প্রগতি ত্রিপুরা, ০৯ অক্টোবর, ২০২৬: ‘মায়ের গমন’ ও শারদ সম্মানকে সামনে রেখে আগরতলা পুর নিগমের কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত হলো এক প্রস্তুতি ও পর্যালোচনা সভা। আসন্ন অনুষ্ঠানকে সুষ্ঠুভাবে সম্পন্ন করার লক্ষ্যে বিভিন্ন দপ্তরের প্রস্তুতি এবং প্রয়োজনীয় ব্যবস্থাপনা নিয়ে সভায় আলোচনা হয়। সভায় উপস্থিত ছিলেন আগরতলা পুর নিগমের মেয়র দীপক মজুমদার, পশ্চিম ত্রিপুরা জেলার জেলাশাসক ডা. বিশাল কুমার, পশ্চিম জেলার পুলিশ সুপার নমিত পাঠক, ট্রাফিক পুলিশ সুপার কান্তা জাঙ্গির, তথ্য ও সংস্কৃতি দপ্তরের অধিকর্তা বিম্বিসার ভট্টাচার্য এবং পুর নিগমের কমিশনার সাজু ওয়াহিদ-সহ অন্যান্য আধিকারিকরা।
সভা শেষে এক সাক্ষাৎকারে মেয়র দীপক মজুমদার জানান, গত ২১ সেপ্টেম্বর মুখ্যমন্ত্রীর উপস্থিতিতে বিভিন্ন ক্লাব, পুজো উদ্যোক্তা এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরের আধিকারিকদের নিয়ে একটি বৈঠক অনুষ্ঠিত হয়েছিল। ওই বৈঠকে কয়েকটি গুরুত্বপূর্ণ সিদ্ধান্ত গ্রহণের পাশাপাশি পরবর্তী সময়ে একটি পর্যালোচনা সভা করার সিদ্ধান্ত নেওয়া হয়। সেই সিদ্ধান্ত অনুযায়ী এদিন ‘মায়ের গমন’ ও শারদ সম্মানের প্রস্তুতি নিয়ে পর্যালোচনা করা হয়েছে।
মেয়র জানান, সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলিকে যে নির্দেশ দেওয়া হয়েছে, সেই অনুযায়ী তারা নিজেদের কাজ চালিয়ে যাচ্ছে। অনুষ্ঠানকে সুষ্ঠু ও সুন্দরভাবে সম্পন্ন করতে বিভিন্ন দপ্তরের মধ্যে সমন্বয় বজায় রাখার উপর গুরুত্ব দেওয়া হয়েছে।
তিনি আরও জানান, আগামী ২৩ অক্টোবর অনুষ্ঠিত হবে ‘মায়ের গমন’। এই অনুষ্ঠানের মূল মঞ্চ ও কর্মসূচি তুলসীবতী বালিকা বিদ্যালয়ের বিপরীত পাশে আয়োজন করা হবে। অনুষ্ঠানে অংশগ্রহণকারী প্রতিটি ক্লাব সর্বাধিক সাতটি গাড়ি নিয়ে আসতে পারবে। এর মধ্যে পাঁচটি বড় গাড়ি এবং দুটি ছোট গাড়ি রাখার অনুমতি দেওয়া হবে।
এছাড়া, প্রতিটি ক্লাবকে নিজেদের উপস্থাপনার জন্য ১০ মিনিট করে সময় দেওয়া হবে বলে জানান মেয়র। নির্ধারিত সময়সীমা ও গাড়ির সংখ্যা মেনে অনুষ্ঠান পরিচালনার মাধ্যমে কর্মসূচিকে সুশৃঙ্খলভাবে সম্পন্ন করার পরিকল্পনা নেওয়া হয়েছে।
‘মায়ের গমন’ ও শারদ সম্মানকে কেন্দ্র করে আগরতলায় উৎসবের আবহকে আরও সুন্দর করে তুলতে পুর নিগম এবং সংশ্লিষ্ট দপ্তরগুলি প্রস্তুতি চালিয়ে যাচ্ছে। প্রশাসনিক সমন্বয় ও নির্দিষ্ট নির্দেশিকা মেনে অনুষ্ঠান পরিচালনাই এখন সংশ্লিষ্ট কর্তৃপক্ষের মূল লক্ষ্য।








