অনলাইন ডেস্ক, ২৭ জানুয়ারী, ২০২৬: । কুমারঘাট থেকে ধর্মনগর চন্দ্রপুরে হরিনাম সংকীর্তনে এসে অপহৃত হল এক যুবক। রাতভর অজ্ঞাত স্থানে থাকার পর মঙ্গলবার ভোরে বিষ্ণুপুর গ্রাম পঞ্চায়েতের চিতল ডর থেকে উদ্ধার হল ওই যুবক। ঘটনায় কদমতলা এলাকা জুড়ে চাঞ্চল্য বিরাজ করছে। বিবরনে অপহৃত যুবক জানায়, সে কুমারঘাট থানাধীন নিদেবি এলাকায় তার বাড়ি থেকে ডেমো ট্রেনে করে ধর্মনগর আসে।
পরে শহরের চন্দ্রপুর গর্জনটিলা এলাকায় স্থানীয় এক আখড়াতে হরিনাম সংকীর্তন দেখতে যায় সে। সেখান থেকে প্রসাদ গ্রহণ করে রাস্তা দিয়ে হেঁটে সিগারেট খেয়ে যাওয়ার সময় হঠাৎ দু’ তিনজন যুবক তার কাছে খাওয়ার জন্য সিগারেট চায় পরবর্তীতে হাত ও চোঁখ বেঁধে অপহরণ করে বলে জানায় সে। অপহৃত যুবকের নাম বিশ্বনাথ দাস (৩০) পিতা জয়হরি দাস।
সে সংবাদ মাধ্যমের মুখোমুখি হয়ে আরো জানায়, সারারাত পায়ে হেঁটে তাকে এক স্থান থেকে অন্য অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যাওয়া হয়। এরপর যখন সকাল হয় তখন ওই অপহরণকারী যুবককে তারা বিষ্ণুপুর চিতলডর তিন নং ওয়ার্ড এলাকায় আব্দুল খালিকের বাড়িতে রেখে ক্লান্ত হয়ে ঘুমিয়ে পড়ায় সে বহু কষ্টে হাত ও চোঁখ খুলে পালিয়ে ওই বাড়ি থেকে বেরিয়ে এলাকাবাসীদের দ্বারস্থ হয় ও সমস্ত ঘটনা জানায়।
এলাকাবাসীরা গোটা ঘটনা কদমতলা থানার পুলিশকে অবগত করে । তখন এলাকাবাসীরা ক্ষুব্ধ হয়ে স্থানীয় ৪নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা আব্দুল খালেকের বাড়িতে চড়াও হয় এবং ভাঙচুর চালায়। স্থানীয় বাসিন্দারা জানায়, আব্দুল খালেকের স্ত্রী নাসিমা বেগমের ভাই ওইসব মানব ও বিভিন্ন পাচারকারীর সঙ্গে যুক্ত রয়েছে তাই তাদের সন্দেহ নাসিমা বেগমের বাড়ির উপরই হয়।
আর ক্ষোভের র বহিঃপ্রকাশ ঘটাতে তাদের বাড়িতে ভাংচুর চালানো হয়। এতে আব্দুল খালেক ও নাসিমা বেগম আহত হন। এদিকে,ঘটনার খবর পেয়ে কদমতলা থানার পুলিশ সহ মহকুমার পুলিশ আধিকারিক জয়ন্ত কর্মকার ও অতিরিক্ত পুলিশ সুপার কমল দেববর্মা পরবর্তীতে জেলা পুলিশ সুপার অবিনাশ রাই ঘটনাস্থলে ছুটে যান এবং সমস্ত পরিস্থিতি সামাল দেন।
অপরদিকে অপহৃত যুবক সহ আব্দুল খালিক উনার স্ত্রী নাসিমা বেগমকে থানায় নিয়ে আসা হয়। তবে এটি আদৌ অপহরণ না অন্য কোন চক্রান্ত তার সম্পূর্ণ ঘটনা খতিয়ে দেখেছ পুলিশ। তবে প্রাথমিকভাবে সম্পূর্ণ ঘটনার অনেক রহস্য দেখা দিয়েছে। পুলিশের ধারণা হয়তো বা নেশা কারবারের লেনদেন সংক্রান্ত কোন বিষয় জড়িত থাকতে পারে এই ঘটনার পিছনে। গোটা ঘটনার পরিপ্রেক্ষিতে কোন প্রতিক্রিয়া পাওয়া যায়নি পুলিশ প্রশাসনের পক্ষ থেকে।








