রাজ্যও ড্রাইভার দিবস পালন

অনলাইন ডেস্ক, ১ সেপ্টেম্বর, ২০২৫: আজ ১ লা সেপ্টেম্বর দেশব্যাপী ড্রাইভার দিবস পালন হয়। তেমনি অল ড্রাইভার কল্যাণ সংঘের পশ্চিম জেলার উদ্যোগে জয়নগর স্থিত দশমীঘাট রোডে রামজী হোটেলে অনুষ্ঠিত হয় ড্রাইভার দিবস। এই অনুষ্ঠানে সাংস্কৃতিক নাচ গান দিয়ে অনুষ্ঠান শুরু হয়। উক্ত অনুষ্ঠানে প্রধান অথিতি এবং প্রধান বক্তা হিসাবে উপস্থিত ছিলেন মজদুর মনিটরিং সেলের সভাপতি ও শ্রমিক বন্ধু শ্রী বিপ্লব কর মহাশয়,আর ছিলেন অল ড্রাইভার কল্যাণ সংঘের পশ্চিম জেলা সভাপতি শ্রী উত্তম দাস মহাশয়,ছিলেন জেলা সম্পাদক শ্রী রাকেশ পাল মহাশয় ছিলেন শ্রী হরি লাল সরকার মহাশয় , আর ছিলেন অল ইন্ডিয়া পারমিট সকল ড্রাইভার ভাইরা।

আজকের উপস্থিতি বুঝিয়ে দিয়েছে দূরপাল্লার ড্রাইভার ভাইরা নিজেদের ভবিষ্যত সুরক্ষিত রাখতে ঐক্যবদ্ধ। জনস্বার্থে জনকল্যাণের জন্য দাবি পত্র: ড্রাইভারদের অধিকার ও কল্যাণের জন্য একটি বিস্তারিত কর্মপরিকল্পনা আমাদের দেশের অর্থনীতির মেরুদণ্ড হিসেবে কাজ করা লক্ষ লক্ষ পেশাদার ড্রাইভারদের পক্ষ থেকে, এই চিঠিটি ড্রাইডিং সম্পম্প্রদায়ের সুখোমুখি হওয়া পদ্ধতিসার চ্যালেঞ্জ এবং অবিচার মোকাবেলার জন্য জরুরি দাবির একটি সিরিজ বুলে ধরেছে।

এই প্রভাবগুলি সমন্ত্র পেশাদার ড্রাইভারদের মর্যাদা, নিরাপত্তা এবং সুস্থতা নিশ্চিত করার জন্য জনস্বার্থে উত্থাপন করা হয়েছে।. একটি জাতীয় ড্রাইভার কমিশন গঠন: দেশের আনুমানিক ১১ কোটি ড্রাইভারকে ন্যায় ও প্রতিনিধিত্ব প্রদানের জন্য একটি জাতীয় ড্রাইভার কমিশন এবং সংয়িষ্ট রাজা ড্রাইভার কমিশন গঠন করতে হবে। ২. জাতীয় ড্রাইভার দিবসকে স্বীকৃতি গত এক দশক ধরে ১লা সেপ্টেম্বর জাতীয় ড্রাইভার দিবস হিসেবে পালিত হয়ে আসছে, এটিকে সরকারিভাবে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত এবং সরকারের অফিসিয়ান ক্যালেন্ডারে অন্তর্ভুক্ত করা উচিত।

৩. ন্যায্য কার্যপরিবেশ ও ক্ষতিপুরণ চাকরির নিরাপত্তা ও নিয়তিকরণ সরকার ও পাবলিক প্রানে চুক্তিভিত্তিক আসীন কর্মরত শেণার ড্রাইভারদের নিয়মিতকরণ করা উচিত -এবং সমান কাজের জন্য সমান কোন দেওয়া উচিত। লাইসেন্স পুনর্নবীকরণের সময়সীমা বাণিজ্যিক ড্রাইভারদের লাইসেন্স পুনর্নবীকরণের সময়সীমা তিন বছর থেকে বাড়িয়ে কমপক্ষে দশ নছর করা উচিত।

