অনলাইন ডেস্ক, ৬ জুন, ২০২৫ । ২০২৫ সালের টেট ওয়ান পরীক্ষা নেওয়ার পর থেকেই বিতর্ক বাড়ছে টিআরবিটি-র ভূমিকা নিয়ে।
প্রতিবার টেট পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর মর্জি মাফিক দাবি নিয়ে বোর্ড কর্তৃপক্ষের দ্বারস্থ হয় টেট পরীক্ষার্থীরা। ২০২০ সাল থেকে এ ঝামেলা লাগাতার চলে আসছে। এক প্রকার ভাবে ট্র্যাডিশন হয়ে গেছে।
প্রশ্নপত্রে ভুল কিংবা কোন ধরনের বিতর্কিত বিষয় থাকলে সেটা নিয়ে অনলাইনে চ্যালেঞ্জ জানানোর মতো সুবিধা থাকার পরেও তারা বারবার সশরীরে দারস্ত হয় বোর্ডে। এর ব্যতিক্রমই হচ্ছে না ২০২৫ সালের টেট ওয়ান এবং টেট টু পরীক্ষা অনুষ্ঠিত হওয়ার পর থেকে।
শুক্রবারও তারা শিক্ষা ভবনের সামনে জড়ো হয়ে বিক্ষোভদেখায়। অভিযোগ এ বছর টেট ওয়ান পরীক্ষার প্রশ্নপত্রে বহু ভুল ত্রুটি ছিল। এক প্রশ্নের দুটি উত্তর সহ সিলেবাসের বাইরে প্রশ্ন তাদের জন্য রাখা হয়েছে।
এতে করে তাদের নম্বরে গড়মিল হবে। বিষয়টি নিয়ে তারা দপ্তরের দ্বারস্থ হলেও তারা সদোত্তর পাচ্ছে না। যার কারণে পুনরায় তারা শুক্রবার দারস্ত হয়েছে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের। তাদের দাবি অবিলম্বে সেই নম্বরগুলি তাদের দিয়ে দিতে হবে।
উল্লেখ্য, টেট পরীক্ষা মানেই রাজ্যের জন্য বিতর্ক হয়ে উঠেছে। প্রশ্নপত্র নিয়ে অভিযোগ, বোর্ডের বিরুদ্ধে সিলেবাসের বাইরে প্রশ্নপত্র করার অভিযোগ, সকলকে একসাথে নিয়োগ করার দাবি, দ্রুত ফলাফল প্রকাশ করার দাবি এগুলি যেন প্রতিবছরের নিত্য দাবি।
হামেশা তাদের মুখে এ দাবি শুনতে অভ্যস্ত হয়ে গেছে বোর্ড কর্তৃপক্ষ। ফলে এখন বোর্ড কর্তৃপক্ষের কাছে গিয়ে পর্যন্ত পরীক্ষার্থীদের গুরুত্ব পাচ্ছে না। প্রশ্ন হল একজন শিক্ষক কি শুধুমাত্র নির্দিষ্ট সিলেবাসের মধ্যে সীমাবদ্ধ থাকে? তা নাহলে কেন বারবার সিলেবাস নিয়ে আঙ্গুল তুলছে তারা?







