পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের অর্থবিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত

অনলাইন ডেস্ক, ২৪ মার্চ, ২০২৪: পশ্চিম ত্রিপুরা জিলা পরিষদের সভাগৃহে আজ জিলা পরিষদের অর্থ বিষয়ক স্থায়ী কমিটির সভা অনুষ্ঠিত হয়। জিলা পরিষদের ভারপ্রাপ্ত সভাধিপতি বিশ্বজিৎ শীল সভায় সভাপতিত্ব করেন। এছাড়া সভায় উপস্থিত ছিলেন জিলা পরিষদের অর্থবিষয়ক স্থায়ী কমিটির বিভিন্ন সদস্য-সদস্যাগণ এবং বিভিন্ন দপ্তরের আধিকারিকগণ।

সভায় জিলা পরিষদের প্রতিনিধি জানান, চলতি বছরে মোহনপুর ব্লকের পশ্চিম কামালঘাট স্টেডিয়ামের খেলার মাঠ সংস্কার করার জন্য জিলা পরিষদের পঞ্চায়েত উন্নয়ন তহবিল থেকে ২ লক্ষ টাকা দেওয়া হয়েছে। জিরানীয়া ব্লকের হরিজয় চৌধুরী গ্রামপঞ্চায়েতের মাকুমাইকামী উচ্চ বিদ্যালয়ের বাউন্ডারী ওয়াল নির্মাণের জন্য জিলা পরিষদের পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের আন টাউড ফান্ড থেকে ৪ লক্ষ ৯৫৯ টাকা দেওয়া হয়েছে। বামুটিয়া ব্লকের তালতলা পঞ্চায়েতে একটি পাকা ড্রেন নির্মাণ করার জন্য জিলা পরিষদের পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাইড ফান্ড থেকে ২ লক্ষ ৩৩ হাজার ৮৮২ টাকা দেওয়া হয়েছে।

জিরানীয়া ব্লকের স্পোর্টস ও বিভিন্ন সাংস্কৃতিক কর্মসূচির জন্যও জিলা পরিষদের পঞ্চায়েত উন্নয়ন তহবিল থেকে ১ লক্ষ ৫০ হাজার টাকা দেওয়া হয়েছে। ডুকলি ব্লকের সেকেরকোট গ্রামপঞ্চায়েতেও একটি পাকা ড্রেন নির্মাণ করার জন্য জিলা পরিষদের পঞ্চদশ অর্থ কমিশনের টাইড ফান্ড থেকে ৪ লক্ষ ৬৬ হাজার ৪৪৩ টাকা দেওয়া হয়েছে। সভায় পরিসংখ্যান দপ্তরের প্রতিনিধি জানান, চলতি বছরে জানুয়ারি মাস থেকে পশ্চিম ত্রিপুরা জেলায় ৮০তম পর্যায়ের জাতীয় সেম্পল সার্ভের কাজ শুরু হয়েছে।

লিড ব্যাংক ম্যানেজার সভায় জানান, গত ২০২৩-২৪ ও ২০২৪-২৫ অর্থ বছরের এখন পর্যন্ত পশ্চিম জেলার ৫৯ হাজার ৪১৫ জনকে প্রধানমন্ত্রী মুদ্রা যোজনায় বিভিন্ন আত্মনির্ভর প্রকল্পে ঋণ মঞ্জুর করা হয়েছে। টিআরএলএম এর প্রতিনিধি সভায় জানান, ২০২৪-২৫ অর্থবর্ষে জেলার ৮৬০টি স্বসহায়ক দলকে বিভলভিং ফান্ড, ৭২১টি স্বসহ্য কমিউনিটি ইনভেস্টমেন্ট ফান্ড দেওয়া হয়েছে। স্বল্প সঞ্চয় প্রকলPageষক দিক সভায় জানান, চলতিং অধকারের ২৮ ফেব্রুয়ারি, ২০২৫ পর্যন্ত পশ্চিম জেলায় ৬০৭ কোটি টাকা স্বল্প সঞ্চয় প্রকল্পে অর্থ সংগ্রহ হয়েছে।

Leave a Comment

‘হোয়াইট রেভলিউশন ২.০’ বাস্তবায়িত করতে মৌ স্বাক্ষর, কৃষক ও পশুপালকদের আয় বৃদ্ধি এবং গ্রামীণ অর্থনীতিকে আরও শক্তিশালী করার ক্ষেত্রে দুগ্ধ শিল্প গুরুত্বপূর্ণ ভূমিকা পালন করতে পারে মুখ্যমন্ত্রী