিত জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং নতুন চিকিৎসা পদ্ধতির সঙ্গে নিজেদের আপডেট রাখতে হবে : মুখ্যমন্ত্রী