রাজ্য সরকার ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ থেকে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত ৪,৮৭৯ জন স্নাতক ও অস্নাতক শিক্ষক নিয়োগ করেছে: মুখ্যমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক, ২৭ আগস্ট, ২০২৬: রাজ্য সরকার ২০১৮-১৯ শিক্ষাবর্ষ থেকে ২০২৫-২৬ শিক্ষাবর্ষ পর্যন্ত ৪,৮৭৯ জন স্নাতক ও অস্নাতক শিক্ষক নিয়োগ করেছে। রাজ্য সরকার ইতিমধ্যে রাজ্য সরকারের অধীনে থাকা বিভিন্ন স্কুল থেকে ২,৬৮৪ জন শিক্ষককে টিটিএএডিসি প্রশাসন পরিচালিত স্কুলগুলিতে ডেপুটেশনে পাঠিয়েছে। যাতে এডিসি এলাকায় ছাত্রছাত্রীদের পড়াশুনার যাতে ব্যাঘাত না ঘটে। আজ বিধানসভার দ্বিতীয়ার্ধে জনস্বার্থে আনীত নোটিশের উপর স্বল্পকালীন আলোচনায় অংশ নিয়ে মুখ্যমন্ত্রী প্রফেসর (ডা.) মানিক সাহা একথা বলেন। রাজ্যে বিভিন্ন স্কুলে শিক্ষক স্বল্পতা বিষয়ে নোটিশটি উত্থাপন করেন বিরোধী দলনেতা জিতেন্দ্র চৌধুরী।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, ২০১৮ সাল থেকে মাধ্যমিক শিক্ষা অধিকারের অধীন ১,৪১৩ জন পোস্ট গ্র্যাজুয়েট টিচার এবং ১,৪৭১ জন গ্র্যাজুয়েট টিচার নিয়োগ করা হয়েছে। এর পাশাপাশি ১৪৫ জন স্পেশাল এডুকেটর, ১১৭ জন স্কুল লাইব্রেরিয়ান এবং ১০৫ জন ফিজিক্যাল এডুকেশন টিচার নিয়োগ করা হয়েছে। এলিমেন্টারি এবং সেকেন্ডারি এডুকেশনের অধীন যে সমস্ত শিক্ষকের শূন্যপদ রয়েছে সেগুলি পূরণের প্রক্রিয়া ইতিমধ্যেই শুরু হয়েছে। প্রি-প্রাইমারি টিচারের ৩৫২টি শূন্যপদে নিয়োগের জন্য পদক্ষেপ নেওয়া হয়েছে এবং সিলেকশন টেস্ট শেষ হওয়ার পর বর্তমানে নথি যাচাইয়ের প্রক্রিয়া চলছে।

টেট ১-এর মাধ্যমে ক্লাস ওয়ান থেকে ক্লাস ফাইভের অ্যাসিস্টেন্ট টিচার (প্রাইমারি) /আন্ডার গ্র্যাজুয়েট টিচার। কেবিটি পদে ১,০৩৬টি শূন্যপদ পূরণের জন্য টিচার রিক্রুটমেন্ট বোর্ড (টিআরবিটি)-তে রিকিউজিশন পাঠানো হয়েছে। একইভাবে টেট ২-এর মাধ্যমে ক্লাস ফাইভ থেকে ক্লাস এইটের ছাত্রছাত্রীদের জন্য গ্র্যাজুয়েট টিচার। অ্যাসিস্টেন্ট টিচার পদে ১,০২০ জন শিক্ষক নিয়োগের লক্ষ্যে টিআরবিটির কাছে রিকিউজিশন পাঠানো হয়েছে। এছাড়া গ্র্যাজুয়েট টিচার (এসটিজিটি)-এর জন্য ৭০০ পদে নিয়োগ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

মুখ্যমন্ত্রী বলেন, আমাদের লক্ষ্য শিক্ষক নিয়োগ শুধু একটি চাকরি দেওয়ার প্রক্রিয়া নয়, একজন শিক্ষক নিয়োগের অর্থ একটি শ্রেণিকক্ষকে শক্তিশালী করা, একটি শিশুর ভবিষ্যৎকে আলোকিত করা এবং আগামীদিনের ত্রিপুরাকে আরও শক্তিশালী করা। এই বিশ্বাস নিয়ে বর্তমান সরকার কাজ করছে এবং ভবিষ্যতেও কাজ করবে। রাজ্যের প্রতিটি শিশুর কাছে মানসম্মত শিক্ষা পৌঁছে দেওয়াই বর্তমান রাজ্য সরকারের অগ্রাধিকারের ক্ষেত্র।

Leave a Comment