অনলাইন ডেস্ক, ১৩ অক্টোবর, ২০২৬: নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি হিসেবে প্রধানমন্ত্রী নরেন্দ্র মোদির ২৫ বছর পূর্তি উপলক্ষে বিশেষ অভিনন্দন প্রস্তাব পাশ করল মধ্যপ্রদেশের মন্ত্রিসভা। সোমবার মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদবের পৌরোহিত্যে অনুষ্ঠিত বিশেষ মন্ত্রিসভার বৈঠকে এই প্রস্তাব গৃহীত হয়।
বৈঠকের পর সাংবাদিক সম্মেলনে মুখ্যমন্ত্রী মোহন যাদব বলেন, গুজরাটের মুখ্যমন্ত্রী থেকে দেশের প্রধানমন্ত্রী হিসেবে মোদির দীর্ঘ রাজনৈতিক যাত্রাকে সম্মান জানিয়ে মধ্যপ্রদেশের সাড়ে ৮ কোটিরও বেশি মানুষের পক্ষ থেকে তাঁকে অভিনন্দন ও কৃতজ্ঞতা জানিয়েছে রাজ্য মন্ত্রিসভা।
দেশের ৮০ কোটিরও বেশি মানুষকে বিনামূল্যে খাদ্যশস্য সরবরাহের প্রসঙ্গ উল্লেখ করে যাদব বলেন, “রামরাজ্যে এমনটা দেখা যেত, এখন আবারও তা হচ্ছে। প্রধানমন্ত্রী মোদির শাসনকালে এমন অনেক কাজ হয়েছে, যা একসময় অসম্ভব ও অকল্পনীয় বলে মনে করা হতো।” প্রস্তাবে প্রধানমন্ত্রীর দীর্ঘায়ু, সুস্বাস্থ্য ও সাফল্য কামনা করা হয়েছে।
মধ্যপ্রদেশের উন্নয়নে প্রধানমন্ত্রীর ‘আমরা করেই দেখাব’—এই মন্ত্রকে বাস্তব কর্মসূচিতে পরিণত করার অঙ্গীকারও পুনর্ব্যক্ত করেছে রাজ্য মন্ত্রিসভা। এ প্রসঙ্গে জনধন যোজনা, মুদ্রা যোজনা, প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনা, জল জীবন মিশন, আয়ুষ্মান ভারত, স্বামিত্ব যোজনা, পিএম স্বনিধি এবং উজ্জ্বলা যোজনার মতো বিভিন্ন প্রকল্পের কথা তুলে ধরেন মুখ্যমন্ত্রী। যাদবের দাবি, এই প্রকল্পগুলি সমাজের অন্তিম সারিতে থাকা মানুষের উন্নয়ন তথা ‘অন্ত্যোদয়’-এর লক্ষ্যকে বাস্তব রূপ দিয়েছে।
প্রস্তাবে নোটবন্দি, পণ্য ও পরিষেবা কর (জিএসটি), তিন তালাক নিষিদ্ধকরণ আইন, তিনটি নতুন ফৌজদারি আইন এবং জন বিশ্বাস অধিনিয়মের কথাও উল্লেখ করা হয়েছে। প্রধানমন্ত্রীর দিশা ও ‘ডাবল ইঞ্জিন’ সরকারের যৌথ প্রচেষ্টার ফলেই রাজ্যে বিভিন্ন উন্নয়নমূলক সাফল্য এসেছে বলে প্রস্তাবে দাবি করা হয়েছে।
মধ্যপ্রদেশে সেচের পরিকাঠামো সম্প্রসারণের ক্ষেত্রেও নতুন অধ্যায়ের সূচনা হয়েছে বলে জানান মুখ্যমন্ত্রী। কেন-বেতওয়া, পার্বতী-কালিসিন্ধ-চম্বল এবং তাপ্তি অববাহিকা প্রকল্পের উল্লেখ করে তিনি বলেন, এই উদ্যোগগুলি রাজ্যের সেচ ব্যবস্থার উন্নয়নে গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা নেবে।
যাদব আরও বলেন, প্রধানমন্ত্রীর দূরদর্শী নেতৃত্বে নকশালবাদের অবসানের লক্ষ্যও বাস্তবায়নের পথে এগিয়েছে। ২০৪৭ সালের মধ্যে একটি উন্নত মধ্যপ্রদেশ গড়ে তোলার লক্ষ্যে প্রধানমন্ত্রীর নেতৃত্বে কাঁধে কাঁধ মিলিয়ে কাজ করার অঙ্গীকার জানিয়েছে রাজ্য সরকার।