দৈনিক কামিন্টী ও বিগ্রাম ক্রান্তি প্রতিরোম এবং নিরাপরা বাবার কায় প্রতিদিন সর্বোচ্চ আট ঘন্টা এবং উচিত। বেতন ও জয়া গেলামায় ড্রাইভারদের জন্য লুনায় মাসিক বেতন ১০,৯০০ টাকা নির্ধারণ করা উচিত, সাথে স্থানীয় জীবনযাত্রার ব্যয় অনুসারে দৈনিক ও অর্থ আচিত। পেনশন পরিকল্পনা অান্য সরকারি সরকারি কর্মচারীদের জন্য বিদ্যমান পেনশান পরিকল্পনার মরো, ৬০ বছরের বেশি বয়সী পেশাদার ড্রাইভারদের জন্যও একটি পেনশন পণ করা উচিত।

আর্থিক নিরাপত্তা ও সামাজিক কন্যাগ দুর্ঘটনা নিপুণ দুর্ঘটনার কারণে স্থায়ীভাবে অক্ষম হয়ে গেলে একজন পেশাদার ড্রাইঘগ্রেকে সরকারের পক্ষ থেকে ১০ লাখ টাকা ঋতিপুকা প্রদান করা উচিত। মৃত্যু তারা কর্মকালীন অবস্থায় কোনো ড্রাইভারের দুর্ভাগ্যজনক মৃত্যু হলে, পরিবারকে ৫২০ লাখ টাকা অতিপুরণ প্রদান করা উঠিল। ব্যাপক বীমা সমস্ত পেশাদার ড্রাইভারকে ৫২০ লাখ টাকার একটি দেয়াণী বীমা প্রদান করা উচিত। সমন্ত পেশাদার ড্রাইভারকে ৫৬০ লাখ টাকার একটি চিকিৎসা ও দুর্ঘটনা বীমা প্রদান করা উচিত।

আবাসন ও শিক্ষা প্রধানমন্ত্রী আবাস যোজনার মতো ড্রাইভারদের জন্য একটি আবাসন প্রকল্প শুরু করা উচিত। ড্রাইভারদের সন্তানদের শিক্ষার জন্য সরকারের পক্ষ থেকে সহযোগিতা ও সমর্থন প্রদান করা উচিত। ৫. ড্রাইভার সুরক্ষা ও আইনি সংস্কার: জামিনের অধিকার: মুর্যাটনার ক্ষেত্রে একজন পেশাদার ড্রাইভারের আইনি নাইমেন্দাকে অবিলম্বে জামিনের জন্য একটি বৈধ বিবেচনা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া উচিক।

আইনি সুরক্ষা জনগণের সদস্য, মালিক বা সরকারি কর্মকণাদের সহ যে কোনো ব্যাক্তি কর্মকালীন অবস্থায় একজন ড্রাইভারকে আক্রমণ বা হত্যা করাল ডাকে ৭ বছরের জেল বা ৩৫ লাখ টাকা জরিমানা প্রদানের জন্য একটি আইন প্রণয়ন করা উচিত। হয়রানি ও চাঁদাবাজি: বিশেষ করে আন্তঃপ্রাদেশিক ভ্রমণের সময় পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মীদের দ্বারা ড্রাইভারদের হয়রানি ও চাদাবাজি বন্ধ করার জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

স্মারক: পেশাদার ড্রাইভারদের অবদানকে সম্মান জারতে প্রতিটি রাজ্যের রাজধানী একটি “ড্রাইভার স্মারক শুভ’ স্থাপন করা বীচিত। অবকাঠামো ও নিয়ন্ত্রক উত্তায়ন। রাস্তার নিরাপত্তা ও অবকাঠামো: দেশের সমস্ত জাতীয় ও রাজ্য মহাসড়কে স্ট্রিটলাইট স্থাপন করা উচিত। এই হাইওয়েগুলোতে অ্যাম্বুলেন্স সুবিধা টোল প্লাজা নিয়মাবলী টোল প্লাজাওশোতে সমস্ত টোল, নিম এবং প্রভাব প্রদর্শন করতে হবে। যানজট কমাতে বাজিলাত ও বাণিজ্যিক গাড়ির জলন করা উচিত।विधीশজুড়ে একটী অভিন্ন মূল্য নিশ্চিত করতে ডিজেল ও পেট্রোলকে কি সেটি-এর আকলাছ আনা উচিত।

