প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তরের নব নির্মিত সহ-অধিকর্তা কার্যালয়ের উদ্বোধন, প্রাণীসম্পদ বিকাশ দপ্তর রাজ্যের মানুষের পুষ্টি ও গ্রামীণ এলাকার জনগণের আর্থ-সামাজিক মানোন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করে চলছে: প্রাণী সম্পদ বিকাশমন্ত্রী

অনলাইন ডেস্ক, ৩ সেপ্টেম্বর, ২০২৫: খোয়াই জেলার তেলিয়ামুড়া মহকুমার অন্তর্গত হাওয়াইবাড়িতে গতকাল প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তরের নবনির্মিত সহ-অধিকর্তার কার্যালয় ও শুকর প্রজনন খামারের নবনির্মিত পাকা ভবনের উদ্বোধন করেন প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তরের মন্ত্রী সুধাংশু দাস।

অনুষ্ঠানে বিশেষ অতিথি হিসেবে উপস্থিত ছিলেন ত্রিপুরা বিধানসভার সরকারি মুখ্য সচেতক কল্যাণী সাহা রায়, তেলিয়ামুড়া পঞ্চায়েত সমিতির ভাইস চেয়ারম্যান নির্মল সূত্রধর, তেলিয়ামুড়া পুর পরিষদের ক্রীড়া ও সাংস্কৃতিক বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভাপতি অচিন্ত্য ভট্টাচার্য, প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তরের অতিরিক্ত অধিকর্তা বিমল কুমার দাস এবং তেলিয়ামুড়া গ্রামোন্নয়ন ডিভিশনের কার্যনির্বাহী ইঞ্জিনিয়ার ইন্দ্রজিৎ ভৌমিক প্রমুখ।

উদ্বোধকের ভাষণে প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তরের মন্ত্রী সুধাংশু দাস বলেন, প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তর রাজ্যের মানুষের পুষ্টি ও গ্রামীণ এলাকার জনগণের আর্থ-সামাজিক মানোন্নয়নে নিরলস ভাবে কাজ করে চলছে। বর্তমানে রাজ্য মাংস উৎপাদনে স্বয়ংসম্পূর্ণ এবং দুধ ও ডিম উৎপাদনেও স্বয়ংসম্পূর্ণতা অর্জনের লক্ষ্যে একাধিক প্রকল্প গ্রহণ করা হয়েছে।

তিনি বলেন, এই সেক্টরের মাধ্যমে বহু বেকার যুবক-যুবতী আত্মনির্ভর হয়েছেন। এ প্রসঙ্গে তিনি প্রাণী পালক সম্মান নিধি’ ও ‘মুখ্যমন্ত্রী প্রাণী সম্পদ বিকাশ যোজনা’-র ভূমিকার ওপর বিশেষ আলোকপাত করেন। সরকারি মুখ্য সচেতক কল্যাণী সাহা রায় আলোচনায় অংশ নিয়ে বলেন, প্রাণী সম্পদ বিকাশ দপ্তরের কার্যক্রমের ফলে গ্রামীণ অর্থনীতি সুদৃঢ় হচ্ছে এবং বিশেষতঃ গ্রামীণ মহিলারা আত্মশক্তি অর্জন করেছেন।

অনুষ্ঠানে মন্ত্রী সহ অতিথিগণ দু’জন প্রাণী পালকের হাতে ‘প্রাণী পালক সম্মান নিধি’র মঞ্জুরি পত্র এবং ‘মুখ্যমন্ত্রী প্রাণীসম্পদ যোজনায়’ পাঁচজন সুবিধাভোগীর হাতে জনপ্রতি ২০টি করে মুরগির ছানা তুলে দেন। অনুষ্ঠানে স্বাগত বক্তব্য রাখেন দপ্তরের অতিরিক্ত অধিকর্তা বিমল কুমার দাস। সভাপতিত্ব করেন পশ্চিম হাওয়াইবাড়ি গ্রাম পঞ্চায়েতের প্রধান রঞ্জিত দাস।

Leave a Comment