পদ্মফুল চাষকরে আর্থিক দিক দিয়ে সাবলম্বী এক যুবক

অনলাইন ডেস্ক, ৫ আগস্ট, ২০২৫ : ইচ্ছে থাকলে সবকিছু করাসম্ভব তা প্রমানিত করেদিলো শান্তির বাজার মহকুমার বগাফা কৃষিদপ্তরের অধীনে বেতাগা বাসুদেব দাস পাড়ার যুবক রূপঙ্কর দেবনাথ।

লেখাপড়া করে চাকুরির আশায় বসেনাথেকে পদ্মফুল চাষে মনযোগ দিলো রূপঙ্কর দেবনাথ। যদিও কৃষিদপ্তরের কোনোপ্রকার সহযোগীতা ছারই সে পদ্মফুল চাষ করেযাচ্ছে। বগাফা কৃষি দপ্তরের তত্বাবধায়ক রাজীব সেন ও দক্ষিন জেলার কৃষি দপ্তরের আধিকারিক সুমিত কুমার সাহা জানেননা বেতাগায় এইভাবে পদ্মফুলের চাষ হচ্ছে।

উনারা সহযোগীতা দূরেথাক একবারের জন্যও কৃষক রূপঙ্করের সাথে যোগাযোগকরেনি। তারা হয়তোবা জানেননা উনাদের এলাকার যুবক এইধরনের সফলতা অর্জনকরেছে। সুমিত কুমার সাহার মূল লক্ষ কৃষক নয়। উনার মূললক্ষ্য কৃষকদের নিম্নমানের কৃষিজ যন্ত্রাংশ দিয়ে মূনাফা অর্জন করা এমনটাই অভিযোগ।

অপরদিকে তত্বাবধায়ক রাজীব সেন ফান্ডনেই বলে অফিসকক্ষে বসেথাকতে ভালো পান। অফিসের বাইরে বেরহলে বালি ও কাঁদায় উনার চেহারার পরিবর্তন হয়েপরবে তাই ফান্ড নেই কাজ করতে পারছিনাবলে উনার দায়িত্ব খালাস করেদিয়ে বসেআছেন।

অপরদিকে বেতাগায় কৃষি কার্যালয়ের অধীনথাকা কৃষিদপ্তরের কর্মী অজয়সেন কৃষকদের দেওয়া স্কীমের অর্থ নিজের কাছের লোকজনদের একাউন্টে দিয়ে সেখানথেকে অর্ধেক অর্থ নিজ পকেটে ভরেনিচ্ছে।

প্রকৃত কৃষকরা অজয় সেনের জন্য সরকারি সুযোগ সুবিধা থেকে বঞ্চীত হতেহচ্ছে বলে অভিযোগ উঠে আসছে। লোকগুঞ্জনে শুনাযায় এই বাঁকাপথে উপার্জিত অর্থের কিছু অংশ রাজীব বাবু ও সুমিত বাবুর পকেটে যাচ্ছে।

তাই বেতাগার যুবকের এই সাফল্য অজয় সেনের নজরেও জায়নি। সবকিছু মিলিয়ে কৃষিদপ্তরের বঞ্চনা থাকাসত্বেও নিজের অর্থব্যায়করে সফলতা অর্জনকরে শান্তির বাজার মহকুমাজুরে নজীর সৃষ্টিকরলো রূপঙ্কর দেবনাথ।

রূপঙ্কর দেবনাথ উনার এই সফলতার কথা সংবাদমাধ্যমকে জানাতেগিয়ে জানান সে কোলকাতায় বি এড পরিক্ষাদিতেগিয়ে সেখানে পদ্মচাষদেখে উৎসাহিত হয়। বারিতে এসে কৃষিদপ্তর থেকে পরিক্ষন ছারা মোবাইলে ইউটিউব দেখে ২ কানি জায়গায় পদ্মচাষ শুরুকরে।

হায়দ্রাবাদ, কোলকাতা, কেরলা সহ ৫ টি রাজ্যথেকে ১০ প্রজাতির পদ্মফুলের বীজ সংগ্রহকরে সে পদ্মফুলের চাষ শুরুকরে। বর্তমানসময়ে এই পদ্মফুল চাষকরে সে সফলতা অর্জনকরেছে । রূপঙ্কর দেবনাথ জানায় মনসা পূজার সময় ও দূর্গা পূজার সময় প্রায় ৫০ হাজার টাকার পদ্মফুল বিক্রিকরাহয়।

অন্যান্যসময় উদয়পুর মাতারবাড়ীতে ১০ টাকা করে একটি পদ্মফুল পাইকারি বিক্রিকরাহয়। মনসাপূজায় ও দূর্গাপূজায় এই পদ্মফুল একটা ৫০ টাকা করে বিক্রিকরাহয় বলে জানায়। সে জানায় যদি সরকারি সহযোগীতা পাওয়াযেতো তাহলে এই পদ্মফুলের চাষ আরো বেশিপরিমানেকরাযেতো।

রাজ্যের বেকারদেরপ্রতি বার্তাপ্রদানকরতেগিয়ে রূপঙ্কর দেবনাথ জানায় চাকুরির আশায় বসেনাথেকে এইভাবে ব্যাতিক্রমী কিছুকরে আর্থিক দিকদিয়ে সাবলম্বী হোওয়া সম্ভব। সর্বশেষে এই পদ্মফুল চাষে সহযোগীতর জন্য রাজ্যের কৃষিমন্ত্রীর নিকট আবেদন করেন রূপঙ্কর দেবনাথ।

Leave a Comment