বিশ্রামগঞ্জ ডিডব্লিউএস অফিসের গেইটে ঠিকাদারদের ওপর হামলার চেষ্টা

প্রগতি ত্রিপুরা, ২৯ জুলাই, ২০২৬: বিশ্রামগঞ্জ বাজারে জাতীয় সড়কের পাশে অবস্থিত ডি ডাব্লিউ এস অফিসের গেটে দুই ঠিকাদারের উপর আক্রমণের ঘটনায় চাঞ্চল্য ছড়িয়েছে। ঘটনা বুধবার বেলা আড়াইটায়। বিশ্রামগঞ্জ ডি ডাব্লু এস অফিস থেকে এস ডি ও সুবল দাসের সঙ্গে কথা বলে বের হওয়ার সময় ৬ থেকে ৭ জন উপজাতি যুবক দুই ঠিকেদারকে মারার জন্য উদ্ধত হলে তারা দৌড়ে এস ডি ও ‘র রুমে গিয়ে প্রাণে রক্ষা পায়। খবর দেওয়া হয় বিশ্রামগঞ্জ থানায়।

খবর পেয়ে বিশ্রামগঞ্জ থানার পুলিশ ডি ডব্লিউ এস অফিসের এস ডি ও’র রুম থেকে বিশালগড়ের দুই ঠিকাদার অরবিন্দ সাহা এবং বিশ্বজিৎ দেববর্মাকে উদ্ধার করে পুলিশের গাড়ি দিয়ে ব্যারিকেড করে বিশ্রামগঞ্জ থেকে সিপাহী জলা পুলিশ সুপার অফিস পর্যন্ত রাস্তা পার করে দিয়ে আসে। ডি ডাব্লিউ এস ‘র কাজ নিয়েই সম্ভবত এই আক্রমণ বলে ধারণা করা হচ্ছে।। এস ডি ও সুবল দাস সংবাদ মাধ্যমে জানালেন একটি কাজের ব্যাপারে বিশালগড়ের দুই ঠিকাদারকে আমি ডেকেছিলাম আমার অফিসে আসার জন্য।

আমার ফোন পেয়ে তারা যথারীতি ছুটে আসে আমার অফিস। আমার সঙ্গে কথা বলে অফিস থেকে বের হওয়ার সময় কয়েকজন যুবক নাকি তাদেরকে আক্রমণ করে। তারা দৌড়ে পালিয়ে আসে আমার রুমে। আমি বিশ্রামগঞ্জ থানায় খবর দিলে পর বিশ্রামগঞ্জ থানার পুলিশ ছুটে এসে তাদেরকে উদ্ধার করে। সংবাদ মাধ্যমে দুই ঠিকাদার বলেন যারা আমাদেরকে আক্রমণ করেছে আমরা তাদেরকে চিনিনা জানিনা। সম্ভবত তারা মথা দলের সমর্থক হতে পারে।

কি কারনে আমাদের উপর তারা আক্রমণ করেছে আমরা বুঝে উঠতে পারছিনা বলে সংবাদ মাধ্যমে জানালেন দুই ঠিকাদার। উল্লেখ্য বিশালগড়ে এই অফিস থাকার সময় ও দুই গুষ্টির মারপিটের জেরে অফিস স্থানান্তরিত হয়েছে বিশ্রাম গঞ্জে । অফিস স্থানান্তরিত হলেও কাজের ভাগাভাগি নিয়ে মারপিট আক্রমণ হুমকি-ধমকি বন্ধ হয়ে যায়নি। শাসক এবং তাদের শরিকদের মধ্যে হামেশাই চলছে এই দ্বন্দ্ব। আক্রমণকারীদের ভয়ে দুই ঠিকাদার পুলিশ নিয়ে বিশ্রামগঞ্জ থেকে বিশালগড় গিয়ে রক্ষা পেয়েছে।। শাসকের দুই শরীকের লড়াই তুঙ্গে। বিশ্রামগঞ্জ থানার পুলিশ আক্রমণকারীদের সনাক্ত করার চেষ্টা চালাচ্ছে বলে জানিয়েছে।

Leave a Comment

জিডিএমও-দের নিয়োগপত্র প্রদান অনুষ্ঠান, চিকিৎসকদের নিয়মিত জ্ঞানচর্চার পাশাপাশি আধুনিক প্রযুক্তি, কৃত্রিম বুদ্ধিমত্তা এবং নতুন চিকিৎসা পদ্ধতির সঙ্গে নিজেদের আপডেট রাখতে হবে : মুখ্যমন্ত্রী