ইআর.ও, বি.এল.ও. এবং সুপারভাইজরদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য দুই দিনের প্রশিক্ষণ কর্মসূচি

অনলাইন ডেস্ক, ০১ মে, ২০২৫: নয়াদিল্লির ইন্ডিয়া ইন্টারন্যাশনাল ইন্সটিটিউট অব ডেমোক্রেসি অ্যান্ড ইলেকশন ম্যানেজমেন্ট (আইআইআই.ডি.ই.এম.)-এ বিহার-এর ইলেক্টোর‍্যাল রেজিস্ট্রেশন অফিসার (ইআর.ও.) এবং বি.এল.ও. দিল্লি এন.সি.টি., উত্তরপ্রদেশ এবং হরিয়ানার ই.আর.ও., বি.এল.ও. ও সুপারভাইজরদের দক্ষতা বৃদ্ধির জন্য দুই দিনের প্রশিক্ষণের আয়োজন করা হয়েছে।

মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার গতকাল এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করেন। আসন্ন বিধানসভা নির্বাচনগুলির প্রস্তুতিমূলক ব্যবস্থা হিসেবে এই প্রশিক্ষণের আয়োজন করে ভারতের নির্বাচন কমিশন। এই মিশ্র ব্যাচ প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে মোট ৩৬৯ জন তৃণমূলস্তরীয় নির্বাচন কর্মী অংশগ্রহণ করছেন।

প্রশিক্ষণ কর্মসূচির উদ্বোধন করে মুখ্য নির্বাচন কমিশনার জ্ঞানেশ কুমার বলেন, বিএল.ও, ইআরও, এবং বুথ লেভেল এজেন্টরাই নির্ভুল নির্বাচক তালিকা তৈরি করার ক্ষেত্রে মূল ভূমিকা পালন করেন। তাদের সংশ্লিষ্ট আইন অনুযায়ী নির্বাচন কমিশনের নির্দেশ মেনে এই কাজ করতে হয়। গত মাসের প্রথম দিকে বিহারের ২৮০ জন বি.এল.এ.-কেও আই আই আইডি.ই,এম, প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়েছিলো।

ভোটার রেজিস্ট্রেশন ফর্ম হ্যান্ডলিং ও ক্ষেত্রীয় পর্যায়ে নির্বাচন প্রক্রিয়া পরিচালনার ক্ষেত্রে হাতে কলমে জ্ঞান দেওয়ার জন্য এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিটি তৈরি করা হয়েছে। সংশ্লিষ্ট আধিকারিকদের ইভিএম, ও ভি.ভি.পি.এ.টি. পরিচালনার বিষয়েও টেকনিক্যাল প্রশিক্ষণ দেওয়া হয়ে থাকে।

নির্দিষ্ট আইন অনুসারে জেলাশাসক / জেলা সমাহর্তা । এক্সিকিউটিভ ম্যাজিস্ট্রেট ও সিইও-এর কাছে চূড়ান্ত নির্বাচক তালিকা প্রকাশিত হওয়ার পর প্রথম ও দ্বিতীয় আপিল সম্পর্কেও জানানো হয় প্রশিক্ষণার্থীদের।

উল্লেখ্য, ৬-১০ জানুয়ারি, ২০২৫-এর বিশেষ সামারি রিভিশন-এর পর বিহার, হরিয়ানা, দিল্লি, এন.সি.টি. ও উত্তরপ্রদেশে কোনও আপিল পাওয়া যায়নি। কমিশনের আই.টি. এবং ইভিএম, ডিভিশনের মাস্টার ট্রেনার ও বিশেষজ্ঞরা প্রশিক্ষণ পরিচালনা করছেন।

ইন্টারেক্টিভ সেশন, রোল প্লে, বাড়ি বাড়ি সমীক্ষা, কেস স্টাডি, ফর্ম পূরণ, ভোটার হেল্পলাইন অ্যাপ ও বি.এল.ও. অ্যাপ ইত্যাদি সবকিছুতেই হাতে কলমে শেখানো হয় এই প্রশিক্ষণ কর্মসূচিতে। ভারতের নির্বাচন কমিশনের পক্ষ থেকে ডেপুটি ডাইরেক্টর পি, পবন এক প্রেস রিলিজে এ সংবাদ জানিয়েছেন।

Leave a Comment