অনলাইন ডেস্ক, ২৬ সেপ্টেম্বর, ২০২৫ : অরুন্ধতিনগরের ড্রপগেটস্থিত বিদ্যাসাগর স্মৃতি প্রাঙ্গণে তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের উদ্যোগে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলাভিত্তিক পন্ডিত ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের ২০৬তম জন্মজয়ন্তীতে শ্রদ্ধাঞ্জলি অনুষ্ঠানের আয়োজন করা হয়।
অনুষ্ঠানের শুরুতে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের মূর্তিতে পুষ্পস্তবক দিয়ে শ্রদ্ধা জ্ঞাপন করেন পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল, বিধায়ক মীনা রাণী সরকার, আগরতলা পুরনিগমের ৪০নং ওয়ার্ডের কর্পোরেটর সম্পা সরকার চৌধুরী, রাজ্যভিত্তিক সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত চক্রবর্তী, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা কমিটির সদস্য সুব্রত চক্রবর্তী ও দেবব্রত বণিক, তথা ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা বিম্বিসার ভট্টাচার্য, বিদ্যাসাগর হাইস্কুলের সহকারি প্রধান শিক্ষক অমিতাভ সাহা, বিশিষ্ট সমাজসেবী অসীম ভট্টাচার্য সহ বিশিষ্টজনেরা।
স্বাগত বক্তব্য রাখেন পশ্চিম ত্রিপুরা জেলা তথ্য ও সংস্কৃতি কার্যালয়ের সহ অধিকর্তা মনোজ দেববর্মা। অনুষ্ঠানে পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল বলেন, বিদ্যাসাগরের জীবনাদর্শ আজও প্রাসঙ্গিক।
বাল্যবিবাহের বিরুদ্ধে বিদ্যাসাগর অগ্রণী ভূমিকা নিয়েছিলেন। তিনি বলেন, সমাজে নারী নির্যাতন ও গার্হস্থ্য হিৎসার বিরুদ্ধে সকল অংশের মানুষকে এগিয়ে আসতে হবে। তিনি ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের আদর্শে উন্নত সমাজ গঠনে প্রত্যেক ছেলে-মেয়েকে এগিয়ে আসার জন্য আহ্বান জানান।
রাজ্যভিত্তিক সাংস্কৃতিক উপদেষ্টা কমিটির ভাইস চেয়ারম্যান সুব্রত চক্রবর্তী বলেন, শিক্ষা বিস্তারে ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগরের অবদান চিরস্মরণীয়। বাংলা নবজাগরণের অন্যতম প্রধান ঈশ্বরচন্দ্র বিদ্যাসাগর নারীদের শিক্ষা বিস্তারে, নারী জাগরণ, বাল্যবিবাহ রোধ, বিধবা বিবাহ প্রচলনে অগ্রণী ভূমিকা গ্রহণ করেছিলেন। সেই আদর্শকে পাথেয় করেই আগামী দিনে আমাদের এগিয়ে যেতে হবে।