রাজ্য কর সংস্কার সমস্ত বাণিজ্যিক গাড়ির উপর রাজ্য করেত পরিধার্ত একটি একীকরন করা উচিত, যাতে সড়ক কর বাতিল করা হাইওয়ে রেসট সীপ জারাবর রেস্টুরেন্ট এবং এরাস্ট হাউসগুলি সরকারের দ্ব এবং ড্রাইভারদের জন্য ন্যায্য মূল্যে পরিষেবা প্রদান করা উচিত। কোম্পানির নিয়ন্ত্রণ: ওলা এবং উষেরের মতো অ্যাপ ডিতিক সংস্থাগুলিকে কঠোরভাবে সরকারি আইন ও নিম্নয়ের অধীনে পরিচালনা করা উচিত।

৭. জবাবদিহিতা ও সামাজিক দায়িত্ব দুর্নিতি বিরোধী হেল্পলাইন: ফোন এবং হোয়াটসঅ্যাপের মাধ্যমে দেশব্যাপী একটি দুর্নীতি বিদ্রোণী হেল্পলাইন চালু করা উচিত এবং সমন্ত অভিযোগের উপর অবিলম্বে ব্যবস্থা নেওয়া উচিত। সর্যাদা রক্ষা ড্রাইভারদের মর্যাদা অবশ্যই সম্মান করা উচিও এবং ন্যা্য আচরণ নিশ্চিত করার জন্য একটি সাধারণ নীতি প্রতিষ্ঠা করা উচিত। নৈতিক আচরণ সংবিধান ও বিচার ব্যবস্থার মর্যাদা রক্ষা করে অপরাধমূলক বা অসামাজিক কার্যকলাপে জড়িত ড্রাইভারদের বিরুদ্ধে লাইসেন বাতিলসহ আইনি ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত।

জামিনের অধিকার: দুর্ঘটনার ক্ষেত্রে একজন পেশাদার ড্রাইভারের আইনি লাইসেন্সকে অবিলম্বে জামিনের জন্য একটি বৈধ বিবেচনা হিসেবে স্বীকৃতি দেওয়া উচিত। আইনি সুরক্ষা: জনগণের সদস্য, মালিক বা সরকারি কর্মকর্তাদের সহ যে কোনো ব্যক্তি কর্মকালীন অবস্থায় একজন ড্রাইভারকে আক্রমণ বা হত্যা করলে তাকে ৭ বছরের জেল বা ২৫ লাখ টাকা জরিমানা প্রদানের জন্য একটি আইন প্রণয়ন করা উচিত।

হয়রানি ও চাঁদাবাজি: বিশেষ করে আন্তঃপ্রাদেশিক ভ্রমণের সময় পুলিশ ও প্রশাসনিক কর্মীদের দ্বারা ড্রাইভারদের হয়রানি ও চাঁদাবাজি বন্ধ করার জন্য কঠোর ব্যবস্থা গ্রহণ করা উচিত। স্মারক: পেশাদার ড্রাইভারদের অবদানকে সম্মান জানাতে প্রতিটি রাজ্যের রাজধানীতে একটি “ড্রাইভার স্মারক স্তম্ভ” স্থাপন করা উচিত। ৬. অবকাঠামো ও নিয়ন্ত্রক উন্নয়ন: রাস্তার নিরাপত্তা ও অবকাঠামো: দেশের সমস্ত জাতীয় ও রাজ্য মহাসড়কে স্ট্রিটলাইট স্থাপন করা উচিত। এই হাইওয়েগুলোতে অ্যাম্বুলেন্স সুবিধা আরও বাড়ানো উচিত।

Leave a Comment