যুব বিক্ষোভ ঘিরে দিল্লিতে যান চলাচলে বিধিনিষেধ, বন্ধ ৪৫টি মেট্রো স্টেশন

নয়াদিল্লি: ককরোচ জনতা পার্টির (সিজেপি) প্রস্তাবিত বিক্ষোভকে কেন্দ্র করে শনিবার দিল্লির একাধিক গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় যান চলাচল নিয়ন্ত্রণের সিদ্ধান্ত নিল পুলিশ। মধ্য ও নয়াদিল্লির বিভিন্ন মোড়ে পরিস্থিতি অনুযায়ী যানবাহনের গতিপথ পরিবর্তন করা হচ্ছে। এর জেরে রেলস্টেশন, আন্তঃরাজ্য বাস টার্মিনাল (আইএসবিটি) ও বিমানবন্দরে যাতায়াতকারীদের অতিরিক্ত সময় হাতে নিয়ে বেরোনোর পরামর্শ দিয়েছে ট্রাফিক পুলিশ।

পুলিশ সূত্রে জানা গিয়েছে, শনিবার সকাল ৬টা থেকে পরিস্থিতি অনুযায়ী বিভিন্ন গুরুত্বপূর্ণ মোড়ে যান নিয়ন্ত্রণ শুরু হয়। এর মধ্যে রয়েছে কনট প্লেসের আউটার সার্কেল-বারাখাম্বা রোড, গোল ডাকখানা, প্যাটেল চক, জয় সিং রোড-অশোকা রোড, আরএমএল হাসপাতাল এবং কনট প্লেস-সংসদ মার্গের সংযোগস্থল।

এ ছাড়াও শঙ্কর রোড-বন্দে মাতরম টি-পয়েন্ট, ধৌলা কুয়াঁ ফ্লাইওভার, ঝান্ডেওয়ালান, পঞ্চকুইয়াঁ, মান্ডি হাউস, মিন্টো রোড-দীনদয়াল উপাধ্যায় মার্গ এবং গুরু নানক চক-সহ একাধিক এলাকায় যান চলাচল ব্যাহত হওয়ার আশঙ্কা রয়েছে।

উইন্ডসর প্যালেস চক, টলস্টয় মার্গ-জনপথ, লোধি রোড ফ্লাইওভার, নীলা গম্বুজ, সম্রাট হোটেল চক, ভিকাজি কামা প্লেস, মোতি বাগ ফ্লাইওভার এবং রেল ভবন চত্বরেও যান নিয়ন্ত্রণের ব্যবস্থা রাখা হয়েছে। অশোকা রোড ও যন্তর মন্তর রোডের সংযোগস্থল-সহ আরও কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ রাস্তায় যানবাহন চলাচলে প্রভাব পড়তে পারে।

দিল্লি ট্রাফিক পুলিশের পরামর্শ, জরুরি প্রয়োজন ছাড়া যাত্রা এড়িয়ে চলুন। পরিস্থিতির পরিবর্তনের সঙ্গে যান নিয়ন্ত্রণের নিয়মও বদলাতে পারে। যাত্রার আগে পুলিশের সরকারি ওয়েবসাইট এবং সামাজিক যোগাযোগমাধ্যমে প্রকাশিত সর্বশেষ নির্দেশিকা দেখে নেওয়ার অনুরোধ জানানো হয়েছে।

এদিকে, জনপথ ও কর্তব্য পথ সংলগ্ন মধ্য দিল্লির কয়েকটি এলাকায় ইন্টারনেট পরিষেবাতেও বিধিনিষেধ আরোপ করা হয়েছে। শুক্রবার রাত ৯টা থেকে শনিবার সন্ধ্যা পর্যন্ত দিল্লি মেট্রোর ৪৫টি স্টেশনের প্রবেশ ও বেরোনোর দরজা বন্ধ রাখা হয়েছে বলে জানানো হয়েছে।

সিজেপির বিক্ষোভের অনুমতি না দেওয়ার কারণ হিসেবে দিল্লি পুলিশ জানিয়েছে, আগের কর্মসূচিতে আয়োজকেরা আইনি নির্দেশ ও নিজেদের দেওয়া প্রতিশ্রুতি মেনে চলেননি। বিক্ষোভ ঘিরে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতেই এই পদক্ষেপ করা হয়েছে বলে পুলিশের বক্তব্য।

Leave a Comment