একই রাতে মন্দিরে প্রণামী বাক্স ভেঙ্গে নগদ অর্থ এবং এলাকার বিজেপি বুথ সভাপতির বাইক চুরি!!

অনলাইন ডেস্ক, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫। চোরের যন্ত্রণায় আতঙ্কিত মানুষ। চোরের তান্ডবে নাজেহাল জনজীবন।চোরের লাগাম টানতে ব্যর্থ প্রশাসন।

যেকোনো মুহূর্তে জনরোষে পড়তে পারে চুলের দল। শিক্ষালয় থেকে শুরু করে আদালত,মন্দির থেকে মসজিদ সমস্ত কিছুতেই হানা দিচ্ছে প্রতিনিয়ত চোরের দল।

চুরের উপদ্রব এতটাই বেড়েছে মানুষ এখন ভয়ে দিন কাটাচ্ছে।আর এই সমস্ত চুরির মূল কারণ নেশা। নেশার টাকার জোগাড় করতেই শহর থেকে গ্রাম,পাহাড় থেকে সমতল সব জায়গাতেই প্রতিনিয়ত চুরি থেকে শুরু করে বিভিন্ন অসামাজিক কার্যকলাপ করে যাচ্ছে চোরের দল।

ঠিক তেমনি বিশালগড় থানাধীন দক্ষিণ চম্পামুড়া দেশবন্ধু কলোনি নবোদয় সংঘ ক্লাবের দীর্ঘদিনের ঐতিহ্যপূর্ণ জনগণের আত্মবিশ্বাসের একমাত্র ঠিকানা।

যেখানে মানুষ তার মনের দু এক কথা কালি মায়ের কাছে বলেন সেই কালী মন্দিরে রবিবার গভীর রাতে চোরের দল হানা দেয়।

প্রথমে চোরের দল মন্দিরের দরজা ভেঙে দা দিয়ে প্রণামী বাক্স কেটে ১৫ থেকে ২০ হাজার টাকা ও মন্দিরের সমস্ত আসবাবপত্র চুরি করে নিয়ে যায়।

একই দিনে মন্দিরের পাশেই কমলাসাগর বিজেপি মন্ডলের ৫০ নং বুথের বুথ সভাপতি পবন দাসের বাড়িতে হানা দিয়ে TR01H6511 নাম্বারের হিরো হোন্ডা হাঙ্ক বাইক চুরি চম্পট দেয় চোরের দল।

সোমবার প্রাতঃভ্রমনে বেরিয়ে মানুষ যখন কালীমন্দিরে প্রণাম করতে আসেন ঠিক সেই সময় দেখেন মন্দিরের দরজা ভাঙ্গা প্রণামী বাক্স মন্দির থেকে অনেকটা দূরে পড়ে আছে। মানুষের বুঝতে অসুবিধা নেই মন্দিরে চুরি হয়েছে।

মুহূর্তের মধ্যে কালি মন্দিরে চুরি হয়ে যাওয়ার ঘটনার খবর পেয়ে সমস্ত সনাতনী ধর্মের লোক জোর হয় মন্দির প্রাঙ্গণে।

যিনি এই মন্দিরের সর্বদা পূজার্চনা করেন দু চোখের জল ফেলতে ফেলতে তিনি বলেন আমরা কখনোই এলাকায় এরকম ঘটনা দেখিনি।

আমরা এখন ভয়ে রাত কাটাচ্ছি। হঠাৎ করে মন্দিরে পাশে বিজেপি বুথ সভাপতি পবন দাস চিৎকার করতে থাকেন উনার ঘর থেকে বাইক চুরি করে নিয়ে গেছে চোরের দল।

এলাকায় একসাথে এই দুই দুটি ঘটনায় লোকেদের মধ্যে আতঙ্ক ছড়িয়েছে।খবর দেয়া হয় বিশালগঢ় থানায়। তবে এলাকার শুভবুদ্ধি সম্পূন্ন লোকেদের অভিযোগ।এ সমস্ত ঘটনার পিছনে বর্তমানে একাংশ শাসক দলের নামধারী নেতারা দায়ী।

কারণ শাসক দলের নাম দিয়ে এলাকার যুবকদের কাছে প্রতি নিহত বিভিন্ন নেশা জাতীয় সামগ্রী বিক্রি করে যুবকদের নেশায় আসক্ত করে তুলছেন এ সমস্ত নেতারা।

স্থানীয়রা এ সমস্ত নেতাদের বিরুদ্ধে কোনরকম আওয়াজ তুললে তাদের উপর আক্রমণ করতে পারে এমনটাই ভয়ে কেউ কিছু বলেননি।

যার পরিণতি স্বরূপ কালী মন্দির এবং গৃহস্থের বাড়িতে চুরি। এখন দেখার বিষয় পুলিশ এই ঘটনার কতটুকু সুষ্ঠু কিনারা করতে পারে সেদিকে তাকিয়ে আছেন এলাকার জনগণ।

Leave a Comment