সাব্রুম রেল যাত্রীদের দুর্ভোগ

প্রগতি ত্রিপুরা, ২০ জুন, ২০২৬: সাব্রুম-আগরতলা ০৮-নং জাতীয় সড়কের পাশ দিয়ে দমদমা শাস্ত্রী কলোনী হয়ে সাব্রুম রেলস্টেশন যাওয়ার রাস্তা মাত্র সাড়ে-তিন থেকে চার কিলোমিটার দূরত্বে। সাব্রুম রেলস্টেশনটি চালু হওয়ার পর থেকে একদিনের জন্যও স্টেশনে যাওয়া-আসার নিত্যদিনের রেল যাত্রীদের সুরক্ষার কথা একবারও চিন্তা করল না প্রশাসন? অথচ স্টেশনে যাওয়ার জন্য এই রাস্তাটি দিয়ে প্রশাসনের উদ্ধতন আধিকারিকরাও যাতায়াত করতে দেখা যায়।

সাব্রুমের সকল স্তরের জনগণের মধ্যে প্রশ্ন উঠতে শুরু করেছে রাজ্যের ত্রিফল ইঞ্জিনের বর্তমান জনদরদী সরকারের ভাবমূর্তি নিয়ে! সাব্রুমের এক অটোচালক অভিযোগ করে জানান, স্টেশনে ঢোকার পথে রাস্তা দুইপাশে পাতিজঙ্গল উঠে ভর্তিহয়ে রয়েছে। যার জন্য রাস্তাটি সরু হয়ে গিয়েছে। যার ফলে যে কোন টাইম ঘটে যেতে পারে মুখোমুখি যান দুর্ঘটনা। রাস্তার দুইপাশে নেই বিদ্যুতের ছোঁয়া। যার ফলে নিত্যদিনের অটো চালকদের গাড়ি চালাতে গিয়ে প্রাণ হাতে নিয়ে চালাতে হয়।

এছাড়াও সাব্রুমের এক সচেতন নাগরিক অভিযোগ করে জানান, এই রাস্তার দুপাশে রাবার বাগানের জন্য রাস্তাটি অন্ধকারে পরিণত হয়ে পরেছে। যার ফলে রাতেরবেলা চলাচল তো দূরের কথা দিনেরবেলা পর্যন্ত বিভিন্ন রকমের ভয়ভীতি উপেক্ষা করে নিশির-আধারের মতন এই রাস্তা দিয়ে চলাচল করতে হয় সকলকে। শুধু তাই নয় তিনি সরকারের দৃষ্টি আকর্ষণ করে অভিযোগ করে জানান, রাজ্যে সর্বত্র একশ্রেণীর যুবকরা ড্রাগসের কবলে পড়ে ছিনতাই বাজের মতন কাজ শুরু করেছেন।

যেকোনো সময় ঘটে যেতে পারে এই রাস্তাদিয়ে ছিনতাই বাজদের দূরত্ব সহ আরো না না হ অপরাধ কান্ড। শুধু তাই নয় উনি আরো জানান, কলকাতা শিয়ালদা থেকে কাঞ্চনজঙ্ঘা এক্সপ্রেস সাব্রুম রেলস্টেশনে এসে পৌঁছায় অনেক রাত্রিবেলা আর এতে বিভিন্ন রকমের ভোগান্তির শিকার হতে হয় ওই ট্রেনে আসা যাত্রীদের। এরজন্য সংশ্লিষ্ট মহল থেকে দাবি উঠেছে সাব্রুম রেলস্টেশন, রেলস্টেশনের রাস্তায় পুলিশের টহলদার এবং বিশেষ করে দাবি উঠেছে এই রাস্তা দুপাশে সরকার যেন তড়িঘড়ি বিদ্যুতের লাইট অথবা সোলার লাইট বসানোর দাবি উঠেছে। এখন দেখার বিষয় রাজ্যের ত্রিপল ইঞ্জিনের বর্তমান জনদরদী সরকারের মৌলিক চাহিদার পুরণ করার জন্য কবে এর শীতঘুম থেকে উঠে আসবেন ?

Leave a Comment