অনলাইন ডেস্ক, ১৭ জুন, ২০২৫: সময়ের কাজ সময়ে শেষ করার উপর প্রাণীসম্পদ বিকাশ ও মৎস্য দপ্তরের মন্ত্রী সুধাংশু দাস গুরুত্ব আরোপ করেছেন। তিনি আজ খোয়াই জেলা প্রশাসনের কনফারেন্স হলে মৎস্য এবং প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তরের কাজকর্ম পর্যালোচনা করতে গিয়ে বলেন, বিভিন্ন প্রকল্পের সুফল যাতে সমাজের সব অংশের মানুষের কাছে গিয়ে পৌঁছে তা সুনিশ্চিত করতে হবে।
প্রকল্প রূপায়ণের ক্ষেত্রে দপ্তরের আধিকারিকদের সঙ্গে নির্বাচিত জনপ্রতিনিধিদের সমন্বয় বজায় রাখার উপর তিনি গুরুত্ব আরোপ করেন।
বৈঠকে প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তরের জেলা কার্যালয়ের আধিকারিক জানান, সিঙ্গিছড়ায় ক্যাটল ফার্ম করার জন্য জায়গা দেখা হয়েছে। খোয়াই ভেটেরিনারি মেডিসিন স্টোরের নির্মাণ কাজ সম্পন্ন হয়েছে। মধ্য গণকিতে একটি হ্যাচারি ইউনিটের কাজ সম্পন্ন করা হয়েছে।
২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে জেলায় মোট ৫০ হাজার ১৪২টি এবং ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষে ১৭ হাজার ১৯০টি গবাদি পশুর চিকিৎসা হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ২ লক্ষ ৪১ হাজার ৮৪১টি এবং ২০২৫-২৬ অর্থবর্ষের মে মাস পর্যন্ত ৮০ হাজার ১৬২টি পাখির চিকিৎসা হয়েছে।
প্রাণীপালনের জন্য ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ২০ জনকে কিষাণ ক্রেডিট কার্ডে ঋণ দেওয়া হয়েছে। বৈঠকে আরও জানানো হয়েছে, জেলায় মুখ্যমন্ত্রী প্রাণীসম্পদ বিকাশ যোজনায় ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ৩ হাজার ৫০০টি পরিবারকে পোল্ট্রি মোরগ পালন এবং ১ হাজার ১০০টি পরিবারকে হাঁস পালনের আওতায় আনা হয়েছে।
জেলায় ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে ৫০৩ জন প্রাণীপালককে মুখ্যমন্ত্রী প্রাণীপালক সম্মাননিধি প্রকল্পের আওতায় আনা হয়েছে। বৈঠকে মৎস্য আধিকারিক জানান, বাচাইবাড়িতে একটি ফিস মার্কেট নির্মাণের কাজ সম্পন্ন হয়েছে। ২০২৪-২৫ অর্থবছরে মাছচাষের জন্য কিষাণ ক্রেডিট কার্ডের মাধ্যমে ২০ জনকে ঋণ দেওয়া হয়েছে।
ধরতি আবা জনজাতীয় গ্রাম উৎকর্ষ অভিযানে সুবিধাভোগীদের অতি দ্রুত মৎস্যচাষের সুবিধা প্রদান করা হবে বলে তিনি জানিয়েছেন।
বৈঠকে বিধানসভায় সরকার পক্ষের মুখ্য সচেতক বিধায়ক কল্যাণী সাহা রায়, খোয়াই জিলা পরিষদের সভাধিপতি অপর্ণা সিংহ রায় (দত্ত), সহকারী সভাধিপতি সত্যেন্দ্র চন্দ্র দাস, খোয়াই পুরপরিষদের চেয়ারপার্সন দেবাশিস নাথশর্মা, তেলিয়ামুড়া পুরপরিষদের চেয়ারপার্সন রূপক সরকার, কল্যাণপুর পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান সৌমেন গোপ, তেলিয়ামুড়া পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান দীপ দেব, খোয়াই পঞ্চায়েত সমিতির চেয়ারম্যান টিংকু ভট্টাচার্য,
তেলিয়ামুড়া বি.এ.সি.-র চেয়ারম্যান ভানলাল রাঙ্খল, পদ্মবিল বিএসি-র চেয়ারম্যান প্রশান্ত দেববর্মা, কল্যাণপুর বিএ.সি-র চেয়ারম্যান ইন্দ্রানী দেববর্মা, মৎস্য ও প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তরের সচিব দীপা ডি. নায়ার, প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তরের অধিকর্তা ড. নীরজ চঞ্চল, তপশিলি জাতি কল্যাণ দপ্তরের অধিকর্তা জয়ন্ত দে, খোয়াই জেলার জেলাশাসক রজত পন্থ, তেলিয়ামুড়া মহকুমার মহকুমা শাসক পরিমল মজুমদার, খোয়াই মহকুমার মহকুমা শাসক চারু ভার্মা প্রমুখ উপস্থিত ছিলেন।








