প্রগতি ত্রিপুরা, ১৮ ফেব্রুয়ারী, ২০২৬: তিনটি সন্তান নিয়ে স্বামী স্ত্রী দিশেহারা! যদিও পাশে থাকার আশ্বাস দিয়েছেন নেতারা। ঘটনা বিলোনিয়া সুকান্ত নগরের গোপাল মজুমদার। বিধ্বংসী অগ্নিকাণ্ডের ঘটনায় মাথা গোঁজার ঠাঁই হারিয়ে পথে বসেছে বিলোনীয়া সুকান্ত নগর পঞ্চায়েতের দিনমজুর গোপাল মজুমদার । একমাত্র বসত ঘরটি ধ্বংসস্তুপে পরিণত হয়ে আশ্রয়হীন হয়ে পড়েছে দিনমজুর গোপাল।
অগ্নিকাণ্ডের ঘটনার খবর পেয়ে বিলোনিয়া দমকল বাহিনীরা সঠিক সময়ে পৌঁছালে রাস্তার কারনে পৌঁছাতে পারে নি দিনমজুরের বাড়ির সামনে। এছাড়া অগ্নি নির্বাপক দপ্তরে আধুনিক সরঞ্জাম না থাকায় যার ফলে দমকল বাহিনীরা একমাত্র লাঠি হাতে নিয়ে আগুন নেভানোর কাজে তৎপরতা দেখা গেলেও বসত ঘরটি আর রক্ষা হয়নি।
তবে ভাঙ্গা রাস্তা ও দপ্তরের অব্যবস্থাপনাই এই বিপর্যয়ের জন্য দায়ী বলে মনে করছে এলাকাবাসীরা । যেখানে মানুষের সম্পত্তি রক্ষার দায়িত্ব পালনে ব্যার্থ হয় দপ্তর সেখানে ভূমিকা নিয়ে প্রশ্ন উঠেছে। দমকল বাহিনী নামে দপ্তর থাকলেও নেই আধুনিকতার ছোঁয়া, নেই উন্নতমানের সার সরঞ্জাম। যার ফলে কোন দুর্ঘটনার সময় দমকল বাহিনীর কর্মীদের জরুরি ভিত্তিতে কল করলেও ব্যার্থতা নিয়ে ফিরতে হচ্ছে।
দপ্তরের আধিকারিক থেকে শুরু করে দপ্তরের মন্ত্রীর কবে হুশ ফিরবে এই নিয়ে গুঞ্জন শুরু হয়েছে । যখন আগুন লাগে বাড়িতে কেউ ছিলেন না আগুন নাশকতার নাকি বিদ্যুতের শর্ট-সার্কিট থেকে কিছুই ঠিকভাবে বলা যাচ্ছে না।গোপাল মজুমদার তিনটি বাচ্চাকে নিয়ে এখন কোথায় আশ্রয় নেবে স্বামী-স্ত্রী—অজানা ভবিষ্যৎ! খবর পেয়ে বুধবার সকালে বিলোনিয়ার বিধায়ক দীপঙ্কর সেন সহ এক প্রতিনিধি দল ছুটে যান গোপাল মজুমদারের বাড়িতে এবং কথা বলেন গোপাল মজুমদার এবং পরিবারের লোকজনদের সাথে।
পাশাপাশি এই ঘটনার সংবাদ পেয়ে আজ মন্ডল সভাপতি এবং পঞ্চায়েতের সমিতির চেয়ারম্যান পুতুল পাল বিশ্বাস সহকারে দীনমজুর গোপালের বাড়িতে গিয়ে পরিবারবর্গের সাথে সাক্ষাৎ করেন এবং কঠিন এই সময়ে তাঁদের পাশে থাকার আশ্বাস প্রদান করে প্রয়োজনীয় সরকারি সহায়তার বিষয়ে সংশ্লিষ্ট দপ্তরের সঙ্গে কথা বলেন ।








